নাটোরে পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহারে আইন প্রয়োগ ও পাট খাতের উন্নয়নে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আপডেট: June 23, 2020, 10:08 pm

নাটোর প্রতিনিধি:


পাট খাতের উন্নয়ন, পাট ও পাট পণ্যের উৎপাদন ও অভ্যন্তরীণ ব্যবহার বৃদ্ধি এবং পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০ প্রয়োগ এবং এর বাস্তবায়নে উদ্বুদ্ধকরণে নাটোরে দিনব্যাপী এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল ১১টার দিকে জেলা প্রশসকের সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এ কর্মশালার উদ্বোধন করেন, জেলা প্রশাসক মো. শাহরিয়াজ।

কর্মশালায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, অতিরিক্ত পুলিশ জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আশরাফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রহিমা খাতুন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মীর মো. আসাদুজ্জামান, নাটোর কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক সুব্রত কুমার সরকার, পাট অধিদফতরের মুখ্য পরিদর্শক মো. হাফিজুর রহমান, নাটোর জুট মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শ্যাম সুন্দর আরগওয়ালা, জেলা পাট চাষি সমিতির সভাপতি আবু হেন্ মোস্তফা কামাল প্রমুখ।

এসময় কর্মশালায় বক্তারা বলেন, দেশের প্রায় ৪০ লাখ মানুষ প্রত্যক্ষও পরোক্ষভাবে পাট চাষের ওপর নির্ভরশীল এবং মোট জনশক্তির এক-তৃতীয়াংশ কোন না কোনভাবে পাট ও পাট পণ্য উৎপাদন, পরিবহন ও বাজারজাতকরণের সাথে সম্পৃক্ত। বিশ্ব বাজারে চাহিদার শতকরা ৯০ ভাগ কাঁচা পাট এবং ৬০ ভাগ পাটজাত পণ্য ২৮টি দেশে রফতানি করে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ পাট রফতানিকারক দেশ হিসেবে পরিচিত।

পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০ বাস্তবায়নে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই কারণে ধান, চাল, গম, ভুট্টা ইত্যাদি পণ্যে পাটের মোড়ক ব্যবহার শতভাগ নিশ্চিত করা হয়েছে এবং আরো ১৯টি পণ্যে পাটজাত মোড়কের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করে সম্প্রতি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। পাট থেকে কম্পোজিট জুট টেক্সটাইল, ভিসকস, চারকোল, গ্রীণ টি এবং পলিথিন তৈরি করা হচ্ছে-যা অপার সম্ভাবনাময় বলে বক্তারা উল্লেখ করেন।