পার্বতীপুরে বিদ্যুৎ পেল ২৭২ সাঁওতাল পরিবার

আপডেট: নভেম্বর ১৩, ২০১৯, ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ

পার্বতীপুর প্রতিনিধি


দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার ৮০ হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহকের মধ্যে ইতোমধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করেছে। এই উপজেলায় দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর পক্ষ থেকে শতভাগ গ্রহকের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্যোগে বিদ্যুৎ লাইন সম্প্রসারন ও সংযোগ প্রদান শুরু করা হয়। ইতোমধ্যে ৯৫ শতাংশ গ্রাহকের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। সর্বশেষ উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম পাঁচপুকুরিয়া ২৭২টি আদীবাসী পরিবারের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান ও সরবরাহ করা হয়েছে। যেখানে প্রায় ৮০ ভাগ আদিবাসী পরিবার বসবাস করে। তারা ছিল বিদ্যুৎ সুবিধা বঞ্চিত।
গত সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টায় ওই গ্রামে দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর পার্বতীপুর জোনাল অফিসের উদ্যোগে উঠান বৈঠকের মাধ্যমে গ্রামের ২৭২ বাড়িতে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হয়। উঠান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ১০নম্বর হরিরামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহাবুদ্দিন শাহ। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, পার্বতীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজুল ইসলাম প্রামানিক। এছাড়াও বক্তব্য দেন, উপজেলা প্রকৌশলী মো. শামীম আক্তার, পার্বতীপুর আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ আবদুর রাজ্জাক সরদার, বঙ্গবন্ধু সরকারি হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মোক্তারুল আলম, হরিরামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহ মাসুদুর রহমান, আদিবাসী জয়িতা শান্তি কুজো প্রমূখ। এসময় স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংযোগের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. মজিবুল হক জানান, ১ কোটি ১৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ৬.৭৬ কিলোমিটার বৈদ্যুতিক লাইন নির্মাণ করে পাঁচপুকুরিয়া গ্রামের ২৭২টি আদিবাসী পরিবারে বিদ্যুৎ সংযোগের মাধ্যমে হরিরামপুর ইউনিয়ন শতভাগ বিদ্যুৎতায়ন সম্পন্ন করা হয়েছে। এখন ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ প্রকল্পের আওতায় গ্রামে শিল্পায়ন করতে বিনামূল্যে ২ পোল পর্যন্ত লাইন নির্মাণসহ ট্রান্সফরমার দিয়ে শিল্প সংযোগ প্রদান করা হবে। তিনি নিরাপদ বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো বৈঠকে আলোচনা করেন।
তিনি আরো বলেন, পার্বতীপুর উপজেলায় ইতোমধ্যে ৮০ হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহকদের মধ্যে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। এই এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের সফলতা প্রায় শতভাগ। ইতোমধ্যে ৯৫ শতাংশ চাহিদা পূরণ করা হয়েছে। নতুন বাড়ি ঘরে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য যে চাহিদা রয়েছে চাওয়া মাত্র সেগুলো পূরণ করা হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ