নারীকে পাচার ও বিক্রির দায়ে দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

আপডেট: মে ১৮, ২০২২, ৭:১৯ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক:


ভালো বেতনে কাজের প্রলোভন দেখিয়ে তরুণীকে ভারতে পাচার ও বিক্রির দায়ে এক দম্পতিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে খুলনার একটি আদালত।

বুধবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক আবদুস সালাম খান দম্পতির অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন বলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) ফরিদ আহমেদ জানান।

মৃত্যুদ-প্রাপ্তরা হলেন- নগরীর খানজাহান আলী থানা এলাকার বাসিন্দা মো. শাহীন শেখ ও তার স্ত্রী আছমা বেগম ওরফে সালমা।
মামলার বরাত দিয়ে আইনজীবী বলেন, তরুণীও খানজাহান আলী থানা এলাকার বাসিন্দা। ২০০৯ সালে তাকে পাচার ও বিক্রি করা হয়। মেয়েকে ফেরত চাইলে আসামিরা পরিবারের কাছে উল্টো ক্ষতিপূরণ বাবদ ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। মেয়েকে আর ফেরত পাওয়া যায়নি।

তরুণীর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি করেন। মোট আটজনের সাক্ষ্য শুনে বুধবার রায় দিল আদালত।
যখন এ মামলায় অভিযোগ গঠন হয়েছিল, সে সময় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৬ (১) ধারায় পাচার ও বিক্রির বিষয়টি ছিল। ২০১২ সালে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন হলে ওই অংশটি সেখানে সন্নিবেশিত হয়।

মানবপাচার আইনের ৭ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো সংঘবদ্ধ গোষ্ঠীর একাধিক সদস্য আর্থিক বা অন্য কোনো লাভের জন্য মানবপাচারে দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে।

অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় শাহীন ও তার স্ত্রীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
তবে অপরাধে সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত না হওয়ায় এ মামলার অপর তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে বলে জানান আইনজীবী ফরিদ।
তথ্যসূত্র: বিডিনিউজ