পশুহাটে ছোট গরুর দাম বেশি

আপডেট: July 30, 2020, 12:06 am

নিজস্ব প্রতিবেদক


ক্রেতা সঙ্কটে ভুগছে বড় গরুর মালিকরা। তাই দামও কম। সেই তুলনায় পশুহাটে ছোট গরুর দাম বেশি। তবে কোরবানির শেষ সময়ে বেশ জমেছে কেনা-বেচা। বুধবার (২৯ জুলাই) রাজশাহী সিটি পশুহাটে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সিটি পশুহাটে পর্যাপ্ত কোরবানির পশু সরবরাহ ছিলো। পশুহাটে বেলা ১১ টার পর থেকে আসতে শুরু করে কোরবানির পশু। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে কোরবানির পশুর সংখ্যা। স্বাদ ও সাধ্যের সমন্বয়ে অনেকেই কিনেছেন পছন্দের কোরবানির পশু।
অন্যদিকে, যাদের বাড়িতে কোরবানির পশু রাখার সমস্যা ও যাদের কোরবানির পশু পছন্দ হয়নি তারা আজ বৃহস্পতিবার ও আগামীকাল শুক্রবার কিনবেন। অনেকেই পশু রাখার সমস্যাকে পাত্তা না দিয়ে করোনারভাইরাসের আক্রান্তের ভয়ে কমবেশি করে কিনে নিচ্ছেন কোরবানির পশু। গরু বিক্রেতা আজগর আলী বলছেন, আইডিয়া করছি ৬ থেকে সাড়ে ৭ মণ মাংস হবে। এমন গরুর দাম লাখ টাকার নিচে দাম বলে ক্রেতারা। বাজার ভালো থাকলে এক লাখ ১০ থেকে ৪০ হাজার টাকা দাম লাগতো। কিন্তু সেই গরুর দামই বলছে না ক্রেতারা। অনেকেই দায়সারা দাম বলছেন। কেউ কেউ নিরুপায় হয়ে অল্প দামে বিক্রি করছেন গরু।
তিনি আরও জানান, বিক্রি না হলে একেটি গরু দিনে দুই থেকে ২৫০ টাকার খাবার খাবে। এতে করে লোকসানের পাল্লা আরও ভারি হয়ে। তার ওপরে আবার দাম নেই। ইদের পরে দাম বাড়বে এমন ভরসায় গরু রাখা সম্ভব না। গরু ফিরিয়ে নিলে লোকসান বাড়বে। এমন শঙ্কায় অনেকেই বিক্রি করে দিচ্ছেন গরু।
সাইফুল ইসলাম নামের অপর এক বিক্রেতা জানান, চারটা গরু নিয়ে এসেছিলাম। দুইটা বিক্রি করেছি। বড় গরুটা দামে মিলছে না। ১ লাখ ২০ হাজার হলে বিক্রি করবো।
তিনি বলেন, ইদুল ফিতরের আগে ১ লাখ টাকায় কিনেছিলাম। তিন মাস লালন-পালন করেছি। গরুর মাংস হিসেবে ১ লাখ ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা দাম লাগবে। বাজার খারাপ, তেমন দাম বলছে না ক্রেতা। একজন এক লাখ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত দাম বলেছে।
এদিকে, অল্প দামে গরু কিনতে পেরে বেশ খুশি নগরীর বুধপাড়া এলাকার ইয়াসিন আলী। তিনি জানান, ১ লাখ ৩০ হাজার টাকায় গরু কিনেছেন তারা। তিনি মনে করেন, বাজার ভালো থাকলে প্রায় দেড় লাখ টাকা দাম লাগতো এই গরুটির।
রাজশাহী সিটি হাটের ইজারাদার আতিকুর রহমান কালু জানান, ইদের আগের দিন শুক্রবারও হাট বলবে। এছাড়া হাটে পর্যাপ্ত পশু থাকলেও বড় গরুর তুলনায় ছোট গরুর দাম বেশি।