ফুটপাতে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

আপডেট: জুন ২২, ২০১৭, ১:১২ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


নগরীর গণকপাড়ায় কেনাকাটায় ব্যস্ত ক্রেতারা সোনার দেশ

নগরীতে ঈদের কেনাকাটায় জমে উঠেছে ফুটপাতগুলো। ঈদের আর বেশিদিন না থাকায় ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে ফুটপাতের দোকানগুলোতে। সকালের দিকে কেনাকাটার ভিড় বেশি না থাকলেও দুপুর গড়াতেই ক্রেতাদের আগম বাড়তে থাকে বাজারে। ফলে রোজার শেষ মুহূর্তে ফুটপাতের জামাকাপড়ের ব্যবসা জমজমাট চলছে। ছোট শিশু, ছেলে ও মেয়েদের আবদার পূরণে বাবা-মা ছুটছেন ফুটপাতের তৈরি পোশাকের দোকানগুলোতে।
তবে নি¤œ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির বেশিরভাগ মানুষ ফুটপাতে জামা-কাপড় নিতে ভিড় জমাচ্ছেন। ঈদ মৌসুমে তোলা জামা-কাপড়ের মান ভাল হওয়ায় উচ্চবিত্ত শ্রেণির মানুষও ফুটপাতের কেনাকাটায় ঝুঁকছেন। যেসব মানুষ নগরীর বড় বড় নামি-দামি মার্কেটে পোশাক ক্রয়ে অপারগ তারাই ফুটপাতে ছুটছেন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পোশাক কিনতে।
তবে বাজারে বড়দের পাশাপাশি ছোট শিশুদের বাহারি রঙের জামা-কাপড় পাওয়া যাচ্ছে মনমতো। ফলে রাজশাহীসহ আশের পাশের উপজেলা থেকেও ক্রেতার আগমন দেখা যায় বাজারে। বিকেলের পর থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত ফুটপাতেও ক্রেতার ভিড় লক্ষ্য করা যায়।
নগরীর গণকপাড়া ফুটপাতে জামা-কাপড় কিনতে আসা সোহেলী ও মাহাবুবসহ অনেক ক্রেতারা বলেন, ফুটপাতেও ভালো মানের পোশাক বিক্রি হচ্ছে। তবে মানসম্পন্ন দোকানের দামে থেকে একটু কম দামে পোশাক কেনা যায়।
ঈদকে সামনে রেখে ক্রেতারা ছোট ও বড়দের রেডিমেট সার্ট, প্যান্ট, পাঞ্জাবি, পায়জামা ও গেঞ্জি ক্রয় করছেন। সেখানে জামা ১৫০ থেকে ২০০ টাকা, প্যান্ট ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, গেঞ্জি ১৫০ থেকে ২০০ টাকা মূল্যে বিক্রি হচ্ছে। একই সাথে ছোট ছেলে-মেয়েদের ফ্রগ ও প্যান্টসহ আন্যান্য তৈরি পোশাকও ক্রেতারা ক্রয় করছেন।
নগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টের ফুটপাত দোকান্দার রাসেল বলেন, ঈদের এখনো কয়েকদিন বাকি আছে। এই কয়েক দিনে ভিড় আরো বাড়বে। ফুটপাতে ক্রেতাদের পছন্দ মতো সব ধরনের পোশাক বিক্রির জন্য আমদানি করা হয়েছে। ফুটপাত বলে পোশাকের মান যে খারাপ তা না। দোকানিদের সাথে পাল্লা দিয়ে জামা, প্যান্ট ও গেঞ্জি সাজিয়ে রাখা হয়েছে।
এদিকে জামা বিক্রেতা নাজমুল বলেন, রোজার শেষের দিকে হওয়ায় বেচাবিক্রি বেড়েছে। ঈদের বাকি কয়েকদিন আশানুরূপ বেচাকেনা করতে পারবে বলে তিনি মনে করেন। এছাড়া পোশাক বিক্রেতা মসফিক মাহিন বলেন, ঈদ মৌসুমে প্রতিদিন ৫ থেকে ৬ হাজার টাকার পোশাক বিক্রি হচ্ছে। ঈদের বেশিদিন না থাকায় সারাদিন ও রাতে বেচাবিক্রি করতে হচ্ছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ