প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতি মনোভাব

আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০১৭, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ

মো. ওসমান গনি



শিক্ষা জাতির মেরুদ-। কোন জাতিকে সঠিকভাবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকতে সাহায্য করে শিক্ষা। পৃথিবীতে যে জাতি শিক্ষায় উন্নত, সে জাতি অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, সামরিক, স্বাস্থ্য শিল্প-সাহিত্য, সাংস্কৃতিক ও বৈজ্ঞানিক গবেষণায় তত উন্নত। আর শিক্ষা যদি জাতির মেরদ- হয়, তাহলে শিক্ষক কী হবেন? নিশ্চয় উত্তর হবে শিক্ষক জাতির শিক্ষার কারিগর। অর্থাৎ একটি জাতিকে পৃথিবীর বুকে সভ্য, সুশিক্ষিত, আধুনিক ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার দায়িত্ব শিক্ষকদের। আর প্রাথমিক শিক্ষা হলো শিক্ষা ব্যবস্থার মৌলিক (ইধংরপ) ভিত্তি।
বাংলাদেশের শিক্ষা স্তর ২০১০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী চারটি। প্রাথমিক শিক্ষা স্তর হলো প্রথম শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত। মাধ্যমিক শিক্ষা স্তর হলো নবম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা স্তর হলো একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত। উচ্চতর শিক্ষা স্তর হলো ¯œাতক, ¯œাতকোত্তর, এম.ফিল ও পি.এইচ.ডি পর্যন্ত। ২০১০ সালের ১ জুন এই শিক্ষানীতি  অনুমোদন পায়।
বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীনতা লাভ করে। দেশ স্বাধীন হওয়ার বয়স হলো ৪৫ বছর। এই ৪৫ বছরে বাংলাদেশের অর্জন অনেক। যেমন- শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও গার্মেন্টস শিল্প পৃথিবীর মধ্যে খ্যাতি অর্জন করেছে। এই ৪৫ বছরে বাংলাদেশে যে সরকার ক্ষমতায় এসেছে তারা একটি করে জাতীয় শিক্ষা কমিশন প্রণয়ন করেছে। কিন্তু দুঃখের কথা হলো আজ পর্যন্ত একটিও জাতীয় শিক্ষা কমিশন পরিপূর্ণভাবে কোন সরকার বাস্তবায়ন করতে পারেনি। সরকার যায় সরকার আসে জাতীয় শিক্ষা কমিশনও পরিবর্তন হতে থাকে। তবে আশার কথা হলো যে, বর্তমান সরকার প্রথম জাতীয় শিক্ষা কমিশন অর্থাৎ ড. কুদরাত-এ-খুদার শিক্ষা কমিশনের আলোকে প্রণয়ন করেন ২০১০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতি। প্রাথমিক শিক্ষার স্তর প্রথম শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করেছে এবং তা মহান জাতীয় সংসদে পাশ হয়েছে, এখন বাস্তবায়ন করার পর্যায়ে। তবে বর্তমান সরকার ২০১৮ সালের মধ্যে প্রথম শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষা করার জন্য ঘোষণা দিয়েছে।
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মূল ঋড়ঁহফধঃরড়হ হলো প্রাথমিক শিক্ষা। একটি জাতিকে সুশিক্ষিত ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হলে সবার আগে সরকারের প্রাথমিক শিক্ষার দিকে সুনজর দিতে হবে। কারণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সঠিকভাবে লেখাপড়া করে তাহলে শিক্ষার পরবর্তী স্তরের লেখাপড়ার মান উন্নত হবে। কিন্তু আমাদের দেশে যতগুলো সরকার ক্ষমতায় এসেছে, তাঁরা দীর্ঘদিন প্রাথমিক শিক্ষার দিকে সে ভাবে নজর দেননি। তবে আশার কথা হলো ০১-০৭-১৯৭৩  সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একসাথে একটি মাত্র প্রজ্ঞাপন দ্বারা ৩৭,৬১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করেন। তাঁরই সুযোগ্য কন্যা বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পিতার ধারাবাহিকতায় ০১-০১-২০১৩ সালে একই সাথে আবার ২৬,১৯৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করেন। সত্যিই বর্তমান সরকার প্রাথমিক শিক্ষার জন্য একটি শিক্ষাবান্ধব সরকার। একটি শিক্ষকবান্ধব সরকার। এক সাথে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১,০৩,৮৪৫ জন শিক্ষকের চাকরি জাতীয়করণ করা হয়। দীর্ঘদিন বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা যে অবহেলিত ছিলো, তাদের দীর্ঘদিনের দুঃখ, কষ্ট ও দুর্দশা লাঘব হয়।
আশির দশকে আমরা যখন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলাম। তখন অধিকাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয় মাটি দিয়ে তৈরি ছিলো। আর টিনের ছাউনি ছিলো। বর্তমানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভৌত অবকাঠামোর অনেক উন্নতি হয়েছে। আগের চেয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্যানিটেশন ব্যবস্থার অনেক উন্নতি হয়েছে। বর্তমান সরকারের জোর মনিটরিং ব্যবস্থার জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু ভর্তির হার ৯৯%। যা আমাদের কোন কোন প্রতিবেশী দেশগুলোর চেয়ে অনেক উপরে।
বর্তমান সরকার প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে। তারপরও পৃথিবীর উন্নত দেশ যেমন- জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এমনকি আমাদের প্রতিবেশি দেশ শ্রীলংকা, মালদ্বীপ ও ভারতের চেয়ে আমাদের দেশের শিক্ষকদের বেতন, আর্থ-সামাজিক মর্যাদা অনেক কম। প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে এবং শিক্ষকদের উন্নয়নে উন্নত দেশ অনেক নীতি গ্রহণ করেছে। যেমন- ভারত সরকার শিক্ষকদের যোগত্যাভিত্তিক বেতন প্রদান করেছে। কিন্তু আমাদের দেশে আজ পর্যন্ত যোগ্যতা ভিত্তিক বেতন প্রদানের ব্যবস্থা হয়নি। একজন এইচএসসি পাশ আর স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী শিক্ষক একই সমান বেতন পান। এর ফলে একজন স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী শিক্ষক অনেকাংশে মানসিক কষ্টে ভোগেন। কিন্তু তার বন্ধু স্নাতকোত্তর পাশ করে যখন কলেজে চাকরি করেন। তখন একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আর্থ- সামজিক মর্যাদায় অনেক পিছিয়ে থাকে। কিন্তু চাকরি যেখানেই করুক না কেন। যোগ্যতাভিত্তিক বেতন প্রদান করা হলে এ ধরনের সমস্যা থাকবে না। একজন এইচএসসি পাশ শিক্ষক যে ধরনের জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গি লাভ করে তার চেয়ে একজন স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী শিক্ষক অনেক বেশি জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গি লাভ করে এবং শ্রেণি শিখন- শেখানো ও পঠন পাঠন কার্যক্রমে এইচএসসি পাশ শিক্ষকের চেয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী শিক্ষক আরও বেশি কার্যকরি ভূমিকা পালন করবে। বর্তমান সময়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অধিকাংশ স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে এর ফলে প্রাথমিক শিক্ষার গুনগত মান বৃদ্ধি পাবে। তবে মেধাবী শিক্ষকদের প্রাথমিক শিক্ষায় ধরে রাখার জন্য যোগ্যতাভিত্তিক বেতন অবশ্যই দিতে হবে। একজন এইচএসসি পাশ যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষকদের সমান স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী শিক্ষকের বেতন দেয়া অমানবিক ও বটে। বর্তমানে বাংলাদেশের শিক্ষার হার অনেক বেড়েছে। তাই শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে পুরুষ ও নারী উভয় শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা অবশ্যই স্নাতক হওয়া প্রয়োজন। এতে মন মানসিকতায় ও চিন্তা চেতনায় এবং বেতনের দিক দিয়েও বৈষম্য দূর হবে।
সরকার প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে ২০০৯ সাল থেকে জাতীয় পর্যায়ে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (চঊঈ) পরীক্ষা চালু করেছে। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা চালুর পর থেকে শিক্ষার্থীদের প্রতি শিক্ষকেরা আরও বেশি পাঠে মনোযোগ দিয়ে শ্রেণি কার্যক্রমে শিখন-শেখানো কার্যবলি পরিচালনা করছে। কারণ বিদ্যালয়ে বিদ্যালয়ে ভালো ফলাফল করার জন্য শিক্ষক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণের মধ্যে রীতিমত প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে এবং কোন বিদ্যালয়টি উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় হবে তার জন্য শিক্ষকগণের মধ্যে এক ধরনের প্রতিযোগিতাও চলছে।
শিক্ষকেরা যখন জাতি গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তখন শিক্ষকদের প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা নীতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন। কবিগুরু রবীন্দনাথ ঠাকুর বলেছেন- “মানুষের প্রতি বিশ^াস হারানো পাপ।” যদি তাই হয় তাহলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতি শিক্ষা প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের কেন এতো নেতিবাচক মনোভাব? প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৪.৩০ মিনিট পর্যন্ত বিদ্যালয়ে শ্রেণি কার্যক্রম ও প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করে। বিদ্যালয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা নেয় এবং পরীক্ষার খাতা বাড়িতে নিয়ে গিয়ে মূল্যায়ণ করে ফলাফল প্রদান করে। জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে। যেমন- ভোটার তালিকা প্রণয়ন, বিভিন্ন নির্বাচনের কাজ, বিভিন্ন ধরনের জরিপের কাজ। তাহলে কেন প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (চঊঈ) পরীক্ষার খাতা বাড়িতে এনে মূল্যায়ণ করতে পারবে না। তাহলে কী প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতি আস্থা ও বিশ^াস হারিয়ে ফেলছে? শিক্ষকের মর্যাদা সবার উপরে এ কথা সবই অলীক।
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ণ বাড়িতে না করে উপজেলায় গিয়ে করতে হয়। আমার মনে হয়, পৃথিবীর কোন দেশে এ ধরনের ব্যবস্থা নেই। উপজেলায় গিয়ে একটি কক্ষে ৩০-৩৫ জন পরীক্ষক সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত খাতা মূল্যায়ণ করতে হয়। কোন শিক্ষকের পক্ষে এত সময় ধৈর্য সহকারে খাতা মূল্যায়ণ করা সম্ভব নয়। তার উপর “নেপ” (ঘঅচঊ) প্রণীত উত্তরপত্রের সাথে কোন কোন পাঠ্যবইয়ের উত্তরের মিল নেই। এতে যারা খাতা মূল্যায়ণ করেন তাঁরা নানাবিধ সমস্যায় পড়েন। যে কক্ষে খাতা মূল্যায়ণের কাজ চলে সে কক্ষের পরিবেশ খাতা মূল্যায়ণের উপযোগী অনেকাংশ থাকে না। একজন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক জেএসসি ও জেডিসি (ঔঝঈ) পরীক্ষার খাতা বাড়িতে  এনে মূল্যায়ণ করতে পারে। কিন্তু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বাড়িতে এনে খাতা মূল্যায়ণ করতে পারে না। কিছু সংখ্যক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য গোটা শিক্ষক সমাজ এ ধরনের আচরণ প্রত্যাশা করে না।
জেএসসি ও জেডিসি (ঔঝঈ) পরীক্ষার খাতা বোর্ডের মাধ্যমে শিক্ষকদের দেয়া হয়। তাই শিক্ষকেরা বাড়িতে এনে খাতা মূল্যায়ণ করতে পারে। তাহলে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী বোর্ড করে প্রাথমিক শিক্ষকদের খাতাও বাড়িতে এনে মূল্যায়ণ করার ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা বাংলাদেশের সবচেয়ে বৃহৎ পাবলিক পরীক্ষা। ২০১৬ সালে প্রাথমিক পর্যায়ে ২৮ লাখ ৩০ হাজার ৭ শত ৩৪ জন পরীক্ষার্থী প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা দিয়েছে। এত বিপুল সংখ্যক পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা পরিচালনার ক্ষেত্রে অধিদপ্তর হিমশিম খাচ্ছে। এতে অধিদপ্তরের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়। বিপুল সংখ্যক পরীক্ষার্থীর প্রশ্ন ছাপাসহ নানাবিধ কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় কিছু অপ্রত্যাশিত ঘটনা ও ঘটে। কাজেই “প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী বোর্ড” চালু করে বোর্ডের মাধ্যমে পরীক্ষা নিলে অধিদপ্তর ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পরীক্ষা সংক্রান্ত ব্যস্ততা কমবে। কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ শিক্ষা কার্যক্রম সঠিকভাবে মনিটরিং করতে পারবে। এতে প্রাথমিক শিক্ষার গুনগতমান আরও বৃদ্ধি পাবে। এছাড়াও উপজেলা পর্যায়ে খাতা মূল্যায়ণ ও ফলাফল তৈরির ফলে অনেক সময় নানা ধরনের অনাকাক্সিক্ষত ঘটনাও ঘটে। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী বোর্ড গঠন করে বোর্ডের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, পরীক্ষার খাতা সরবরাহ ও মূল্যায়ণ করে ফলাফল তৈরি করলে নানা ধরনের অপ্রত্যাশিত ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে এবং উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ সমাপনী পরীক্ষার কাজে ব্যস্ত না থেকে আরও বেশি সময় শিক্ষা কার্যক্রম মনিটরিং করতে পারবে। এতে শ্রেণি শিখন-শেখানো ও পঠন-পাঠন কার্যক্রম আরও জোরদার হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা একটি মৌলিক বা ইধংরপ শিক্ষা। তাই সরকারকে সবার আগে প্রাথমিক শিক্ষার প্রতি বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। প্রাথমিক শিক্ষাকে বাস্তবিক, প্রায়োগিক ও কার্যকরি করতে পারলে শিক্ষার অন্যান্য স্তর ও উন্নতি করবে। জাতি গঠনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অবদান অনেক। তাই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করে তাদের যথাযথ আর্থ-সামাজিক মর্যাদা প্রদান করা সমীচীন।
লেখক : সহকারী শিক্ষক , মচমইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাগমারা,রাজশাহী।