নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর সদস্য সচিবের বিরুদ্ধে চাকরি দেয়ার নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

আপডেট: জুন ১৩, ২০২৪, ১০:৪০ অপরাহ্ণ

বাগাতিপাড়া প্রতিনিধি:


নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বাগাতিপাড়া সাব-জোনাল অফিসে ডেটা এন্ট্রি অপারেটর পদে চাকুরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সমিতি বোর্ডের সদস্য সচিব মো. মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদি হয়ে জেনারেল ম্যানেজার (জি.এম.) বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযুক্ত মিজানুর রহমান উপজেলার মাড়িয়া গ্রামের সাজদার রহমান বাগুর ছেলে এবং ভুক্তভোগী সোহেল রানা একই উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত মাহাতাব উদ্দিনের ছেলে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাস ছয়েক আগে বাগাতিপাড়া সাব-জোনাল অফিসে ডেটা এন্ট্রি অপারেটর পদে চাকুরির জন্য স্থানীয় সোহেল রানাকে প্রস্তাব করেন নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বোর্ডের সদস্য সচিব মিজানুর রহমান। সোহেল রানার স্ত্রীকে সাড়ে ৪লাখ টাকার বিনিময়ে চাকুরী দেয়া হবে বলে চুক্তি হয় উভয়ের মধ্যে। চুক্তি অনুযায়ী পাঁচ কিস্তিতে ৩লাখ টাকা সোহেল রানার কাছ থেকে গ্রহণ করেন মিজানুর। কথা ছিল বাকি দেড় লাখ টাকা যোগদানের পর পরিশোধ করা হবে।

কিন্তু ৩লাখ টাকা নিয়ে লাপাত্তা হয়ে যান সদস্য সচিব মিজানুর রহমান। ৬ মাস পার হয়ে গেলেও নিয়োগ দিতে না পারায় মিজানুরের কাছে টাকা ফেরত নিতে ধর্ণা ধরে সোহেল রানা। কিন্তু ভুক্তভোগীকে টাকা পরিশোধ না করে উল্টো দেখে নেয়ার হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে সদস্য সচিব মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে। এমনকি টাকা লেনদেনের ঘটনা কউকে না বলতে বিভিন্ন রকম হুমকি দেওয়া হয়েছে ভুক্তভোগীকে।

তবে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অস্বিকার করেছেন অভিযুক্ত মিজানুর রহমান। তিনি বলেন সোহেল রানার স্ত্রীর চাকুরীর বিষয়ে আমাকে বলেছিলেন। তবে টাকা নেয়ার বিষয়টি সঠিক নয়। আমার ইমেজ নষ্ট করতেই এমন অভিযোগ করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জেনারেল ম্যানেজার (জি.এম.) ফখরুল আলম লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন স্বীকার করে এই প্রতিবেদককে বলেন, আমাদের সমিতি বোর্ডের সদস্য সচিব মো. মিজানুর রহমান ওই পদে থেকে কোনো ভাবেই কাউকে চাকরির আশ্বাস দিতে পারেন না এবং তার মাধ্যমে চাকরির কোনো সুযোগও নেই বলে দাবি করেন তিনি। এছাড়া, তদন্ত করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দেন তিনি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Exit mobile version