‘নো হেলমেট, নো ফুয়েল’ পুলিশের তৎপরতায় শৃঙ্খলা ফিরেছে

আপডেট: মে ২০, ২০২৪, ১২:২০ পূর্বাহ্ণ

১৫ মে ২০২৪ বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ আইন ২০১৭-এর অধীনে গঠিত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠকে সারা দেশে নো হেলমেট, নো ফুয়েল আমলে আনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সদর দপ্তর সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ‘নো হেলমেট, নো ফুয়েল’ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

রাজশাহী মহানগরীতে বেশ ব্যতিক্রম হচ্ছিল। পেট্রোল পাম্পগুলেরা অধিকাংশই ওই নির্দেশনা মানছিল না। হেলমেট ছাড়াই বাইকচালকরা ফুয়েল নিতে পারছিল। সোনার দেশসহ সংবাদ মাধ্যমে ‘নো হেলমেট, নো ফুয়েল’ নির্দেশনা না মেনে চলার খবর প্রকাশিত হলে রাজশাহী মেট্রোপলিটান পুলিশের টনক নড়ে ওঠে। তারা নির্দেশনা বাস্তাবায়নে গুরুত্বারোপ করে।

‘নো হেলমেট, নো ফুয়েল’ কর্মসূচি’র পাশাপাশি আরএমপি ট্রাফিক বিভাগ ও সকল থানা ফাঁড়ি এবং ডিবি পুলিশ হেলমেট ছাড়া মোরটসাইকেল চালনা, মোটরসাইকেলে তিনজন আরোহন এবং বেপরোয়া বাইকারদের বিরুদ্ধে সম্মিলিত অভিযান পরিচালনা করছে।

নগর পুলিশের উদ্যোগে রাজশাহী মহানগরীর ২৩ টি পেট্রোল পাম্পে ‘নো হেলমেট, নো ফুয়েল’ ফেস্টুন প্রদর্শন করা হয়েছে। পাম্প মালিক ও কর্মচারীদের আরএমপি’র পক্ষ থেকে হেলমেট ছাড়া জ্বালানি তেল না দেয়ার জন্য বলা হয়েছে। এ কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে পাম্পের আশপাশে চেকপোস্ট স্থাপন করে আইন অমান্যকারীর বিরুদ্ধে জরিমানা আরোপ করছে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ। তিন দিনে হেলমেটবিহীনসহ অন্যান্য অপরাধে মোট ১৭৮ টি যানবাহন মালিকের বিরুদ্ধে সড়ক পরিবহন আইনে মামলা করা হয়েছে।

পুলিশি তৎপরতায় পরিস্থিতির যে উন্নতি হয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। পুলিশ যে কাজ দায়িত্বশীলতার সাথে করে তার যে সুফল পাওয়া যায় তা ‘নো হেলমেট, নো ফুয়েল’ নির্দেশনে বাস্তবায়নের অগ্রগতি তারই সাক্ষ্য দেয়। নগরবাসীর প্রত্যাশাও তাই পাম্প মালিক ও মোটর বাইক চালকের মধ্যে শৃঙ্খলা সম্পর্ক গড়ে উঠবে। দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সব পক্ষের সহযোগিতা ছাড়া ভাল উদ্দেশ্য সফল করা যায় না।