পুঠিয়ায় স্বাস্থ্য সহকারী ৮ বছর থেকে অফিসে না এসেও বেতন ভাতা তুলছেন

আপডেট: মে ৮, ২০২১, ১০:১৬ অপরাহ্ণ

পুঠিয়া প্রতিনিধি:


রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেলিম নামের একজন স্বাস্থ্য সহকারী ৭ থেকে ৮ বছর পূর্বে যোগদানের পর থেকেই অফিসে না এসে বেতন ভাতাসহ সকল সুবিধা ভোগ করে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে অন্য স্বাস্থ্য সহকারীদের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব চলছে। সেলিম না আসায় বর্তমানে অনেকেই অফিসে আসতে চায় না। বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জেনে শুনে রহস্যজনক ভাবে নিরব ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য সহকারী পদ রয়েছে ২৪ টি। এরমধ্যে ১৮ জন কর্মরত আছেন। ৬টি পদ শুন্য রয়েছে।
তবে অভিযোগ রয়েছে, সেলিম এর গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জ। এখানে আসার পর থেকেই তিনি রাজশাহী শহরে বসবাস করেন। তিনি সেখানে কোচিং ব্যবসা করেন বলে একটি সূত্র জানায়। কিন্তু তিনি কোনো দিনই হাসপাতালে এবং তার কর্মরত এলাকায় আসেন না। কিন্তু রহস্যজনকভাবে অফিস না করেই রাজশাহীতে বসে থেকেই ক্যাশিয়ার এর সাথে গোপন চুক্তির মাধ্যমে বেতন-ভাতাদি ভোগ করে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্বাস্থ্য পরিদর্শক ইনচার্জ আব্দুস সালাম জানান, আমি এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রায় দুই বছর থেকে কর্মরত আছি। সম্প্রতি আমি স্বাস্থ্য পরিদর্শক ইনচার্জ দায়িত্ব পালন করছি। তবে স্বাস্থ্য সহকারী সেলিম অফিসে আসেন না। তার কর্মরত এলাকা বানেশ্বর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডে। তিনি ঠিকমত অফিসে না আসায় আমরা তাকে বার বার মৌখিক ভাবে অবগত করি। এর প্রেক্ষিতে মে মাসে ৫ তারিখে চিঠির মাধ্যেমে তাকে জানানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে সেলিমের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
হাসপাতালের ক্যাশিয়ার আমিনুল ইসলামের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুর রাজ্জাক জানান, আমি একমাস হলো আরএমও’র দায়িত্ব নিয়েছি। সেই বিষয়টি আমার জানা নাই। খোঁজ নিয়ে জানতে পেরিছি সেলিমের ভাই অসুস্থ্য থাকার কারণে সে কয়েকদিন অফিসে আসেনি। তবে এখন থেকে সে রেগুলার আসবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ