কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক মানের আইকনিক রেলস্টেশন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট: নভেম্বর ১১, ২০২৩, ১২:২২ অপরাহ্ণ

 

সোনার দেশ ডেস্ক:


পর্যটন শহর কক্সবাজারে দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক মানের আইকনিক রেলস্টেশনের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নান্দনিক এ রেলস্টেশনে রয়েছে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত সব ধরনের ব্যবস্থা। শনিবার (১১ নভেম্বর) দুপুর ১টায় রেলপথ ও রেলস্টেশন উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

জেলা প্রশাসনসূত্র জানিয়েছে, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত থেকে মাত্র ৩ কি.মি দূরে ঝিলংজায় ২৯ একর জমির ওপর ২১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে এই আইকনিক রেলওয়ে স্টেশন। স্টেশনের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে চারপাশে কাচের ব্যবহার হয়েছে। ছাদের ওপর ব্যবহৃত হয়েছে অত্যাধুনিক স্টিল ক্যানোফি। এরফলে স্টেশনে দিনের বেলা বাড়তি আলোর ব্যবহার করতে হবে না। আর নির্মাণশৈলির কারণেই একে বলা হচ্ছে ‘গ্রিন স্টেশন’।

দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপ্রকল্পের পরিচালক মো. সুবক্তগীন সংবাদমাধ্যমকে জানান, ৬ তলার এই রেল স্টেশনে রয়েছে চলন্ত সিঁড়ি, লকার, হোটেল, রেস্তোরাঁ, শপিংমলসহ আধুনিক সব সুবিধা। ৪৬ হাজার মানুষের ধারণক্ষমতা সংবলিত স্টেশনটির পুরোটাই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। স্টেশনে আছে কনভেনশন হল, ট্যুরিস্ট ইনফরমেশন বুথ, এটিএম বুথ, নাসাজের স্থানও। স্টেশনে ফুড কোর্ট, হোটেল ও শপিং কমপ্লেক্সের বিষয়টি বাইরের এজেন্সি দ্বারা টেন্ডারিঙের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।

দোহাজারী-কক্সবাজার ও মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী ঘুমধুম রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পটি ২০১০ শুরু হয়ে ২০১৩ সালে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে, ঘুমধুম পর্যন্ত সিঙ্গেল লাইন ডুয়েলগেজ ট্র্যাক নির্মাণ (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্পটি ২০১৬ সালের ১৯ এপ্রিল একনেকে অনুমোদিত হয় এবং এ লাইনে ১২৮ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণে ব্যয় ধরা হয় এক হাজার ৮৫২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। কিন্তু জমি অধিগ্রহণসহ অন্যান্য ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় ২০১৬ সালে সংশোধিত প্রকল্প ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ১৮ হাজার ৩৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকায়। এ বাজেটে এডিবি ঋণ দেয় ১৩ হাজার ১১৫ কোটি ৪১ লাখ টাকা আর বাকি চার হাজার ৯১৯ কোটি ৭ লাখ টাকা সরকারি তহবিল থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: জাগোনিউজ