পাড়া-মহল্লায় স্বাভাবিক পরিস্থিতি লকডাউন যেখানে মানাতে হবে

আপডেট: এপ্রিল ১৮, ২০২১, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ

দেশের অন্যান্য স্থানের মত রাজশাহীতেও লকডাউন চলছে। ভয়ঙ্কররূপে উর্ধমূখি করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার এই ‘কঠোর লকডাউন’ দিয়েছে। কিন্তু লকডাউন কতটুকু কার্যকর হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিচ্ছে। এক শ্রেণির মানুষ আছেন যারা লকডাউনের বিরোধিতা করছেন, মানছেন না। আরো কিছু মানুষ আছেন যারা শুধু কৌতুহলের বশিভুত হয়ে রাস্তায় বেরুচ্ছেন লকডাউন দেখার জন্য। উভয় শ্রেণির মানুষই পরিস্থিতিকে জটিল অর্থাৎ লকডাউনের কার্যকারিতা ক্ষুণœ করছে।
সংবাদ মাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী প্রশাসনের কর্মকর্তা ও পুলিশ বিভাগের সদস্যরা লকডাউন কার্যকরে মাঠে আছেন কিন্তু সেটা সীমিত পর্যায়ে। অর্থাৎ রাজশাহী মহানগরীর মধ্য এলাকায় সদর সড়ক ও তদসংলগ্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও পাড়া-মহল্লার দোকাট-পাট মোটামুটি খুলে রাখা হচ্ছে। নিত্যপণ্যের বাজারগুলোতেও যথার্থ পর্যবেক্ষণ নেই। গত বছর লকডাউনকালে আইনি ব্যবস্থার সাথে সচেতনতামূলক কার্যক্রমে গতি থাকলেও এবার সেটা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। কাঁচা বাজারগুলোতে মাস্ক পরা কিংবা স্বাস্থ্য সুরক্ষার ব্যাপারটি খুব একটা গুরুত্ব পাচ্ছে না। অথচ এই প্রবণতা করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।
দৈনিক সোনার দেশ পত্রিকার তথ্যমতে, লকডাউনের তৃতীয় দিনে সড়কে যানবাহনের উপস্থিতি বেশি লক্ষ্য করা গেছে। সকালে অটো, অটোরিক্সা, মোটরসাইকেল ও ভ্যানে করে মানুষকে যাতায়াত করতে দেখা গেছে। তবে গত দুইদিনের তুলনায় পুলিশের চেকপোস্ট কম ছিলো। যদিও কয়েক জায়গায় ট্রাফিক পুলিশকে মোটরসাইকেল থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে দেখা গেছে। লকডাউনের মধ্যে বাইরে বের হওয়ার কারণ সন্তোষজনক না হলে চালকের বিরুদ্ধে মামলা ও জরিমানা করা হচ্ছে।
পাড়া-মহল্লায় লোক সমাগম এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠার খুলে রাখার ক্ষেত্রে লকডাউনের প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। যদিও এটা শিগগিরই নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। পাড়া-মহল্লার রাস্তায় কিংবা বাজার এলাকা পর্যবেক্ষণের সাথে সাথে সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়াতে পারলে পরিস্থিতির অনেকটাই উন্নতি হতে পারে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ