প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সমাবেশে শাহিন আকতার রেনী স্বাধীনতার অন্যতম আন্দোলন ঘাতক দালাল নির্মূল আন্দোলন :

আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০২১, ৯:৪৬ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


নগরীতে রাজশাহী মহানগর ও জেলা একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে নগরীর জিরো পয়েন্টে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে রাজশাহী মহানগর একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি ভাষা সৈনিক আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মহানগর আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজসেবী শাহীন আকতার রেনী। এছাড়াও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. আবুল কাশেম, রাজশাহী কবিকুঞ্জের সাধারণ সম্পাদক কবি আরিফুল হক কুমার, মুক্তিযুদ্ধ পাঠাগারের সভাপতি আব্দুল লতিফ চঞ্চল, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার ঘোষ। আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা একাত্তরের ঘাতক দালাল নিমূল কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান আলী বরজাহান, নির্বাহী সভাপতি প্রফেসর ড. সুজিত সরকার, সাধারণ-সম্পাদক শাহ আলম বাদশা, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিকুজ্জামান শফিক, মুক্তিযুদ্ধ ৭১ সেক্টর কমান্ডার ফোরামের সাধারণ-সম্পাদক মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল, মহানগর ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি ওহিদুর রহমান ওহি, স্টুডেন্ট ফ্রন্টের সভাপতি মহিউদ্দিন মিঠু, সাধারণ-সম্পাদক ইখতিয়ার প্রামানিক, ছাত্রনেতা তামিম শিরাজী প্রমূখ।
সমাবেশে প্রধান অতিথি শাহিন আকতার রেনী তার বক্তব্যে বলেন, আমাদের চাওয়া স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। স্বাধীনতার অন্যতম আন্দোলন ঘাতক দালাল নির্মূল আন্দোলন। ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার আগে নতুন প্রজন্ম স্বাধীনতা কী তা জানতো না। স্বাধীনতার ইতিহাসকে ধামাচাপা দেয়া হতো। প্রকৃত ইতিহাসকে লুকিয়ে রাখা হতো। তবে যখন থেকে প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় আসলো আমরা দেখতে পেলাম অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশ। তিনি বুঝিয়ে দিলেন যে, এই দেশ সবার- কারও একার নয়। এখানে কেউ অপরাধ করে পার পেতে পারে না। আমরা দেখতে পাচ্ছি, বতমানে কিছু মৌলবাদী গোষ্ঠি বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভেঙ্গে দেয়ার মতো সাহস দেখিয়েছে। তারা জানে না যে, এই দেশের মানুষ লড়াই করে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। তারা সেই ভাঙ্গতে আসা হাত ভেঙ্গে ফেলে দেবে। আজ বাংলাদেশ বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। আজ আমরা পেরেছি নিজেদেরকে বাঙালি হিসেবে উপস্থাপন করতে।
শাহিন আকতার রেনী আরও বলেন, এই দেশ অসম্প্রদায়িক। সকল ধর্ম বর্ণের মানুষ এখানে এক সাথে এবং শান্তি মতো বসবাস করে। আগামীতেও বাংলার মানুষ স্বাধীনভাবে বসবাস করবে। যারা বলতো যে বাংলাদেশ হলো তলা বিহীন ঝুড়ি। আজ তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই আজ এই বাংলাদেশ ফুলে ফলে ভরে গেছে। অন্য দেশ থেকে আজ আমরাও পিছিয়ে নেই। আমাদেরকে এই দেশকে ভালোবেসে এই দেশের ভালো দিককে নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। যদি আমরা নিজের দেশকে ভালোবাসি তাহলে কখনো অন্যায় কোন কাজ করতে পারবো না। তাই আমাদের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে দেশের উন্নয়নে এবং অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। বাংলাদেশকে ধর্মনিরপেক্ষ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।