‘পরিচালক ও চিত্রগ্রাহকের মধ্যে গভীর বোঝাপড়া জরুরি’

আপডেট: August 9, 2017, 12:59 am

সোনার দেশ ডেস্ক


তরুণ নির্মাতাদের সংগঠন বিড়ালপাখি সিনে ক্লাবের মাসিক আয়োজন ‘বিড়াল পাখির মজমা’র চৌদ্দতম আসরে হাজির হয়ে এমনটাই বললেন, গুণী চিত্রগ্রাহক রাশেদ জামান।
“ইমেজ নির্মাণে আইডিয়াটাই গুরুত্বপূর্ণ কথা, দামি ক্যামেরা বা বাজেট কখনও বাধা নয়”- বিড়াল পাখির মজমা’র আসরে উপস্থিত হয়ে তরুণ নির্মাতাদের উদ্দেশে এমনটাই বললেন চিত্রগ্রাহক রাশেদ জামান। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত তরুণ নির্মাতাদের এ বিষয়ভিত্তিক আলোচনার আসরে রাশেদ জামান আলোচনা রাখেন ‘দৃশ্য ও নির্মাণপূর্ব প্রস্ততি’ নিয়ে।
জাতীয় জাদুঘর সিনেপ্লেক্সে আয়োজিত এ আসরে আরও উপস্থিত ছিলেন জার্মানপ্রবাসী নির্মাতা শাহীন দিল-রিয়াজ এবং বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের সাবেক মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন।
দুই ঘণ্টার বক্তব্যে রাশেদ জামান ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর কাজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। বহুল আলোচিত ‘আয়নাবাজি’ চলচ্চিত্রের এ চিত্রগ্রাহক বলেন, “অর্থবহ ইমেজ নির্মাণে পরিচালক ও চিত্রগ্রাহকের মধ্যে গভীর বোঝাপড়া জরুরি।”
মাঠে নামার আগে তরুণদের যথাযথ প্রস্তুতি ও প্যাশন থাকার ব্যাপারে জোর দেন তিনি। বয়ানের উপস্থাপনায় রাশেদ জামান  বিশ্বখ্যাত কিছু চিত্রগ্রাহকের কাজের নমুনা ও কাজের পদ্ধতি তুলে ধরেন। পাশাপাশি সময়ানুবর্তিতার উপর জোর দেন তিনি। তুলে ধরেন স্থাপত্যকলার সঙ্গে সিনেমাটোগ্রাফির একটা আন্তঃসম্পর্ক । এছাড়া মজমায় অংশগ্রহণকারীদের প্রশ্নোত্তর পর্বে  দেশীয় ইন্ডাস্ট্রির মিথ ও বাস্তবতার তুলনা করেন তিনি।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে বাংলাদেশের তিনটি স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমার উদ্বোধনী প্রদর্শনী হয়। শরীফুল হক পরিচালিত ‘মজমা’, নূর ই আলম তৈমুর পরিচালিত ‘আমি কোথায় পাবো তারে’ এবং রাওয়ান সায়েমার ‘প্রোপাগান্ডা’। সঙ্গে দেখানো হয় স্পেনের স্ক্রিস্টিনা মলিনোর ‘আর ইউ লিভিং’ এবং সুইডেনের রুবেন অস্টলান্ড এর ‘ইনসিডেন্ট বাই এ ব্যাংক’। প্রদর্শনী শেষে দেশি নির্মাতাদের হাতে স্মারক উপহার তুলে দেন রাশেদ জামান । অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন বিড়ালপাখি সিনে ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ইশতিয়াক জিকো।
বিড়ালপাখি সিনে ক্লাব তরুণ নির্মাণ-শ্রমিকদের সংগঠন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ২০১৬ সালের এপ্রিলে। নিয়মিত মজমা, পাঠচক্র ও কর্মশালার মাধ্যমে সংগঠনটি ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে স্বাধীনধারার নির্মাতাদের মধ্যে যোগাযোগ তৈরির চেষ্টা করে যাচ্ছে।