ফরহাদ মজহারকে অপহরণ মামলার এজাহারে যা আছে

আপডেট: জুলাই ৫, ২০১৭, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ণ

সোনার দশে ডস্কে


সোমবার (৩ জুলাই) ভোর ৫টার দকিে মোহাম্মপুররে রংি রোডরে বাসা থকেে বরে হওয়ার পর নখিােঁজ হন ফরহাদ মজহার। ভোর ৫টা ২৯ মনিটিে তনিি তার স্ত্রীকে ফোন করে বলনে, ‘ফরদিা, ওরা আমাকে নয়িে যাচ্ছ।ে ওরা আমাকে মরেে ফলেব।ে’ এরপরই তার স্ত্রী ফরদিা আখতার আদাবর থানায় গয়িে সাধারণ ডায়রেি করনে। সটেি ১১টা ৩৫ মনিটিে অপহরণ মামলার এজাহার হসিবেে গ্রহণ করা হয়। দ-বধিরি ৩৬৫ ও ৩৮৫ ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়, মামলা নম্বর ০৪/১১৭। এজাহাররে কপতিে ফরদিা আখতার যা লখিছেনে তা তুলে দওেয়া হলো।
জনাব,
সবনিয়ে নবিদেন এই যে আমি নম্নি স্বাক্ষরকারী ফরদিা আখতার দশেরে বশিষ্টি লখেক ও কবি ফরহাদ মো. মাজহারুল হক (ওরফে ফরহাদ মজহার)- এর স্ত্রী আপনার থানার অধীনস্থ, ফ্ল্যাট# ৪ এ-ব,ি হক র্গাডনে, ১ রংি রোড, শ্যামলী আদাবরে বসবাস কর।ি আমার স্বামী সাধারণত খুব ভোরে ঘুম থকেে জাগনে একং লখোলখেি করনে। সকাল ৫টার দকিে আমার ঘুম ভাঙার পর আমি উনাকে লখোর টবেলিে না দখেতে পয়েে চন্তিতি হয়ে পড়ি এবং সারা ঘরে খুঁজতে থাক।ি ইতোমধ্যে সকাল ৫টা ২৯ মনিটিে আমার স্বামী তার ফোন থকেে আমাকে কল দনে। তনিি ভর্য়াত কণ্ঠে জানান, ওরা আমাকে নয়িে যাচ্ছ-েমরেে ফলেতে পার।ে এরপর ফোনটি কটেে যায়। কে বা কারা তাকে এভাবে অপহরণ করে নয়িে যাচ্ছে আমি কছিুই বুঝতে পারনি।ি বষিয়টি মৌখকিভাবে আদাবর থানায় জানানোর পর পুলশি তাকে উদ্ধারে তৎপর হয়।
এরপর ফরহাদ মজহাররে মোবাইল ফোন থকেে সারাদনিে আরও ৪ বার ফোন কল আস।ে এ সকল ফোনালাপে মজহার জানান, অপহরণকারীরা ৩৫ লক্ষ টাকা চাচ্ছনে। এ টাকা পলেে তারা তাকে ছড়েে দবেনে।
অত্যন্ত উদ্বগেরে সাথে জানাচ্ছি য,ে এখন র্পযন্ত ফোন ট্র্যাক করে ফরহাদ মজহারকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়ন।ি ভবনে রক্ষতি সসিি ক্যামরো র্পযবক্ষেণ করে দখেে এ বষিয়ে আমরা ভীষণভাবে উদ্বগ্নি।
অতএব উপরোক্ত বষিয়ে এজাহার গ্রহণর্পূবক ফরহাদ মজহারকে উদ্ধাররে র্সবাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বনিীত অনুরোধ জানাচ্ছ।ি
তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রবিউিন