পত্নীতলায় শব্দ দূষণে অতিষ্ঠ নজিপুর পৌরবাসী!

আপডেট: অক্টোবর ১৬, ২০২৩, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ

ইখতিয়ার উদ্দীন আজাদ, পত্নীতলা:


নওগাঁর পত্নীতলায় দিনের পর দিন শব্দ দূষণের মাত্রা বেড়েই চলেছে। মাইকের বিকট শব্দ ও যানবাহনের প্রয়োজনী-অপ্রয়োজনীয় হাইড্রোলিক হর্ণ বাজানোর কারণে এ সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি বেকায়দায় পড়ছে শিশু ও বয়স্করা। পৌরবাসীরা জানায়, ‘পাড়ায়-মহল্লায় এবং হাই রোডে প্রতিনিয়ত মাইকিং চলছে তো চলছেই। মাছ বিক্রি, মাংস বিক্রি, মুরগি বিক্রি, হারানোর খবর, সুখবর, ভাঙারি বিক্রি, পুরানো পত্রিকা বিক্রি, কাচি ধার, খোস-পাঁচড়া-দাউদ-চুলকানীর ওষুধ বিক্রিসহ আরো হরেক রকমের মিষ্টি মধুর সুরে বাহারী মাইকিং! শুনলে হাসিও পায়, আবার কান্নাও পায়।’

উপজেলা সদর নজিপুর পৌর শহরের ক্লিনিক ব্যবসায়ীরা তো মনে হয় রীতিমতো তীব্র প্রতিযোগিতায় নেমেছে। ডাক্তারের নাম আর ডিগ্রির কথা শুনতে-শুনতে পৌরবাসীর কানে খিল ধরেছে! মোটরসাইকেলের হাইড্রোলিক হর্ণ হাইপ্রেসার রোগিদের মেজাজ হাই করে দিচ্ছে। এছাড়া নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত মেশিন, ইটভাঙা মেশিন, গ্রীল ও টাইলস কাটার জেনারেটরের শব্দেও জান বেরিয়ে যাওয়ার অবস্থা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সাবেক উপ-পরিচালক ডা: মোঃ আলাউদ্দিন বলেন, ‘মানুষ সাধারণত ৪০ ডেসিবল শব্দে কথা বলেন। এ মাত্রা বেশি হলেই সমস্যা। দীর্ঘ সময় ধরে কেউ যদি ৭০ ডেসিবলের উপরে শব্দের মধ্যে থাকে তাহলে তাঁর শ্রবণ শক্তি ক্রমশঃ কমতে শুরু করে। অতিরিক্ত শব্দ উচ্চ রক্তচাপ ও মস্তিষ্কে প্রচন্ড প্রভাব ফেলে। তাছাড়া এটা পরিবেশ দূষণও ঘটায়। শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। এ ব্যাপারে সকলেরই একান্ত সচেতন হওয়া আবশ্যক।’

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Exit mobile version