পটুয়াখালীতে ১২ জলদস্যুর আত্মসমর্পণ

আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০১৭, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় সুন্দরবনের নোয়া বাহিনীর প্রধানসহ ১২ জলদস্যু বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আত্মসমর্পণ করেছে।
শনিবার বেলা ১টার দিকে কুয়াকাটার রাখাইন মার্কেট মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে তারা স্বরাষ্টমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের কাছে অস্ত্র জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। অনুষ্ঠানে আগে আত্মসমর্পণ করা ৬০ জলদস্যুর প্রত্যেক পরিবারকে অনুদান হিসেবে ২০ হাজার টাকা ও কম্বল বিতরণ করেন মন্ত্রী। ওই ৬০ জলদস্যু বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।
আত্মসমর্পণকারীরা হলেন নোয়া বাহিনীর প্রধান মো. বাকি বিল্লাহ মিয়া (৩৭), মো. মনিরুল শেখ (৩৮), মো. মানজুর মোল্লা ওরফে রাঙ্গা (৪২), মো. মুক্ত শেখ (৩৭), মো. তরিকুল শেখ (৬০), মো. আকবর শেখ (৪২), মো. কিবরিয়া মোড়ল (৪০), মো. জাহাঙ্গীর শেখ ওরফে মেজ ভাই (৪৮), মো. আল আমিন সিকদার (৫০), মো. ইউনুচ শেখ ওরফে দুলাল ঠাকুর (৪০), মো. মিলাদুল মোল্লা ওরফে কালু ডাকাত (২৮) ও মো. মোশারফ হোসেন (৩৭)।
এদের বাড়ি বাগেরহাটের মংলা ও রামপাল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বলে র‌্যাব জানিয়েছে।
র‌্যাব-৮ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আনোয়ার উজ জামান জানান, আত্মসমর্পণকালে নোয়া মিয়ার নেতৃত্বে জলদস্যুরা একে একে র‌্যাবের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে সাতটি বিদেশি একনালা বন্দুক, আটটি বিদেশি দোনালা বন্দুক, দুইটি বিদেশি এয়ার রাইফেল, তিনটি ওয়ান শুটার গান, একটি রাইফেল, একটি বিদেশি রাইফেল, তিনটি বিদেশি কাটা বন্দুক এবং ১১০৫ রাউন্ড তাজা গোলাবারুদ জমা দিয়েছেন।
র‌্যাব-৮ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে র‌্যাবের মহাপরিচালক মো. বেনজীর আহমেদ, র‌্যাব-৮ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আনোয়ার উজ জামানসহ আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ীরাসহ নানা শ্রেণিপেশার কয়েকশ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।- বিডিনিউজ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ