পবায় ৫৮৬ জন জেলে পেল ১২ টন চাল

আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০২১, ৮:৫৮ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ সময় পদ্মায় গিয়ে মাছ ধরতে না পারায় জেলেরা অনেক কষ্টে দিন যাপন করছে। তাদের কথা চিন্তা করে মৎস্য অধিদফতরের উদ্যোগে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান উপলক্ষে পবায় ৫৮৬ জন জেলে পরিবারের মাঝে ২০ কেজি চাল বিতরণ করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ৯ টায় পবা উপজেলার কাটাখালী পৌরসভা ও হরিয়ান ইউনিয়ন পরিষদে ১২ টন চাল বিতরণ করা হয়। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চাল বিতরণ করেন পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) লসমী চাকমা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, পবা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ওয়াজেদ আলী, পবা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার মো. মোজাম্মেল হক, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা শরিফুল আলম, হরিয়ানা ইউপি চেয়ারম্যান মো. মফিদুল ইসলাম বাচ্চু, ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. নুরুল ইসলাম, ২ মো. জাহাঙ্গীর আলম, ৩ নম্বর আক্কাস আলী, ৪ মো. রফিকুল ইসলাম, ৫ মো. আক্কাস আলী, ৬ মো. মুনসুর রহমান, ৭ মো. মাসুদ রানা, ৮ নম্বর মো. মোস্তফা, ৯ নম্বর মো. এসাদুল হক, সংরক্ষিত ১,২,৩ আসনের কাউন্সিলর মোসা. রেশমা বেগম, ৪,৫,৬ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রাশিদা বেগম, ৭,৮,৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নম্বর কোহিনুর বেগম।

পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার লসমী চাকমা জানান, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, বিপণন ও মজুত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ইলিশ আহরণ ও জাটকা ধরার নিষিদ্ধ সময়ে জাটকা ও ইলিশ সমৃদ্ধ এলাকায় জেলেদের জীবনধারণের জন্য ২০ কেজি করে ভিজিএফ চাল সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে পবার ৫৮৬ জেলে পরিবারের জন্য ১২ টন চাল মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে বিতরণ করা হলো।

তিনি আরো বলেন, ‘জেলেদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে অবিহিতকরণ সভা, মাইকিং, ব্যানার ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। আইন বাস্তবায়নে মৎস্য বিভাগের পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, বিজিবি ও কোস্টগার্ডের অভিযান অব্যাহত থাকবে। ’ এছাড়াও এ আদেশ অমান্য করলে অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ দুই বছরের সশ্রম কারাদন্ড অথবা জরিমানাসহ উভয় দন্ডে দন্ডিত করা হবে বলে জানান তিনি।