প্রথম কর্মদিবসে কর্মকর্তা-কর্মচারিদের উপস্থিতি ছিল কম

আপডেট: জুন ২৯, ২০১৭, ১:০১ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


গতকাল থেকে শুরু হয়েছে কর্ম দিবস। গতকার দুপুরে তোলা নগরীর একটি সরকারি অফিসের চিত্র- সোনার দেশ

পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের তিন দিনের ছুটি শেষ হয়েছে গতকাল বুধবার। তবে ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসে গতকাল কর্মকর্তা-কর্মচারিদের উপস্থিতি ছিল খুবই কম। কেউ কেউ অফিসে গেলেও তারা কোলাকুলি-কুশল বিনিময় ও গল্প-গুজব করে সময় কাটিয়েছেন। তাই অফিসপাড়ায় এখনও পর্যন্ত বিরাজ করছে ঈদের আমেজ।
গতকাল বিভাগীয় এই শহরের কয়েকটি সরকারি অফিসে গিয়ে দেখা গেছে, সেখানে চিরচেনা প্রাণচাঞ্চল্য এবং কাজের ব্যস্ততা নেই। কমকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতিও কম। এবার ঈদে ছুটি কম থাকায় গতকাল প্রথম কর্মদিবসে ব্যাংকগুলোতে গ্রাহকের সংখ্যা ছিল কম। কর্মকর্তাদেরও ছিল না তেমন কাজের চাপ।
ব্যাংকগুলোতে দেখা গেছে, অলস সময় কাটছে কর্মকর্তাদের। গ্রাহক এবং কর্মকর্তাদেরও ঈদের কুশলবিনিময় করে সময় কাটাতে দেখা গেছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গল্প-গুজবে সময় পার করেছেন অনেকে। প্রথম কর্মদিবসে অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারি কর্মস্থলে যোগ দেননি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
তারা বলেছেন, এবার ঈদের ছুটি কম হওয়ায় অনেকে দু’একদিন করে বাড়তি ছুটি নিয়ে ঈদ করতে দেশের বাড়িতে গেছেন। তাই নির্ধারিত ছুটি শেষে প্রথম দিন অফিসে উপস্থিতি কম। এ জন্য অফিসে কাজও চলছে ঢিলেঢালাভাবে। তবে দু’একদিন পর থেকে অফিসগুলো আবারও কর্মব্যস্ত হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কর্মীদের অফিসে উপস্থিতি কম নিয়ে নাম প্রকাশ করে কোনো কথা বলতে চাননি কর্মকর্তারা। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে নগরীর একটি কর্পোরেট ব্যাংকের এজন ব্যবস্থাপক বলেন, ঈদের তিনদিন ছুটির পর গতকাল ব্যাংকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি মোটামুটি, বেশি হয়নি। প্রথমদিন তাদের অফিসে মাত্র ৫০ শতাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারীর উপস্থিতি রয়েছে। অনেকে ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে আছেন। রোববারের মধ্যে তারা চলে আসবেন।
ওই কর্মকর্তা বলেন, গতকাল ব্যাংকে লেনদেন অনেক কম হয়েছে। যা লেনদেন হয়েছে, তার প্রায় সবই ছোট অংকের। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কার্যক্রম শুরু না হওয়ায় বড় ধরনের কোনো লেনদেন হচ্ছে না। গতকাল ছোট-খাট গ্রাহকেরা গেছেন। এ দিন স্বাভাবিক লেনদেনের মাত্র ২০ ভাগ লেনদেন হয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ