প্রধানমন্ত্রী নতুন উদ্যোমে কাজ শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী পারলে অন্যদেরই পারতে হবে

আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০২০, ১:০৫ পূর্বাহ্ণ

বছরের শেষ দিনে বাকি থাকা সব ফাইলের কাজ শেষ করে নব উদ্যমে নতুন বছরের কার্যক্রম শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৯ সালের সব কাজ উনিশেই শেষ করে দিয়েছেন। কোনো ফাইল ২০২০ পর্যন্ত টেনে আনেন নাই। ওনার সব ফাইল উনি ক্লিয়ার করেছেন।’ প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন সংবাদ মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন। উৎসাহব্যঞ্জক ও কর্মক্ষেত্রে উদ্দীপন জাগানিয়া এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন দৈনিক সোনার দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদনের তথ্য মতে, আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা টানা তৃতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেয়ার প্রথম বছর ছিল ২০১৯ সাল। শেষ দিনে সারা বছরের অবশিষ্ট কাজ শেষ করতে বাড়তি সময় দিতে হয়েছে তাকে।
তাঁর প্রেস সচিবের মতে, প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রচুর ফাইল থাকে। ৩১ ডিসেম্বর বছরের শেষ দিনে আট বক্স ফাইল ছিল প্রধানমন্ত্রীর কাছে। উনি সেদিনই সব ফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখে ক্লিয়ার করে দিয়েছেন। পুরাতন বছরের সব কাজ নতুন বছর শুরুর আগেই শেষ করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী পারলেন কিন্তু সারা দেশে প্রজাতন্ত্রের আর কর্মচারীরা কি তা পারেন? এর উত্তর মোটেও সহজ নয়Ñ কিংবা বিবেচনা না করেই শুধু অভিজ্ঞতার আলোকেই বলে দেয়া যায়, আমাদের জাতীয় স্বভাবের মধ্যে সময়ের কাজ সময়ের মধ্যে শেষ করার মানসিকতার পর্যাপ্ত ঘাটতি রয়েছে। কথায় আছে ‘লাল ফিতের দৌরাত্ম্য’Ñ অমন কথা তো আর এমনি এমনি হয় নি, মানুষের তিক্ত অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়েই এ ধরনের বক্তব্য সমাজে স্থায়ীত্ব লাভ করেছে। সময়ের কাজটা সময়ের মধ্যে করা যায় না বিষয়টা তেমন নয়Ñ এটা মানসিকতার ব্যাপার। যিনি কাজটি করবেন তার সততা ও আন্তরিকতার ব্যাপার। যেটি বাস্তব ক্ষেত্রে খুবই কম দেখা যায়। সেবাগ্রহীতাকে হয়রানি করা কিংবা তার কাছ থেকে অন্যায় সুবিধা নেয়া কিংবা কটু আচরণ করা- খুবই স্বাভাবিক একটা ব্যাপার। কিন্তু পরিবর্তনটা হচ্ছে। দৃষ্টিভঙ্গিরও পরিবর্তন হচ্ছে। নতুন করে কর্মক্ষেত্রে যারা প্রবেশ করছেন তাদের অনেকের মধ্যে অঙ্গীকার বাস্তবায়নের প্রত্যয় দেখা যায়। এমন অনেক ঘটনা এখন সংবাদ মাধ্যমে আসে- সেটা ভালোলাগার মতই। অনুসরণ করার মত ঘটনা। কিন্তু এই প্রত্যয়টি সক্ষম প্রতিটি মানুষের মধ্যেই জাগরিত হতে হবে। তবেই যে চেতনায় বাংলাদেশের সৃষ্টি হয়েছে সেটা আমরা ত্বরিত অর্জন করতে পারবো।
দেশের শীর্ষ মানুষ- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই দৃষ্টান্তই স্থাপন করেছেন যে, সময়ের কাজটি সময়ের মধ্যেই শেষ করতে হবে। এর জন্য ধৈর্য ও অধ্যবসায় ও আন্তরিকতার কোনো বিকল্প নেই। দেশের উন্নতি চাইল্ েপ্রধামনমন্ত্রীর দায়িত্বশীলতাই জাতিকে পথ দেখাচ্ছে। টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জন করতে হলে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর দেখানো পথেই হাঁটতে হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ