পাহাড়ে হানাহানি দায়ী কারা ?

আপডেট: জুলাই ৫, ২০১৭, ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ

শাহ মো. জিয়াউদ্দিন


লংগদু গণমাধ্যমের আলোচনার মূখ্য বিষয় ছিল বেশ ক’দিন। মূল ঘটনাটি আস্তে আস্তে ভিন্ন মোড় নিচ্ছে । গত ১ জুন লংগদুতে নুরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির লাশ পাওয়া যায়। তিনি ক্ষমতাসীন দলের সহযোগী যুব সংগঠনের নেতা। লাশ পাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র লংগদুর তিন টিলা এলাকায় ২০০ টির অধিক আদিবাসী পরিবারের ঘরবাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। ৭০ বছর বয়স্ক বৃদ্ধসহ ছয়জনকে হত্যা করা হয়। নূরুল ইসলাম হত্যা ঘটনাটি অমানবিক। এই অমানবিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২০০ পরিবারকে গৃহহীন করা তাদের ঘরবাড়ি সম্পত্তি পুড়িয়ে দেয়া- সেই সাথে ছয়জনকে হত্যা করার বিষয়টি পার্বত্য অঞ্চলে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ সৃষ্টি করেছে। কেন এ ধরনের বিদ্ধেষের সৃষ্টি হয়? এর জন্য দায়ী কারা? কীভাবে এই বিদ্ধেষের বীজরোপিত হলো তার কারণ উদঘাটন করা এবং সেই মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন।  কিছু দিন আগে গাজীপুরের শ্রীপুরে কিশোরীর ধর্ষণের বিচার চেয়ে না পেয়ে পিতা-পুত্রী ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন। পিতা-পুত্রীর আত্মহত্যার ঘটনার জন্য দায়ী কোন সম্প্রদায়? যে সম্প্রদায় পিতা কন্যার আত্মহনের জন্য নেপথ্য কারণ তাদের ঘরবাড়ি কি  আগুনে পুড়ানো হয়েছে?  কেন দেশের অভ্যন্তরে নাগরিকদের মধ্যে বিদ্বেষ তৈরি করা হচ্ছে? লংগদুর ঘটনার পর গত ৫ জুন প্রশাসন ঘোষণা দিয়েছেন যে, তিন টিলায় পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হবে। তিন পার্বত্য জেলা ঘিরে রয়েছে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ তারপর কেন গত ২ জুন গ্রামের পর গ্রাম আগুনে ভস্মীভুত হয়ে গেল? তিন টিলায় পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করলেই কি এর সমাধান হবে? আজ থেকে ২৮ বছর আগে ১৯৮৯ সালের ৪ মে লংদুর ছয়টি গ্রামে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। এত সমস্ত ঘটনা ঘটার পর কোনো ঘটনারই নিষ্পত্তি হয় না। গত ১০ জুন বাঙালি ছাত্র পরিষদের আহবানে পার্বত্য তিন জেলায় হরতাল পালিত হয়। ২০০ ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেয়া এবং ছয়জনকে হত্যার অভিযোগে মামলা হয়। ২০০ ঘরবাড়ি পুরানো এবং ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে পাহাড়ে সেটেলার হিসাবে আশ্রিত বাঙালিদের গ্রেফতার করে পুলিশ। তার প্রতিবাদে বাঙালি ছাত্র পরিষদ হরতালের আহবান করে।
অপরদিকে নুরুল ইসলামের মৃত্যুর সাথে জড়িত থাকার  সন্দেহে পুলিশ দুই আদিবাসীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার এবং হরতালের বিষয় গুলির সূত্র মিলালে দেখা যায়, উদোর পি-ি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর একটি প্রচেষ্টা। আর এ ধরনের রাজনৈতিক কারণে মূল হোতারা ধরা ছোঁয়ার বাইরে চলে যায়। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া সুমল চাকমা হত্যার ঘটনাটি সবার জানা। সুবল চাকমার মৃত্যুর কারণ কী ছিল, এ বিষয়ে যে মামলা হয়েছে তার রহস্য কি উদ্বঘাটন করা হয়েছে? কল্পনা চাকমার অপহরণের বিষয়টি নিয়ে কেন সুরাহা হয়নি এখনো। দেশের পর্যটন শিল্পের অন্যতম এলাকা কাপ্তাইয়ের নয়নাভিরাম হ্রদে প্রতি বছর ভ্রমণপিপাসু দেশি-বিদেশি পর্যটকরা ভীড় জমায়। এই হ্রদ সৃষ্টির পেছনে রয়েছে এখানে স্থায়ী ভাবে বসবাস করা আদিবাসীদের উদ্বাস্ত হওয়ার করুণ কাহিনী।
১৯৫৯ সাল থেকে ১৯৬৩ সালে সমাপ্ত কাপ্তাই জল বিদ্যুৎ প্রকল্পটি পাহাড়ি আদিবাসী চাকমাদের মরণ ফাঁদ হিসাবে দেখা দেয়। ১৮৬০ সালে পাবর্ত্য চট্টগ্রাম বৃটিশ শাসনের অধীনে আসার পর পার্বত্য চট্টগ্রামকে জেলা ঘোষণা করা হয়। সে সময়ের প্রচলিত আদিবাসীদের প্রথার সাথে সামঞ্জস্য রেখে বৃটিশরা পার্বত্য চট্টগ্রামকে তিনটি সার্কেলে বিভক্ত করে  তা হলো Ñ ১. চাকমা সাকের্ল যার আয়তন ছিল ১৬৫৮ বর্গমাইল ২. বোমাং সাকের্ল যার আয়তন ছিল ১৪৪৪ বর্গমাইল ৩. মং সার্কেল যার আয়তন ছিল ৬৫৩ বর্গমাইল। কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের ফলে চাকমা সার্কেলের ২৫০ বর্গমাইল এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। কাপ্তাই জল বিদ্যুৎ স্থাপনের কারণে ওই এলাকার চাকমা আদিবাসীদের আবাদি জমির ৪০ শতাংশ পানিতে ডুবে যায়। এই সময়ে প্রায় ১০ হাজার পরিবার স্থায়ীভাবে তাদের বাস্তুভিটা হারায় আর এক লক্ষ লোক জমিজমা ঘর-বাড়ি হারিয়ে হয় উদ্বাস্তু। এই ভাবে আদিবাসীরা তাদের আবাদি ভুমি হারায়। উপমহাদেশের প্রথম স্বৈরশাসক আয়ুব খান ছিলেন কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্বপ্নদ্রষ্টা। আয়ুবের গৃহিত পরিকল্পনায় পাবর্ত্য এলাকার বর্তমান অশান্তির বীজ রোপিত হয়। কাপ্তাই জল বিদ্যুৎ প্রকল্পের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা মাত্র ২৩০ মেঘাওয়াট। তারপর মাঝে মধ্যে নানা জটিলতার কারণে এর উৎপাদন ক্ষমতা এসে দাঁড়ায় ১৫০-২০০ মেঘাওয়াটে। এই সামান্য পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে গিয়ে কয়েক লক্ষ আদিবাসীকে উদ্বাস্ত করা হয়। কাপ্তাই জল বিদ্যুত কেন্দ্র স্থাপনের কারণে পার্বত্য রাঙ্গামাটি জেলার আদি পরিবেশের বৈচিত্রতা হয়েছে নষ্ট। মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হয়। দেশের মানুষের অধিকার বিষয়ক নানা বিষয়ে অনেক পরিবর্তন ঘটে কিন্তু আদিবাসীদের প্রতি অবজ্ঞা আর অবহেলার কোন পরিবর্তন হয় না।
গত ১৩ জুন পাবর্ত জেলাগুলোতে পাহাড় ধসে নিহত হয়েছেন ১৫৪ জন তার মধ্যে ৬ জন হলেন সেনা সদস্য। পাহাড় ধসের কারণ নিয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর শুরু হবে নানা ধরনের যুক্তি তর্ক। তবে এটা কেউ স্বীকার করবেন না যে, অস্বাভাবিক মানুষ বাড়ার কারণে ঘটছে পাহাড় ধসের মতো দুর্ঘটনা। পার্বত্য এলাকায় মানুষ বাড়ার ফলে ভূমির ব্যবহার বেড়েছে আর পাহাড়ের পাদদেশকে ভূমি হিসাবে ব্যবহারের কারণে পাহাড়ের নিচের মাটি  সরে যাচ্ছে আর এভাবেই  প্রতি বছরে ঘটছে পাহাড় ধসের মতো ঘটনা। বিভিন্ন তথ্যসূত্র থেকে জানা যায়, ১৯৪০ সালে তৎকালীন পার্বত্য চট্টগ্রাম (বর্তমানে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, ও বান্দরবন পার্বত্য জেলা) মোট জনসংখ্যার মধ্যে প্রতি ১০০ জনে পাহাড়ি ও বাঙালি অনুপাত ছিল ৯৯ জন পাহাড়ি আর একজন বাঙালি। ১৯৫১ সালে সেই হার দাঁড়ায় ৯৬ জন পাহাড়ি, ৪ জন বাঙালি। ১৯৭১ সালে সেই হার ছিল ৯৫ জন পাহাড়ি আর ৫ জন বাঙালি, ১৯৮১ সালে হঠাৎ করে সেই হার এসে দাঁড়ায় ৬০ জন পাহাড়ি আর ৪০ জন বাঙালি। বর্তমানে পাহাড়ে প্রতিজনের মধ্যে ৪৮ জন পাহাড়ি আর ৫২ জন বাঙালি। দেশের প্রথম সেনাশাসক মে. জে জিয়াউর রহমানের শাসনামলে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বাঙালিরা গিয়ে পাহাড়ে বসতি গড়ে তুলে। প্রশাসন তাদের জমিসহ বিশেষ সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করে। তার মধ্যে স্বল্পমূল্যে রেশনিং ব্যবস্থা অন্যতম। প্রশাসন কর্তৃক একটি এলাকায় কোনো এক সম্প্রদায়ের মানুষকে বিশেষ ধরনের সুযোগ দেয়া হয় অন্য সম্প্রদায় তা থেকে হয় বঞ্চিত। ফলে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ক্রমাগত বাড়ছে। পাহাড়ে বসবাসরত মানুষের মাঝে এ ধরনের বৈষম্য প্রথা চালু হয় ১৯৭৯ সাল থেকে। জাতিগত অসম্প্রীতি সৃষ্টির জন্য পরিকল্পিতভাবে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ নিয়ে পাহাড়ে বসতি গড়ে তোলা হয়। যদিও বলা হয় নদী ভাঙ্গনের ফলে অসহায় মানুষকে পাহাড়ে বসতি স্থাপনের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু পাহাড়ে যারা সেটেলার হিসাবে চিহ্নিত তাদের কেউ নদী ভাঙ্গনের অসহায় মানুষ ছিল না। বিশেষ রাজনৈতিক আর্দশপুষ্ট মানুষকে পাহাড়ে বসবাসের ব্যবস্থা করে তৎকালীন রাষ্ট্রযন্ত্র। বিভিন্ন ভাবে শোনা যায়, বার্মার রোহিঙ্গারাও এদের সহায়তায় বান্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় বসতি ঘড়ে তুলছে। এখানে প্রশ্ন আসাটা স্বঅভাবিক এই সেটেলারদের জন্য যে ভূমি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে এ গুলো কার ভূমি ছিল? যদি বলা হয় সরকারের খাস? তাহলে প্রশ্ন আসে পাবর্ত্য চট্টগ্রামে ভূমি জরিপ হয়ে কোন সালে ব্যক্তিগত মালিকানায় ভূমিস্বত্ব দেয়া হয়। পার্বত্য এলাকার রাজনৈতিক ইতিহাস নিয়ে পর্যালোচনা করছি তবে ১৮৬০ সালে পাবর্ত্য চট্টগ্রাম ( বর্তমানের তিন পার্বত্য জেলা বান্দরবন, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি) বৃটিশ শাসনের অধীনে আসার পর পার্বত্য চট্টগ্রামকে জেলা ঘোষণা করা হয়। সে সময়ের প্রচলিত আদিবাসীদের প্রথার সাথে সামঞ্জস্য রেখে বৃটিশরা পার্বত্য চট্টগ্রামকে তিনটি সার্কেল এ বিভক্ত করে  তা হলো : ১. চাকমা সাকের্ল ২. বোমাং সাকের্ল ৩. মং সার্কেল । এই তিন সার্কেলের অধীন পার্বত্য এলাকার ভূমি স্বত্ব তিন সাকের্লের রাজার উপর ন্যস্ত করা হয়। বৃটিশরা ভূমি রাজস্ব রাজার কাছ থেকে আদায় করতো। সমগ্র এলাকার ভূমি  আদিবাসীরা  ভূমি কমিউনিটি বেজড ব্যবহার করে আসছিল সেই সময়। ফলে ভূমিতে ব্যক্তি মালিকানা বিষয়টি ছিল অনুপস্থিত। বংশ পরম্পরায় ভূমির মালিকানার ইতিহাস টানলে দেখা যাবে প্রকৃত মালিক সমাজবদ্ধভাবে যারা ভূমি ভোগ দখল করতো সেই আধিবাসীরা। তাহলে সেটেলার হিসাবে যাদের ভূমি দেয়া হয়েছে তা কী করে সম্ভব হলো? সরকারি খাস জমি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আদিবাসীদের পাওয়ার কথা, সেটেলারদের নয়। সমগ্র পাহাড়ি অঞ্চলে গড়ে উঠেছে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ছাউনি। এত নিরাপত্তা ছাউনি থাকার পরও ইয়াবা এবং রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ কমছে না।  নানা সময় সরকারের নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে পাহাড়ি আদিবাসীদের নির্যাতনের কথা শুনা যায়। সুকমল চাকমা হত্যা করার নৃশংস ঘটনাটি গণমাধ্যমেও তেমনভাবে প্রচার হয়নি। এই হত্যাকা-ের রহস্য উন্মোচন করে প্রকৃত দোষীদের শাস্তি দেয়া উচিত।  বর্তমান সরকার ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর শান্তি চুক্তি করে । শান্তি চুক্তির অনেকগুলি বিষয় সেটেলাররা মানতে রাজি নয়। পার্বত্য এলকায় ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি হচ্ছে না সেটেলারদের আপত্তির কারণে। সামান্য বিষয় নিয়েই সেটেলারা আন্দোলনে নামে। সেটেলারা বাঙালি নামে নানা সংগঠন গড়ে তুলেছে। এই এ ধরনের সংগঠন গুলি ওই এলাকায় আদিবাসী  এবং বাঙালিদের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। এর ফলে দেশের বাঙালিদের বাঙালি জাতীয়তাবাদী সহানুভূতিটা সেটেলারদের প্রতি বাড়ছে। ফলে এই কারণে বিবাদটা দিন দিন বাড়ছে। তবে বাঙালি বলতে পাহাড়ে যারা একীভুত হয়েছেন তরা সবাই ইসলাম ধর্ম পালনকারী। অন্য ধর্ম পালনকারী বাঙালিরা আবার ওই সংগঠনভুক্ত হতে পারে না। বর্তমানে যে কোন ইস্যুতে সেটেলারা হরতাল অবরোধ করে পার্বত্য অঞ্চলের জনজীবন বিপর্যস্থ করে ফেলে। এই বিষয়টি অনেকেই আমলে নিচ্ছেন না যে, পার্বত্য এলাকায় বসবাসরত বাঙালিদের মাইগ্রেশনটা স্বাভাবিক নয়। এই অস্বাভাবিক মাইগ্রেশন করে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রশাসনের সহযোগিতায় বসবাস স্থাপন করাই অশান্তির অন্যতম কারণ। যারা রাজনৈতিকভাবে পাহাড়ে অশান্তির অনল জ্বালিয়ে দিল তাদের মুখোশটাও জাতির সামনে উন্মোচন করা দরকার। উপমহাদেশের বিরোধপুর্ণ অঞ্চল হলো কাশ্মীর। ভারতের অন্তর্ভুক্ত কাশ্মীরকে অনেকেই বলে থাকেন ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর আর পাকিস্তানের অংশকে বলেন আজাদ কাশ্মীর। প্রকৃতার্থে ভারতের অংশটিই আজাদ কাশ্মীর। কারণ ভারত সরকার সাংবিধানিকভাবে আইন করে দিয়েছেন যে, কাশ্মীরে কাশ্মীরের প্রাচীনকাল থেকে বসবাস করা ব্যক্তি ব্যতিত কেউ কাশ্মীরে ভূমি মালিক হতে পারবে না। ভারতের অন্য রাজ্যের কোন মানুষ কাশ্মীরে গিয়ে জমি কিনতে পারবে না। তবে চাকরি ব্যবসা বাণিজ্য করতে পারবেন। আর কাশ্মীরে ভোটাধিকারও পাবেন না।
বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলে ভারতের কাশ্মীরের অনুরুপ একটি আইন চালু করা দরকার। পার্বত্য অঞ্চলের ভূমি বিরোধটা সঠিক ভাবে নিষ্পত্তি করে আদিবাসীদের ভূমির মালিকানাটা নিশ্চিত করতে পারলে পাহাড়ে অনেকটা অশান্তি দূর হবে।
লেখক:- কলামিস্ট