নাটোর থেকে ঢাকায় যাচ্ছে শত শত গার্মেন্টস কর্মী || টিসিবির পণ্য কিনতে দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত মানুষের ভীড়

আপডেট: এপ্রিল ৪, ২০২০, ১০:৪১ অপরাহ্ণ

নাটোর প্রতিনিধি:


এভাবে গাদাগাদি করে ট্রাকে করে নাটোর থেকে ঢাকায় যাচ্ছে শত শত গার্মেন্টস কর্মী- সোনার দেশ

নাটোর থেকে ট্রাকে উঠে ঢাকাগামী হচ্ছেন শত শত গার্মেন্টস কর্মী। ট্রাকে গাদাগাদি করে ছুটতে গিয়ে তারাও মানছেন না সামাজিক দূরত্বরীতি। এতে সৃষ্টি হচ্ছে করোনাভাইরাস ঝুঁকি।
অপরদিকে সরকার করোনা সংক্রমণ ও বিস্তার রোধে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের মাঝে পণ্য বিক্রি করছে টিসিবি। কিন্তু টিসিবির পণ্য কিনতে আসা ক্রেতারাও মানছেন না সামাজিক দূরত্ব। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জরিমানা করেও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না।
সরেজমিনে শহরের মাদ্রাসা মোড় এলাকায় শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে দেখা যায়, টিসিবির পণ্য কিনতে জড়ো হয়েছেন শত শত দরিদ্র ও নিম্নমধ্যবিত্তের মানুষ। ট্রাকের পেছনে দুই লাইনে দাঁড়িয়েছেন ক্রেতারা। ট্রাকের দায়িত্বরতরা টিসিবির পণ্য ক্রেতাদের হাতে তুলে দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। পণ্য কিনতে আসা ক্রেতারা মানছেন না সামাজিক দূরত্ব।
অপরদিকে, নাটোর-ঢাকা হাইওয়ে ঘুরে দেখা যায়- ঢাকায় বিভিন্ন গার্মেন্টেসে কর্মরত নাটোরের কর্মীরা ট্রাকে ছুটছেন ঢাকায়। ট্রাকের মধ্যে গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে ও বসে রয়েছে নারী-পুরুষ-শিশুসহ শত শত মানুষ। ফলে তারাও মানছেন না সামাজিক দূরত্ব। এতে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে।
এ ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসন তৎপর রয়েছেন। নলডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাকিব-আল-রাব্বি জানান, শুক্রবার সকাল থেকে উপজেলার পাটুল,মাধনগর এলাকায় জনসমাগম রোধে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় মাধনগর বাজারে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে চা স্টলে বসে আড্ডা দেয়ায় ৪ জনকে ১১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
নাটোর সদর উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা আবু হাসান বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, একটি ট্রাক থামিয়ে যাত্রীদের জিজ্ঞাসা করা হলে তারা জানায়, বেতন নিতে তারা ঢাকা ছুটছেন। পরে একটি গার্মেন্টস কোম্পানীর দায়িত্বরত ব্যক্তির সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে অনলাইনে বা বিকাশে টাকা পাঠানো যায় কিনা জানতে চান তিনি। জবাবে ওই কর্মকর্তা জানান, মালিকপক্ষের সিদ্ধান্তের বাইরে তাদের কিছুই করার নেই।