প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট যুগান্তকারী ভূমিকা রাখছে : বিভাগীয় কমিশনার

আপডেট: জুন ৩০, ২০২২, ১:৫৩ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


বিভাগীয় কমিশনার জিএসএম জাফরউল্লাহ বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মহতি উদ্যোগের ফলে সবক্ষেত্রেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষা সহায়তা ও উপবৃত্তির ফলে মেয়েরা শিক্ষায় এগিয়েছে। আর সম্ভব হয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একান্ত চিন্তা ও উদ্ভাবনী ক্ষমতাগুণে। শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট শিক্ষা বিস্তারে এবং দরিদ্রদের শিক্ষা নিশ্চিত করতে যুগান্তকারী ভূমিকা রেখে চলেছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) সকালে ‘সমন্বিত উপবৃত্তি বাস্তবায়ন সম্পর্কিত বিভাগীয় পর্যায়ের ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ-২০২২’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি কথা বলেন। জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচির আওতায় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট এ আয়োজন করে। প্রধান অতিথি বলেন, গত ১৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার হার ৫০ শতাংশ থেকে ৭০ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে। এটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যুগ উপযোগী নেতৃত্বের কারণে সম্ভব হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দশটি বিশেষ উদ্যোগের মধ্যে একটি শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট। এই ট্রাস্টের উপবৃত্তি পেয়ে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর শিক্ষা গ্রহণের পথ খুলে গেছে। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা এখান থেকে বৃত্তি পাচ্ছেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ‘যখন পদ্মা সেতুর উদ্বোধন হয়ে গেল তখন যুক্তরাষ্ট্র-পাকিস্তান আমাদের শুভেচ্ছা বার্তা পাঠালো। তারাও এখন বুঝেছে যে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে। দেশকে আরও এগিয়ে নিতে হলে প্রধানমন্ত্রীর সব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, আগে ধর্মীয় গোড়ামি দোহাই দিয়ে নারীদের পিছিয়ে রাখা হতো। কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারীদের এগিয়ে নিচ্ছেন। সম্প্রতি দেশের অর্থ সচিব হয়েছেন একজন নারী। দেশকে ক্রান্তিকাল থেকে তুলে এনে সাড়ে ১৩ বছরে প্রধানমন্ত্রী এমন এক উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছেন যার কারণে আমরা গর্বিত।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসরীন আফরোজ।
যেসব শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির প্রয়োজন তাঁরাই যেন এটা পায় সেদিকে জোর দিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত সচিব নাসরীন আফরোজ বলেন, প্রধানমন্ত্রী একশো কোটি টাকা দিয়ে ২০১২ সালে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট গঠন করে দিয়েছেন।

একটা আইনের মাধ্যমে এটা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে যেন সরকার পরিবর্তন হলেও এর কার্যক্রম থেমে না যায়। সে জন্য এটা সবাইকে গুরুত্ব দিয়ে বাস্তবায়ন করতে হবে। যাদের সত্যিই উপবৃত্তি দরকার, তারাই যেন এটা পায়। শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে গুরুত্বসহকারে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য দেন- রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. হাবিবুর রহমান, রাজশাহীর অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন ও আইসিটি) এ এন এম মঈনুল ইসলাম ও রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক শাহানা আখতার জাহান।

এছাড়াও আরো বক্তব্য রাখেন জেলা শিক্ষা অফিসার নাসির উদ্দিন। দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণে রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা অংশ নেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ