‘প্রকৃত সাংবাদিকতা করতে গেলে মির্জা শামসুল ইসলামকে অনুসরণ করতে হবে’

আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০২২, ১১:০৯ অপরাহ্ণ

পাবনা প্রতিনিধি:


মির্জা শামসুল ইসলাম তার কাজের মাধ্যমে বেঁচে আছেন, বেঁচে থাকবেন। যততিন কাগজ কলম আছে, ততদিন থাকবেন তিনি। মির্জা শামসুল ইসলাম, রনেশ মৈত্র, আনোয়ারুল হক তাদের পদচারণায় পাবনা প্রেসক্লাব মুখর থাকতো। এসব গুনী মানুষ নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের কাছে অনুপ্রেরণা যোগাবে। মফস্বলে থেকে ঢাকা ডেস্কের সাথে সমানতালে কাজ করেছেন মির্জা শামসুল ইসলাম। তিনি ছিলেন আপাদমস্তক স্বনামে খ্যাত সাংবাদিক। মেধা প্রজ্ঞায় রোল মডেল ছিলেন। প্রকৃত সাংবাদিকতা করতে গেলে মির্জা শামসুল ইসলামকে অনুসরণ করতে হবে।

পাবনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, বিটিভির সাবেক জেলা প্রতিনিধি, বিশিষ্ট সাংবাদিক মির্জা শামসুল আলমের ২৩ তম মৃত্যবার্ষিকীতে স্মরণ সভায় এসব কথা বলেন বক্তারা।

পাবনা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় স্মরণ সভা।
প্রেসক্লাব সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন, জেলা সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতি আব্দুল মতীন খান, মির্জা শামসুল ইসলামের ছেলে মাছরাঙা টেলিভিশনের উত্তরাঞ্চল ব্যুরো প্রধান উৎপল মির্জা, প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি শহীদুর রহমার শহীদ, প্রেসক্লাবের প্রবীণ সদস্য আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ মান্নান মাস্টার, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. হাবিবুল্লাহ, চ্যানেল আই ও যুগান্তর এর স্টাফ রিপোর্টার আখতারুজ্জামান আখতার, প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক সরোয়ার মোর্শেদ উল্লাস, অর্থ সম্পাদক শুশীল কুমার তরফদার, রানা গ্রুপের চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বিশ্বাস রানা, বাংলাদেশ টুডের প্রতিনিধি আব্দুল হামিদ খান প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, মির্জা শামসুল ইসলাম এমন কিছু রিপোর্ট করেছিলেন, যা সারা বাংলায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। তিনি ব্যক্তি জীবনে ছিলেন অনন্য।

কিভাবে একটা সংবাদকে বস্তুনিষ্ঠ ও সাধারণের মানুষের কথা হিসেবে তুলে ধরা যায়, তিনি তা দেখিয়েছেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তিনি সাংবাদিকতা করেছিলেন। পাবনার সাংবাদিকদের জন্যও তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ভুট্টা আন্দোলনের খবর তিনি লিখেছেন সাহসিকতার সাথে। ওই সময় ভুট্টা আন্দোলনের খবর লেখার কেউ ছিলেন না। সেই সময় সংবাদ পত্রিকায় ধরানোর জন্য যুদ্ধ করতে হতো জেলার সাংবাদিকদের৷ এক্ষেত্রে মির্জা শামসুল ইসলাম ছিলেন এগিয়ে। তার রিপোর্ট গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ হতো দৈনিক বাংলায়, এতটাই ক্ষুরধার লেখা ছিল তার। পাবনাকে তুলে ধরায় তার মুন্সিয়ানা ছিল। সংবাদের বিষয়বস্তু বোঝার আলাদা দক্ষতা ছিল তার।
সভা পরিচালনা করেন প্রেসক্লাবের সাহিত্য সাংস্কৃতিক সম্পাদক পাভেল মৃধা।