পবায় খাদ্যের নিরাপদতা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২, ১০:১২ অপরাহ্ণ

সেমিনারে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক:


রাজশাহীর পবা উপজেলায় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের আয়োজনে খাদ্যের নিরাপদতা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে ‘খাদ্যের নিরাপদতা’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পবা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় উক্ত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিন।

পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) লসমী চাকমা’র সভাপতিত্বে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের উপ-সচিব নূর-ই-খাজা আলামিন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, পবা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ এহসান উদ্দীন, রাজশাহী জেলার নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. লোকমান হোসেন, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান আসাদ।

সেমিনারের তাৎপর্য উল্লেখ্য পূর্বক প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিন বলেন, দেশের মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও জীবনমানের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে দেশকে আরও এগিয়ে নিতে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে হবে। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও বিপণনে ভোক্তাসহ সবাইকে সচেতন হতে হবে। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে স্বাস্থ্যবান ও কর্মক্ষম করে গড়ে তুলতে পুষ্টিসম্মত নিরাপদ খাদ্যের বিকল্প নেই বলে জানা তিনি।

তিনি আরো বলেন, মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য নিরাপদ খাদ্যপ্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করা। খাদ্যের উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে খাদ্যের নিরাপদতা ও পুষ্টিমান বজায় রাখা জরুরি। সেই লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রণয়ন করেছেন খাদ্যদ্রব্যে ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা, ২০২১। এই প্রবিধানমালা বাস্তবায়ন ও জনসাধারণের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে শহরের পাশাপাশি গ্ৰাম পর্যায়েও বেশি বেশি সভা-সেমিনার করার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেছেন তিনি।

এসময় উপস্থিত উপস্থিত বক্তারা বলেন, শস্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে দূষিত ও ভেজালযুক্ত সার ও কীটনাশক ব্যবহারের ফলে মানবদেহে অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যক্ষমতা কমে যাচ্ছে। তাই খাদ্যের উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে খাদ্যের নিরাপদতা ও পুষ্টিমান বজায় রাখা নিশ্চয়তা দিতে হবে। খাদ্য উৎপাদন ও পুষ্টি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গবেষণার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। দেশের প্রতিটি মানুষ খাদ্য নিরাপদতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।

যিনি উৎপাদন প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত, তার যেমন সচেতনতা প্রয়োজন; তেমনি যিনি ভোগ করবেন, তার ক্ষেত্রেও নিরাপদতার বিষয়টি অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। মাঠ পর্যায়ে কাজের অগ্রগতি মনিটরিং করতে হবে। তাই জনসাধারণের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বেশি বেশি সভা-সেমিনারের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেছেন বক্তারা।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) সম্পর্কে সর্বসাধারণকে জানানো এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, আমদানি, প্রক্রিয়াকরণ, মজুদ, সরবরাহ, বিপণন ও বিক্রয় সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম বিষয়ে সর্বস্তরে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করাই এ সেমিনারের মূল উদ্দেশ্য।