ফেভারিট কে জানেন না স্মিথ!

আপডেট: আগস্ট ২০, ২০১৭, ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


দেশ ছাড়ার আগে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ বলেছিলেন, বাংলাদেশ সফর চ্যালেঞ্জিং হবে। ঢাকায় পা রাখার পরও একই সুর তার কণ্ঠে। দলের ১৪ খেলোয়াড়দের কেউ একটিও টেস্ট এখানে খেলেননি। খেলবেনই বা কীভাবে? অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশে সর্বশেষ পাঁচদিনের ক্রিকেট খেলতে এসেছিল ১১ বছর আগে। ওইবার স্বাগতিকদের হোয়াইটওয়াশ করেছিল রিকি পন্টিংরা। কিন্তু এতদিনে বদলে গেছে অনেক কিছু। গত কয়েক বছরে দেশের মাটিতে বাংলাদেশের রেকর্ড কেমন, জানা হয়ে গেছে স্মিথদের। তাই প্রতিপক্ষকে সমীহ না করা তাদের জন্য হবে বড় বোকামি। শনিবার সংবাদ সম্মেলনে তারই প্রতিফলন ছিল স্মিথের বক্তব্যে। দুই টেস্টের এ সিরিজে ফেভারিট কে সেটা নিয়ে দোদুল্যমান অসি অধিনায়ক।
সর্বশেষ উপমহাদেশীয় সফরে পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও ভারতের বিপক্ষে তিন টেস্ট সিরিজ হেরেছিল অস্ট্রেলিয়া। ব্যর্থতার সেই বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগ এবার তাদের। ২০০৬ সালের পর প্রথমবার বাংলাদেশ সফরে এসে অস্ট্রেলিয়া হাসিমুখে দেশে ফিরতে চায়।
কিন্তু সুখের স্মৃতি নিয়ে দেশে ফিরতে পারবেন কি না নিশ্চিত নয় স্মিথ। উত্তেজনায় ঠাঁসা একটি সিরিজের আভাস পাচ্ছেন ২৪ টেস্টে নেতৃত্ব দিয়ে ১২টি ম্যাচ জেতা অধিনায়ক। ২৮ বছর বয়সি তারকা বলেছেন, ‘আমার মতে এটা দারুণ একটা সিরিজ হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ এখানে খুব ভালো দল। কে ফেভারিট সেটা আমি বলতে পারছি না। তবে আমাদের সামর্থ্য নিয়ে আত্মবিশ্বাস থাকতে হবে। আশা করি আমরা সঠিক প্রক্রিয়ায় এগিয়ে যাব এবং সত্যিকারের ভালো সিরিজ হবে এটা।’
গত ১০ বছরে এশিয়ায় মাত্র দুটি ম্যাচ জেতার অভিজ্ঞতা হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার। ২০১১ সালে শ্রীলঙ্কায় তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ তারা নিশ্চিত করেছিল ১-০ তে। আর সর্বশেষ জয়টি ভারতের মাটিতে এ বছরের শুরুতে। যদিও গত ফেব্রুয়ারির এ বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফি তারা হেরেছিল ২-১ এ। এবার এসব গ্লানির স্মৃতি পাল্টে দিতে চান স্মিথ, ‘আমাদের জন্য এটা (উপমহাদেশে অস্ট্রেলিয়ার রেকর্ড) বদলে ফেলার সুযোগ। আমি মনে করি ভারতে আমরা সত্যিই ভালো কিছু করেছিলাম। কিন্তু সেটা আমাদের ধারাবাহিকভাবে করতে হতো। আমরা ওখান থেকে অনেক কিছু শিখেছি। আশা করি আমরা সেরাটা দিতে পারব সামনে।’-বাংলা ট্রিবিউন