‘প্রস্তুতির জন্য ৩ ম্যাচ যথেষ্ট নয়’

আপডেট: মার্চ ২, ২০১৭, ১২:১৮ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক



হকি ওয়ার্ল্ড লিগের দ্বিতীয় রাউন্ড ও এশিয়া কাপ সামনে রেখে জাতীয় দলের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে মাস দেড়েক আগে। জিমি-চয়নদের বিকেএসপিতে রেখে নিবিঢ় অনুশীলন করিয়েছে ফেডারেশন। তবে জার্মান কোচ অলিভার কার্টজকে এ অনুশীলনে পুরো সময় পান নি খেলোয়াড়রা। তিনি খেলোয়াড়দের পাসপোর্ট বগলদাবা করে ঘুরেছেন দেশের বাইরে ভিসার জন্য।
উদ্দেশ্য ছিল দলকে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর করানো। দল বিকেএসপি রেখে কোচ কেন অফিসিয়াল কাজ করতে দেশের বাইরে ঘুরেছেন তা নিয়ে কথা উঠছে হকি ফেডারেশনেই। প্রশ্ন উঠেছে অফিসিয়াল কাজগুলোর জন্য কোনো দক্ষ লোক কী নেই ফেডারেশনে?
ঘানাকে এক সপ্তাহ আগে উড়িয়ে এনে তিনটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছেন বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচ হেরেছে, দ্বিতীয় ম্যাচ ড্র করে বুধবার শেষ ম্যাচটি জিতেছে বাংলাদেশ। তবে তিন ম্যাচের প্রস্তুতিতে সন্তুষ্ট নন জার্মান কোচ। বুধবার ম্যাচের আগে ও পরে ঠিকই একই কথা বলেছেন তিনি ‘অন্যান্য দল দেশের বাইরে প্রস্তুতি নিয়েছে। আমরা পারিনি। আমাদের দুর্ভাগ্য ভিসা জটিলতার জন্য দক্ষিণ কোরিয়া অথবা কেনিয়া যেতে পারিনি। লক্ষ্য ছিল বেশ কিছু প্রস্তুতি ম্যাচ খেলা। দল নির্বাচনের জন্য যা খুবই প্রয়োজন ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ঘানার বিপক্ষে ৩ ম্যাচ আয়োজন করা হয়েছে। আমি মনে করি প্রস্তুতির জন্য ৩ ম্যাচ যথেষ্ট নয়।’
ঘানার বিপক্ষে প্রথম দুই ম্যাচের একটি হেরেছে, ড্র করেছে একটি। দ্বিতীয় ম্যাচ ড্রয়ের পর জার্মান কোচ সব দোষ চাপিয়েছেন মিডিয়ার উপর ‘প্রস্তুতি ম্যাচে হারার পর মিডিয়া অনেক নেতিবাচক রিপোর্ট করেছে, যা খেলোয়াড়দের মনোবল দূর্বল করেছে।’ হকি ওয়ার্ল্ড লিগে মাঠে নামার আগে বেশ কিছু অজুহাতই দাঁড় করিয়ে রেখেছেন কার্টজ।
হকি ওয়ার্ল্ড লিগের দ্বিতীয় পর্ব পার হতে পারলে তা হবে দেশের হকির জন্য নতুন মাইলফলক। ৮ দেশের এ পর্বে ফাইনালে উঠতে না পারলে পরের রাউন্ডে ওঠা যাবে না; কিন্তু সেটা কি সম্ভব বাংলাদেশের পক্ষে? গ্রুপে ৩ প্রতিপক্ষের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী মালয়েশিয়া। অন্য গ্রুপে আছে চীন ও ঘানার মতো দেশ। এই কঠিন লড়াই শেষে বাংলাদেশের অবস্থান কোথায় থাকে তাও দেখার বিষয়।
বাংলাদেশের জার্মান কোচের নজরটা প্রথমত গ্রুপে দ্বিতীয় হওয়া। তিনি ধরেই নিয়েছেন মালয়েশিয়ার সঙ্গে পেরে ওঠা সম্ভব না। ‘আমি দলটাকে প্রস্তুত করছি গ্রুপের শেষ দুই ম্যাচের জন্য। আমার লক্ষ্য ফিজি ও ওমানকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়া। তারপর ম্যাচ বাই ম্যাচ আগানো। ঘানার বিরুদ্ধে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে খেলোয়াড়রা আমার প্রত্যাশা কিছুটা হলেও পূরন করেছে। তিন ম্যাচে আমাদের উন্নতিটা ছিল ধাপে ধাপে, যা ইতিবাচক দিক’- বলেন অলিভার কার্টজ।