পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বিশাল গ্রহাণু!

আপডেট: জুলাই ৬, ২০১৭, ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


পৃথিবীর ভবিষ্যত নিয়ে আবারও শঙ্কায় রয়েছেন বিজ্ঞানীরা। পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বিশাল এক গ্রহাণু। ধাক্কা লাগার সম্ভাবনাই বেশি। আর তা হলে বিপর্যয় দেখা দেবে আমাদের একমাত্র বাসস্থানে। ঢাক ঢাক গুড় গুড় করলেও মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসাও বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, আরিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক জিম স্কট ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে মহাকাশে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা বিশাল গ্রহাণুর সন্ধান পান। তিনি তখন মহাকাশে থাকা পৃথিবীর জন্য বিপদজনক গ্রহাণু নির্ণয় প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেসময় অবশ্য গ্রহাণুটিকে পৃথিবীর জন্য তেমন হুমকি মনে বলে মনে করেননি জিম। এক মাইল দীর্ঘ আয়তনের গ্রহাণুটিকে তারা অংঃবৎড়রফ ১৯৯৭ ঢঋ১১ নামে চিহ্নিত করেন। তবে গ্রহাণু নিয়ে কাজ করা ওহঃবৎহধঃরড়হধষ অংঃৎড়হড়সরপধষ টহরড়হ’ং গরহড়ৎ চষধহবঃ ঈবহঃবৎ তখনই সেটিকে নিয়ে সতর্কতা জারি করে।
অনেকদিন ধরেই এই গ্রহাণুটিকে নিয়ে গবেষণা করছে বেশ কিছু সংস্থা। এদের মধ্যে অন্যতম ঐধৎাধৎফ-ঝসরঃযংড়হরধহ ঈবহঃবৎ ভড়ৎ অংঃৎড়ঢ়যুংরপং এর গবেষক ব্রায়ান মার্সডেন সেসময়ই জানিয়েছিলেন, এখনই গ্রহাণুটি পৃথিবীতে আঘাত হানছে না। তার হিসেবে আগামী ২০২৮ সালের ২৬ অক্টোবর এটির পৃথিবীকে আঘাত হানতে পারে।
অবশ্য আশার কথাও শুনিয়েছিলেন মার্সডেন। তার মতে যদি গতি পথের হিসেবে একটু এদিক-ওদিক হয়, তবে হয়তো গ্রহাণুটি পৃথিবীকে আঘাত নাও হানতে পারে। হয়তো বা পৃথিবীর খুব কাছ দিয়েই সেটি অতিক্রম করবে। তবে তা জানতে আরো বেশ কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।
২০১০ সালের নভেম্বরে ইহলোক ত্যাগ করেন মার্সডেন। কিন্তু তার হিসেব উদ্বিগ্ন করে তোলে গবেষকদের। চলে গ্রহাণুটিকে নিয়ে নানা হিসেবে নিকেশ। পৃথিবীকে আঘাত করবে কিনা সে ব্যাপারে নিশ্চিত না হলেও বিজ্ঞানীদের সাবধানী নজর এখনও রয়েছে সেটির দিকে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ