পুঁজিবাজারে সূচক ও লেনদেনের পতন

আপডেট: মে ৮, ২০১৭, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হওয়া অধিকাংশ কোম্পানির দর বাড়লেও কমেছে সূচক ও লেনদেন। এসময় বাজারের সার্বিক লেনদেন আগের কার্যদিবসের তুলনায় ২১ কোটি টাকা কমে ৭৩৭ কোটি টাকায় নেমে এসেছে।
এদিকে, রোববার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ মুল্য সূচক কমেছে ১৭.৯৯ পয়েন্ট। ডিএসই ও সিএসই’র বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩২৩টি কোম্পানি ও ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৫০টির, কমেছে ১৪৩টির ও অপরিবর্তিত ছিল ৩০টি প্রতিষ্ঠানের। এসময় ২৪ কোটি ৫২ লাখ ৭৬ হাজার ৩১০টি শেয়ার লেনদেন হয়। যার বাজার মূল্য ছিল ৭৩৭ কোটি ৭২ লাখ টাকা।
দিন শেষে ডিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৭.২৬ পয়েন্ট কমেছে ৫৫৩৩.৪৪ পয়েন্টে স্থিতি পায়। এর আগে শরিয়াহভিত্তিক কোম্পানিগুলোর মূল্যসূচক ডিএসইএস বেড়েছে ২.৯৩ পয়েন্ট ও ডিএস-৩০ সূচক কমেছে ০.২৯ পয়েন্ট।
ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ডরিন পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশনের শেয়ার। এদিন কোম্পানির ৪৫ কোটি ১৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। লেনদেনে দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশনের ২৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ২১ কোটি ৯১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে আরগন ডেনিমস।
লেনদেনে এরপর রয়েছে- লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, শাহজিবাজার পাওয়ার, বিডি ফাইন্যান্স, ওয়ান ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, ন্যাশনাল ফিড মিলস ও আরএসআরএম স্টিল।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সিএসসিএক্স মূল্যসূচক ১৭.৯৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১০৩৯৭.৭৬ পয়েন্টে। বাজারটিতে ৫০ কোটি ৪১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। লেনদেন হওয়া ২৩৮টি কোম্পানি ও ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ১১৭টির, কমেছে ৯২টির এবং অপরিবর্তীত রয়েছে ২৯টির।
সিএসইতে টার্নওভার তালিকায় শীর্ষে ছিল সোস্যাল ইসলামি ব্যাংক। এ সময় কোম্পানিটির ৬ কোটি ৫৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। টার্নওভার তালিকায় থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- অরিয়ন ইনফিউশন, ন্যাশলাল ফিড, ডোরিন পাওয়ার, বিডি ফাইন্যান্স, বারাকা পাওয়ার, বাটা সুজ, ইউনাইটেড পাওয়ার, আরগন ডেনিমস ও কেয়া কসমেটিকস।