পর্দায় বন্ধু কিন্তু বাইরে শত্রু

আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০১৬, ১০:৫৭ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক



পর্দায় তাদের দেখে মনে হতে পারে এমন জুটিই হয় না। তবে বাস্তব জীবনে তারা একে অপরকে অনেক ঘৃণা করেন। কেউ কেউ মনে করেন, তার সঙ্গে অভিনয় করে তিনি নিজের অভিনয়ের স্পৃহাই হারিয়েছেন। আবার কেউ তার সহ-অভিনেতাকে তুলনা করেছেন হিটলারের সঙ্গে। চলুন দেখে নেয়া যাক তেমন পাঁচটি জুটি-
রোমিও-জুলিয়েট : ডিক্যাপ্রিও এবং ক্লেয়ার ডানেসের রসায়ন দর্শককে সমানতালে হাসিয়েছে-কাঁদিয়েছে। তবে বাস্তব জীবনে এই দু’জন একে অপরের ছায়াই দেখতে পারেন না। বিষয়টি ডানেসের অপরিপক্কতার কারণেই বলে মনে করেন অনেকেই। তবে কারণ যা-ই হোক না কেন ডানেস নিজের জায়গাতেই অনড়। ১৫ বছর পরে ডিক্যাপ্রিয়র ‘জে. এডগার’ সিনেমায় অভিনয় করার সুযোগ হলেও ডানেস তাতে না বলে দেন।
টনি কার্টিস-মেরিলিন মনরো : যদিও টনি কার্টিস এক সময় স্বীকার করেছিলেন যে মেরিলিন মনরোর সঙ্গে তার প্রেম ছিলো। তবে মেরিলিন মনরোকে চুমু খাওয়ার বিষয়ে টনি কার্টিসকে প্রশ্ন করলে তিনি জবাব দেন, ‘ওকে চুমু খাওয়ার সময় মনে হচ্ছিলো আমি হিটলারকে চুমু খাচ্ছি।’ পরে তিনি অবশ্য বলেন, ‘এটি খুবই বাজে প্রশ্ন ছিলো তাই আমি বাজে জবাব দিয়েছি।’
স্যার অ্যান্থনি হপকিনস-শার্লি ম্যাকলিন : এই দুই কিংবদন্তি অভিনয়শিল্পীর মধ্যে ঝামেলার কথা নিয়ে আলোচনা হয়েছে খুবই কম। তবে একবার অ্যান্থনিকে জিজ্ঞেস করা হয় শার্লির সঙ্গে ‘অ্যা চেঞ্জ অব সিজনস’ সিনেমায় কাজ করে কেমন লেগেছে? এক বাক্যে তিনি জবাব দেন, ‘শার্লি আমার জীবনে দেখা সবচেয়ে জঘন্য নায়িকা।’
ডেভিড ডাচোভনি-গিলিয়ান অ্যান্ডারসন : এই ‘এক্স ফাইলস’ জুটি যুক্তরাজ্যের এক পত্রিকাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘আমরা একে অপরের সঙ্গে প্রায় সব বিষয় নিয়েই মারাত্মক ঝগড়া করতাম। আমরা একে অপরকে সহ্যই করতে পারতাম না।’
কেইফার সুদারল্যান্ড-ফ্রেডি প্রিনজ : ২০১৪ সালে প্রিঞ্জ তার ‘টুয়েন্টি ফোর’ সিনেমার সহ-অভিনেতা সুদারল্যান্ড সম্পর্কে খুবই বাজে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘সুদারল্যান্ড সবচেয়ে অপেশাদার অভিনেতা।’ তিনি এও বলেন, তার সঙ্গে অভিনয় করে অভিনয় করার আগ্রহ এতই কমে গিয়েছিলো যে তার মন চেয়েছিলো অভিনয়ই ছেড়ে দেন।