নাশকতা চালাবে নব্য জেএমবি ! অপশক্তির চক্রান্ত নস্যাৎ করতে হবে

আপডেট: জুলাই ২৯, ২০২০, ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ

বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের পুনঃউত্থানের সুযোগ নেই এমন কথা বলার এখনো সময় আসেনি। বর্তমান সরকারের জিরো টলারেন্সের কারণে জঙ্গিরা নিষ্ক্রিয় হয়েছে বটে- তবে তারা মোটেও দমে যায় নি। এখনো মাঝেমধ্যেই জঙ্গিদের সাংগঠনিক তৎপরতার কথা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে অন্ত্রসহ গ্রেফতার হওয়ার খবর সংবাদ মাধ্যমে আসে। জঙ্গিরা সুযোগ পেলে তাদের আক্রমণ শাণিত করবে, দেশকে অস্থিতিশীল করবে- সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্যরা বারবার তাদের চক্রান্ত- পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দিয়েছে।
দৈনিক সোনার দেশ সহ দেশের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে যে, বাংলাদেশে হত্যাকাণ্ড, নাশকতা এবং ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করার পাঁয়তারা করছে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের (আইএস) আদলে গঠিত নব্য জেএমবি সদস্যরা। এমন আগাম তথ্য পেয়ে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে একটি চিঠি দিয়ে সব ইউনিটকে সতর্ক করা হয়েছে।
সংবাদ মাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী দেশে জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তারপরও দেশ ও জনগণের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ কোনো ধরনের আশঙ্কা রাখতে চায় না। তারই অংশ হিসাবে বিভিন্ন উৎসবের অর্থাৎ ইদুল আজহার আগে এসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের তথ্য পাওয়া যায়। এবারও সে ধরনের তথ্য পেয়ে পুলিশের প্রতিটি ইউনিটকে আগাম প্রস্তুতি হিসাবে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে- নব্য জেএমবির সদস্যরা জঙ্গি হামলাসহ যেকোনো ধরনের নাশকতা পরিচালনা করতে পারে। জঙ্গিরা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের স্থাপনা, যানবাহন, বিমানবন্দর, দূতাবাস, মসজিদ, মন্দির, গির্জা এমনকি ব্যক্তি বিশেষের ওপর এই হামলা চালাতে পারে। গোয়েন্দা তথ্যে আশঙ্কা করা হয়, হামলাকারীদের বয়স ১৫ থেকে ৩০ বছর। মুখে ক্লিন শেভড, তবে দাড়ি থাকতে পারে। একই সঙ্গে টি-শার্ট, প্যান্ট পরা থাকবে, সঙ্গে হ্যান্ড গ¬াভস, মাস্ক, কেডস, পেছনে ব্যাকপ্যাক থাকতে পারে। হামলায় গ্রেনেড, বোমা, ছুরি, চাপাতি ইত্যাদি ব্যবহৃত হতে পারে।
গোয়েন্দা তথ্যে আশঙ্কা করা হয়, হামলাকারীদের বয়স ১৫ থেকে ৩০ বছর। মুখে ক্লিন শেভড, তবে দাড়ি থাকতে পারে। একই সঙ্গে টি-শার্ট, প্যান্ট পরা থাকবে, সঙ্গে হ্যান্ড গ¬াভস, মাস্ক, কেডস, পেছনে ব্যাকপ্যাক থাকতে পারে। হামলায় গ্রেনেড, বোমা, ছুরি, চাপাতি ইত্যাদি ব্যবহৃত হতে পারে।
চলতি দশকের গোড়ার দিকেও জঙ্গি-সন্ত্রাসবাদ মানুষের জীবন ও সম্পদকে এবং দেশের শান্তি, সম্প্রীতি ও স্থিতিশীলতাকে নস্যাৎ করতে চেয়েছিল। সন্ত্রাস, ধ্বংসযজ্ঞ ও হত্যাকাণ্ড চালিয়ে সারা দেশে বিভীষিকাময় পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সরকারের দৃঢ় অবস্থান এবং দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ অসাম্প্রদায়িক চেতনার মানুষ সব ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তকে মোকাবিলা করেছেÑ সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদকে নিষ্কিয় করেছে। তবে ওই বিষধর সাপেরা সময় সুযোগ পেলেই বিবর থেকে বেরিয়ে আসবে। সেই সুযোগের সব পথ বন্ধ করতে হবে। রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলেই কেবল সেটা সম্ভব। বর্তমান সরকারের সেই সদিচ্ছার কোনো অভাব নেইÑ এটাই সবচেয় বড় ভরসার জায়গা। অশুভ শক্তি যাতে কোনোভাবেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে সেটা শুধু আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর একার বিষয় নয়Ñ এটা দেশের সর্বস্তরের মানুষের দায়িত্বের বিষয়। সেখানেই আমাদের অঙ্গীকারাবদ্ধ হতে হবে, ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ