পবায় সরকারি ভর্তুকি প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের মাঝে কম্বাইন হারভেস্টার বিতরণ

আপডেট: এপ্রিল ৬, ২০২১, ৯:২২ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


রাজশাহীর পবায় ধান কাটা, মাড়াই, ঝাড়াই ও বস্তাবন্দী করার আধুনিক যন্ত্র জাপানের ইয়ানমার কম্বাইন হারভেস্টার সরকারি ভর্তুকি প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) দেশব্যাপী ভাচ্যুয়ালী বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কৃষি মন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। তারই ধারাবাহিকতায় এ উপজেলায় ইয়ানমার কম্বাইন হারভেস্টার ডেলিভারি দেয়া হয়।
পবায় এ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, পবা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ইয়াসিন আলী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিমুল আকতার, কৃষি সম্প্রসারণ রাজশাহী অঞ্চলের উপপরিচালক খয়ের উদ্দিন মোল্লা, রাজশাহী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কে জেড এম আব্দুল আওয়াল, অতিরিক্ত উপপরিচালক (ক্রপ) উম্মে সালমা, পবা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা, উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মরিয়ম আহমেদ, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা তপন রায় ও জুনাইদ মুতনাঈনসহ এসিআই এর প্রতিনিধিবৃন্দ।
জানা যায়, বাংলাদেশে এই প্রথম স্মার্ট আসিস্ট রিমোট সিস্টেম সম্বলিত ইয়ানমার কম্বাইন হারভেস্টার কৃষকদের মাঝে সরকারি উন্নয়ন সহায়তায় সরবরাহ করা হয়। এই প্রযুক্তির ফলে কৃষক বা হারভেস্টার এর মালিক ঘরে বসেই হারভেস্টার এর সকল তথ্য জানতে পারবে। এতে যেমন কৃষক উপকৃত হবে সেই সাথে সরকারও জানতে পারবে কোন এলাকায় কতগুলো হারভেস্টার কিভাবে চলছে ।
জাপানি প্রযুক্তির ইয়ানমার কম্বাইন হারভেস্টার দিয়ে ১ ঘণ্টায় প্রায় ১০০ শতাংশ জমির ধান/গম কেটে মাড়াই, ঝাড়াই করে বস্তা বন্দী করা যায় । তেল লাগে মাত্র ৮-১০ লিটার ডিজেল। শুকনো ও কাঁদা উভয় জমিতেই চালানো উপযোগী। শুয়ে পরা ধান সহজেই কাটা যায়। এই হারভেস্টার এ ৬ টি সেন্সর আছে যা হারভেস্টার এর অনাকাঙ্ক্ষিত ব্রেকডাউন এর হাত থেকে রক্ষা করে। এই কম্বাইন হারভেস্টার দিয়ে ১ একর জমির ধান কাটা, মাড়াই, ঝাড়াই ও বস্তাবন্দী করতে শ্রমিক লাগে ২ জন এবং সময় লাগে ১ ঘণ্টা। এ সি আই মটরস সারা দেশব্যাপী তার দক্ষ নেটওয়ার্ক ও লোকবল এর মাধ্যমে বিক্রয়োত্তর সেবা নিশ্চিত করছে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই কম্বাইন হারভেস্টার ব্যবহার এর ফলে একদিকে যেমন কৃষক উপকৃত হচ্ছে অন্যদিকে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হচ্ছে।
এদিকে একই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চাইনার তৈরি এফএস ওয়ার্ল্ড নামের আরো একটি হারভেস্টর মেশিন বিতরণ করা হয়।