নিয়ামতপুরে আলোচিত সুলতানা ও তার বোন আটক, এলাকায় স্বস্তি

আপডেট: জুন ১৫, ২০২১, ৮:৫১ অপরাহ্ণ

নিয়ামতপুর প্রতিনিধি:


যুবকদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ফাঁদে ফেলে টাকা আদায় করা, তাদের চরিত্র নষ্ট করা, চাঁদাবাজি, ভাড়া বাড়িতে থেকে ভাড়া না দিয়ে বাড়ির মালিককে বিভিন্নভাবে হুমকি, চাঁদাদাবিসহ বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত আলোচিত নারী সুলতানা বেগম (২৬) শেষ পর্যন্ত গ্রেফতার হলেন, সাথে তার বোন সেমি আক্তার (২৭)।
ভুক্তভোগী এক নিরীহ স্কুল শিক্ষক বাড়ির মালিকের থানায় লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ১৪ জুন সোমবার সন্ধ্যায় তাদের গ্রেফতার করে নিয়ামতপুর থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত সুলতানা বেগম, স্বামী- মো. আওয়াল ও সেমি আক্তার, স্বামী-মো. হাসান সরদার, উভয়ের পিতা- মো. দেলোয়ার হোসেন গ্যাফা, উপজেলার পাড়ইল ইউনিয়নের ঝাড়–য়াপাড়া গ্রামের।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মৃত মোখলেছুর রহমানের ছেলে কাপাষ্টিয়া উ্চ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মাসুম আল সালেহীন এর বাসায় সুলতানা বেগম ২০ সালে অক্টোবর মাসে ৩ হাজার ৫শ টাকা চুক্তিতে ভাড়াটিয়া হিসাবে উঠেন। শুরু থেকে অদ্যবধি বাড়ির মালিক মাসুম আল সালেহীনকে কোনো ভাড়া পরিশোধ করেন নি। বার বার ভাড়া চাইতে গেলে উল্টো তাকেই অপমান করে। শুধু তাই নয় উল্টো বাড়ির মালিকের কাছ থেকে ১ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। না দিলে বিভিন্ন প্রকার হুমকি প্রদান করেন।
সুলতানা বেগমের বিরুদ্ধে এলাকায় দেহ ব্যবসাসহ যুব সমাজকে নষ্ট করার অনেক অভিযোগ রয়েছে। তাকে গ্রেফতার করায় এলাকার সুশীল সমাজে স্বস্তি ফিরে এসেছে। এলাকার সুশীল সমাজের দাবি তাকে শুধু গ্রেফতার করলেই হবে না, তাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। যাতে উঠতি বয়সের কিশোর ও যুব সমাজ নষ্ট হতে না পারে।
নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইন চার্জ হুমায়ন কবির বলেন, এই দুই নারী এলাকার উঠতি বয়সের কিশোর ও যুব সমাজকে একেবারে নষ্ট করে দিচ্ছিল। তার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ পেলেও প্রমাণের অভাবে বা কোনো অভিযোগ না পাওয়ায় তাকে আমরা গ্রেফতার করতে পারিনি। এবার তার বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়ায় আমরা দ্রুত তাকে ও তার বোনকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ