পদ্মা নদী ও পদ্মাপাড় প্লাস্টিক-পলিথিন বর্জ্যমুক্ত করবে ইয়্যাস

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২, ২০২০, ১:০৩ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


পরিবেশ সুরক্ষায় প্লাস্টিকের বর্জ্য অন্যতম প্রতিবন্ধক তাই পরিবেশ ও নদী সুরক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বরেন্দ্র অঞ্চলের ‘জীবন্ত সত্তা’ পদ্মা নদী রক্ষার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ইয়্যাস তারুণ্য। রাজশাহীর তরুণ সংগঠন ইয়্যাস ইয়ুথ অ্যাকশন ফর সোস্যাল চেঞ্জ চলতি ফেব্রুয়ারি মাসেই পদ্মাপাড় ও পদ্মা নদীকে প্লাস্টিক ও পলিথিন বর্জ্যমুক্ত করতে যাচ্ছে।
ইয়্যাসের চলমান নিয়মিত শহর আমার দায়িত্ব আমার গণসচেতনতা প্রচারাভিযানের অংশ হিসেবে ‘প্লাস্টিক ও বর্জ্যমুক্ত পরিচ্ছন্ন পদ্মাপাড়, জীবন্ত নদী তারুণ্যের অঙ্গীকার’ স্লোগানে ‘জীবন্ত সত্তা’ পদ্মা নদী রক্ষার ডাক প্রচারাভিযানের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন করা হবে বলে ইয়্যাসের নিয়মিত মাসিক সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
গতকাল শনিবার বিকেলে নগরীর বোয়ালিয়া থানাধীন কলাবাগানস্থ ইয়্যাসের নিজস্ব প্রধান কার্যালয়ে সংগঠনের নিয়মিত মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মাসিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন অংশে ইয়্যাস তারুণ্য জীবন্ত সত্তা পদ্মানদী ও পদ্মা পাড় প্লাস্টিক ও বর্জ্যমুক্ত এবং পরিচ্ছন্ন করতে মাসব্যাপি কর্মসূচি (প্রথমপর্ব) গ্রহণ করেন। প্রথমপর্বের কর্মসূচির অংশ হিসেবে মাসের প্রথম শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নগরীর পাঠানপাড়াস্থ লালন শাহ্ মুক্তমঞ্চ (পদ্মাপাড়), দ্বিতীয় শুক্রবার (১৪ ফেব্রয়ারি) নগরীর বড়কুঠিস্থ পদ্মাগার্ডেন (পদ্মাপাড়), তৃতীয় শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) শ্রীরামপুরস্থ টি-বাধ (পদ্মাপাড়) এবং চতুর্থ শুক্রবার নবীনগরস্থ বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্ক সংলগ্ন আইবাধ (পদ্মাপাড়) এলাকাকে প্লাস্টিক ও পলিথিন বর্জ্যমুক্ত করা হবে।
নিয়মিত মাসিক সভায় সভাপতিত্ব করেন, তরুণ সংগঠন ইয়্যাস ইয়ুথ এ্যাকশন ফর সোস্যাল চেঞ্জ সভাপতি শামীউল আলীম শাওন। ইয়্যাস’র কোষাধ্যক্ষ আতিকুর রহমান আতিকের পরিচালনায় সভায় অংশ নেন, তরুণ সংগঠন ইয়্যাসের সদস্য যথাক্রমে রিনা আক্তার, জান্নাতুল ফেরদৌস জান্নাত, মুন্নি আক্তার, আবুল বাসার রজন, সুমন আজিম, নুরুজ্জামান প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, ‘তারুণ্যের জয় হবে নিশ্চয়’ এ প্রত্যায়ে এগিয়ে চলা রাজশাহীর তরুণ সংগঠন ইয়ুথ এ্যাকশন ফর সোস্যাল চেঞ্জ ইয়্যাস বিগত ২০১৫ সালের ৪ জুলাই থেকে রাজশাহীতে নিরাপদ সড়ক, নারী-শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ, পরিবেশ-প্রতিবেশ, প্রাণ-প্রকৃতি ও প্রাণবৈচিত্র্য, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সুরক্ষা, মানুষসহ সকল প্রাণের খাদ্য নিরাপত্তা ও মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত, সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকার বাস্তবায়নসহ বৈষম্যহীন, বৈচিত্র্যপূর্ণ, আন্তঃনির্ভরশীল, অসাম্প্রদায়িক, সংবেদনশীল, বহুত্ববাদি এবং সহিংসতামুক্ত শ্রদ্ধাশীল মানবিক সমাজ বির্নিমানের লক্ষ্যে রাজশাহী তথা বরেন্দ্র অঞ্চলের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সমসাময়িক বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার পাশাপাশি জাতীয় বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ