পদ্মার চরে ১১ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটি শহিদ মিনার

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০১৭, ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ

আমানুল হক আমান, বাঘা
রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পদ্মার চরে ১১ স্কুলের শিক্ষার্থীর জন্য একটি মাত্র শহিদ মিনার। ভাষা বাংলা প্রতিষ্ঠার ৬৫ বছর পরেও শহিদ মিনার নির্মাণ করা হয় নি পদ্মার চরে। ১১টি স্কুলের শিক্ষার্থীরা পদ্মার চরের মধ্যে চকরাজাপুর উচ্চবিদ্যালয়ের শহিদ মিনারে শহীদদের স্বরণে শ্রদ্ধা জানাতে আসে। এছাড়া শিক্ষার্থীরা ভাষা শহিদদের স্মরণে কোথাও বাঁশ, কাঠ, কোথাও কলাগাছ ও মাটি দিয়ে অস্থায়ী শহিদ মিনার নির্মাণ করে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।
প্রতি বছর ভাষা দিবস এলেই শহিদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও নানা আয়োজনের মাধ্যমে জাতীয়ভাবে শহিদদের স্মরণে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি উদ্যাপন করা হয়। পদ্মার চরে ১১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নয়টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দুটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। বিদ্যালয়গুলো হলো চৌমাদিয়া, আতারপাড়া, চকরাজাপুর, পলাশি ফতেপুর, ফতেপুর পলাশি, লক্ষীনগর, চকরাজাপুর, পশ্চিম চরকালিদাস খালী, পূর্ব চকরাজাপুর এগুলো প্রাথমিক বিদ্যালয়। চকরাজাপুর ও পলাশি ফতেপুর এই দুটি উচ্চ বিদ্যালয়।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইয়াকুব আলী বলেন, প্রর্যায়ক্রমে পদ্মার চরের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে শহিদ মিনার তৈরির বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করব।
পদ্মার মধ্যে চকরাজপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আজিজুল আযম বলেন, একটি মাত্র শহিদ মিনার হওয়ায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক, বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠকরা চকরাজাপুর স্কুলে আসে। তবে পাঁচ থেকে সাত কিলোমিটার দূর থেকে আসতে অনেক কষ্ট হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হামিদুল ইসলাম বলেন, প্রতি বছর বন্যা হয়। এই বন্যায় ভেঙে যায়। ফলে শহিদ মিনার তৈরি করেও লাভ হয় না। যেমন গত বছরে বন্যায় দুটি শিক্ষা প্রতিষ্টান ভেঙে গেছে। তবে অস্থায়ীভাবে শহিদ মিনার তৈরি করে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ