নারী ইউপি সদস্যকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক চেয়ারম্যান ও সদস্যকে জেলহাজতে প্রেরণ

আপডেট: এপ্রিল ৮, ২০১৭, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ

বাঘা প্রতিনিধি


রাজশাহীর বাজুবাঘা ইউনিয়ন পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন জান্নাত ও চার নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আলাল উদ্দিনকে গতকাল শুক্রবার জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে সংরক্ষিত আসনের এক নারী সদস্যকে ধর্ষণের অভিযোগে তাদের পরিষদ থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বাজুবাঘা ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী সদস্যকে গত বৃহস্পতিবার পরিষদের এক কক্ষে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে চেয়ারম্যান ও সদস্য। এই সময় নারী সদস্যের চিৎকারে এলাকার লোকজন এগিয়ে এসে তাদের তালাবন্ধ করে রাখেন। পরে চেয়ারম্যান ও সদস্যকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই ব্যাপারে নারী সদস্য বাদী হয়ে চেয়ারম্যান ও সদস্যকে অভিযুক্ত করে থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন। পরে পুলিশ ধর্ষণের কিছু আলামত ইউনিয়ন পরিষদের ওই কক্ষে থেকে উদ্ধার করে।
বাজুবাঘা ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য চাঁন্দু মিয়া বলেন, আটককৃত চেয়ারম্যান ও সদস্যের সঙ্গে ওই নারী সদস্যের সম্পর্কের আলামত কখনো অনুভব করা যায় নি। তবে মনের মধ্যে তো ঢুকা যা য়না। কার মনে কি আছে?
এ বিষয়ে বাঘা থানার তদন্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, ইউনিয়ন নারী সদস্যকে পরীক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে হাসাপাতালে ভর্তি আছে। প্রতিবেদন হাতে না আসা পর্যন্ত কিছু বলা যাচ্ছে না।
প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালে সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্টিত হয় বাজুবাঘা ইউনিয়ন পরিষদের। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সমর্থিত ফারুক আহম্মেদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়। তাঁর শপথ গ্রহণের ৬৫ দিন দায়িত্ব পালনের পর মৃত্যু হয়। এরপর ৭ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য তোফাজ্জল হোসেন জান্নাতকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেয়া হয়। আটককৃত চেয়ারম্যান ও সদস্য বিএনপির সমর্থিত। তবে সংরক্ষিত নারী সদস্য আওয়ামী লীগ সমর্থিত।