নাটোর ও সিরাজগঞ্জে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অবস্থান কর্মসূচি

আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০১৭, ১২:১৪ পূর্বাহ্ণ

নাটোর অফিস ও সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি



ধর্মীয় জাতীগত সংখ্যালঘু অস্বিত্ব রক্ষা এবং মর্যাদা প্রতিষ্ঠার দাবিতে নাটোর ও সিরাজগঞ্জে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গতকাল শনিবার সকাল ১০টার দিকে নাটোর প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ ও  হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ নাটোর জেলা শাখা ঘণ্টা ব্যাপী এ কর্মসূচি পালন করে।
কর্মসূচী চলাকালে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্ঠান ঐক্য পরিষদ নাটোর জেলা শাখার সভাপতি চিত্ত রঞ্জন শাহার সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য দেন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সুশান্ত কুমার ঘোষ, পূজা উদ্যাপন পরিষদ নাটোর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নগেন রায়, নাটোর আদিবাসি পরিষদের সভাপতি রামানাথ মাহাতো প্রমূখ।
এসময় বক্তারা, অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন কমিশনে একজন যোগ্য সংখ্যালঘু প্রতিনিধি মনোনয়ন, সাম্প্রদায়িক সহিংসতার চির অবসান, সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রনয়ণ, সংখ্যালঘু মন্ত্রনালয় ও জাতীয়  সংখ্যালঘু কমিশন গঠন, অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যাবর্তন আইন ও পার্বত্য ভ’মি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইনের দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান।
এদিকে ধর্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘুদের অস্তিত্ব রক্ষা এবং সাংবিধানিক সমঅধিকার ও সমমর্যাদা প্রতিষ্ঠার ৭ দফা দাবীতে সিরাজগঞ্জে অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ ও হিন্দু  বৌদ্ধ খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদের আয়োজনে গতকাল শনিবার সকালে শহরের মুজিব সড়ক কেন্দ্রীয় মন্দির শ্রী শ্রী মহাপ্রভুর আখড়ার সামনে ঘণ্টা ব্যাপী এ অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়। জেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অ্যাড.সুকুমার চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুস সামাদ তালুকদার, জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল ইসলাম মুকুল, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রীয় সদস্য মাহবুব এ খোদা টুটুল, জেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সহসভাপতি কালী পদ কুন্ডু, অ্যাড. রনজিত মন্ডল স্বপন, অ্যাড. কল্যান কুমার সাহা, সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ কুমার কানু, সাংগঠনিক সম্পাদক সুকান্ত সেন, সদর থানা শাখার সভাপতি রঞ্জন মন্ডল তপা, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদের আহবায়ক বিজয় দত্ত অলোক, যুগ্ম আহবায়ক সঞ্জয় সাহা, সিরাজগঞ্জ সাংস্কৃতিক ফোরামের সদস্য সচিব দিলীপ গৌড় প্রমুখ। এছাড়া কর্মসূচিতে স্বাধীনতার পক্ষের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ একাত্বতা প্রকাশ করেন।