পাগলা মসজিদের দানবাক্সে পাওয়া গেল রেকর্ড ৭ কোটি ৭৮ লাখ টাকা

আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০২৪, ১:৩৯ অপরাহ্ণ

শনিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে খোলার পর টাকা গণনার কাজ শুরু হয়

সোনার দেশ ডেস্ক :


পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ৭ কোটি ৭৮ লাখ ৬৭ হাজার ৫৩৭ টাকা। এর আগে এতো টাকা আর মিলেনি। শনিবার সকাল থেকে টানা ১৮ ঘণ্টা গণনা শেষে রাত ১:৪৫ টার দিকে জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ টাকার পরিমাণের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

দেশি নগদ টাকা ছাড়াও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা ও সোনা-রূপার অলঙ্কারও পাওয়া গেছে সিন্দুকে।
চার মাস দশদিন অর্থাৎ ১৩০ দিন পর শনিবার (২০ এপ্রিল) সকাল ৭:৩০ টার দিকে খোলা হয় মসজিদের ৯ টি দানবাক্স। জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখের তত্ত্বাবধানে সিন্দুকগুলো খোলা হয়।

তবে এবার টাকার পরিমাণ বেশি হওয়ায় আলাদা একটি ট্রাংক দেয়া হয়। দানবাক্স খোলা উপ-কমিটির আহ্বায়কসহ বেশ কয়েকজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত ছিলেন। দানবাক্স খোলা ও গণনাকে ঘিরে মসজিদসহ আশপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। ২২০ জন লোক সকাল থেকে রাত অবধি টাকা গুনে শেষ করেন।

জানা গেছে, ২০২৩-এর ৯ ডিসেম্বর খোলা হয়েছিল মসজিদের ৯টি দানবাক্স। ওইসময় রেকর্ড ৬ কোটি ৩২ লাখ ৫১ হাজার ৪২৩ টাকা পাওয়া যায়। এছাড়া দানবক্সে বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া যায়।

গত বছর চারবার খোলা হয় কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দানবাক্স। চারবারে মোট ২১ কোটি ৮৭ লাখ ৮৫ হাজার ১৮১ টাকা পাওয়া যায়। টাকার পাশাপাশি হীরা, বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকারও পাওয়া গেছে বিপুল পরিমাণ।

সকালে ৯টি সিন্দুক ও একটি ট্রাংক খোলার পর সব টাকা বস্তাবন্দি করা হয়। এতে প্রয়োজন পড়ে ২৭টি বস্তা। পরে এসব বস্তা মসজিদের দোতলায় নেয়া হয়। সেখানে সারাদিন ধরে চলে গণনাপর্ব। টাকা গণনায় সহযোগিতা করে রূপালী ব্যাংকের ৭০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ মোট ২২০ জন। প্রসঙ্গত, পাগলা মসজিদের টাকা রূপালী ব্যাংকে রাখা হয়ে থাকে।
তথ্যসূত্র: বাংলাট্রিবিউন

 

 

 

 

 

 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ