প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন ছুটির ঘণ্টা ছবির নির্মাতা

আপডেট: জুলাই ১২, ২০১৭, ১:২৬ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


‘ছুটির ঘণ্টা’ ছবির নির্মাতা আজিজুর রহমান দীর্ঘ এক মাসের চিকিৎসা গ্রহণ শেষে রোববার (৯ জুলাই) সন্ধ্যায় ঢাকা ফিরেছেন। বর্তমানে তিন আশঙ্কামুক্ত ও বেশ সুস্থ আছেন। তার চিকিৎসার দায়িত্বভার নিয়ে তাকে সম্মানিত করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। ‘ডাক্তার বাড়ি’ ছবির এই নির্মাতা বলেন, ‘আমি মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানাই তিনি আমাকে নতুন জীবন দান করেছেন। আর প্রধানমন্ত্রীর প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি তিনি আমার চিকিৎসাভার গ্রহণ করে আমাকে সম্মানিত করেছেন। বরাবরই সংস্কৃতি ঘনিষ্ঠ মানুষগুলোর প্রতি তিনি যে মমত্ববোধের পরিচয় দেন তা চলচ্চিত্র অঙ্গনের মানুষ অবশ্যই স্মরণ রাখবে।’
পাশাপাশি তিনি বিশেষভাবে বিখ্যাত অভিনেত্রী শাবানা ও তার স্বামী ওয়াহেদ সাদেক এবং অভিনেতা আলমগীরকে ধন্যবাদ জানান। আজিজ বলেন, ‘শাবানা প্রমাণ করে দিল ও আমার ভাতিজি আমি ওর চাচা। পাঁচ দশকের এ বন্ধন অটুট ছিল ভবিষ্যতেও থাকবে।’
প্রখ্যাত পরিচালক আজিজুর রহমান গত ১৪ মে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে তিনি প্রফেসর মুমিনুজ্জামানের তত্বাবধানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরে গত ১১ জুন উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে ভর্তি হন।
এরপর গত ১৯ জুন কিংবদন্তি অভিনেত্রী শাবানা স্ব-উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে আজিজুর রহমানের চিকিৎসায় সহযোগিতার জন্য অনুরোধ করেন। প্রধানমন্ত্রী তার অনুরোধ রক্ষা করে চিকিৎসার ব্যয়ভারের দায়িত্ব নেন এবং ২২ জুন গণভবনে ইফতার মাহফিলে শাবানার স্বামী ওয়াহেদ সাদিক ও চিত্রনায়ক রিয়াজের হাতে ২০ লাখ টাকার অনুদানের চেক তুলে দেন। এর পরপরই তার এনজিওগ্রাম হয়। তারপর এনজিও প্লাস্ট পরবর্তীতে বড়ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ অপারেশন যাকে কোল্ড টাবি পেপার হিট বলে- সেটা করানো হয়।’
১৯৫৮ সালে ‘এ দেশ তোমার আমার’ ছবিতে আজিজুর রহমান প্রখ্যাত চিত্রপরিচালক এহতেশামের সহকারী হিসেবে চলচ্চিত্রে প্রবেশ করেন। আজিজুর রহমান ৫৪টি ছবি নির্মাণ করেন। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ‘ছুটির ঘণ্টা’, ‘অশিক্ষিত’, ‘মাটির ঘর’, ‘জনতা এক্সপ্রেস’, ‘সাম্পানওয়ালা’, ‘ডাক্তার বাড়ি’, ‘গড়মিল’, ‘সমাধান’, ‘কাঞ্চনমালা’, ‘কুচবরণ কন্যা’, ‘প্রাণ সজনী’, ‘ঘরে ঘরে যুদ্ধ’ প্রভৃতি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ