পুঠিয়ায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির এক নারীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২১, ১০:১৯ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


পুঠিয়ায় নিখোঁজের ১৫ ঘণ্টা পর মেরিনা মাড্ডি (৩৫) নামের এক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের পরিবার দাবি, দুর্বৃত্তরা ওই নারীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে বাড়ির পাশে একটি কলাবাগানে লাশ ফেলে রেখে গেছে। পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের লাশ রামেক হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছেন। নিহত মেরিনা মাড্ডি উপজেলার আটভাগ আদিবাসী গ্রামের নরেন মাড্ডির স্ত্রী। তার তিনটি সন্তান রয়েছে। গত সোমবার সন্ধ্যায় সে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় এবং মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে বাড়ি থেকে ৫০০ গজ দূরে একটি কলাবাগানে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
ভালুকগাছি ইউনিয়নের সদস্য জুয়েল রানা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সোমবার সন্ধ্যার দিকে ওই নারী বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। এরপর বাড়ির লোকজন তাকে সারারাত বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় লোকজন একটি কলাবাগানে তার লাশ দেখতে পায়। পরে পুলিশকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাশ নিয়ে যান। তবে কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে তা এখন নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
মৃতের স্বামী নরেন মাড্ডি বলেন, আমার স্ত্রীকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে বাড়ি থেকে সন্ধ্যা রাতেই অপহরণ করেছে দুর্বৃত্তরা। পরে নির্জন একটি কলাবাগানে তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে ফেলে রেখে গেছে। তার শরীরের একাধিক স্থানে কিছু আঘাতের চিহ্ন আছে। আমি আইনের কাছে এই হত্যাকা-ের সাথে জড়িতদের যথাযথ বিচার দাবি করছি।
এ ব্যাপারে পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের লাশ দুপুরে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রামেক হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ওই নারীকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হতে পারে।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের মতে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ছাড়া এই মুহূর্তে ঠিক কিছুই বলা যাচ্ছে না। তবে এ বিষয়ে একটি মামলা দায়ের করতে নিহতের পরিবারের লোকজন থানায় এসেছেন। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থানায় একটি মামলার প্রক্রিয়াধীন ছিল।