ফের ট্রাম্পের টার্গেটে মুসলিমরা, আরও ৬ দেশের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২, ২০২০, ১২:২১ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


নতুন করে ছয়টি দেশের ওপর ভ্রমণ নিধেষাজ্ঞা জারি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর মধ্যে তিনটিই মুসলিমপ্রধান দেশ। শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটির ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী শাদ উলফ।
নতুন নিষেধাজ্ঞায় ইরিত্রিয়া, কিরগিজস্তান, মিয়ানমার ও নাইজেরিয়ার নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসযোগ্য ভিসা দেয়া পুরোপুরি বন্ধ করা হয়েছে। তবে অ-অভিবাসী ভিসা উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। অর্থাৎ এই চার দেশের নাগরিকেরা ব্যবসা, চিকিৎসা বা ভ্রমণের জন্য যথারীতি স্বল্প মেয়াদের ভিসা পাবেন।
এছাড়া, সুদান ও তানজানিয়ার নাগরিকদের জন্য ‘ডাইভারসিটি ভিসা’ (ডিভি) দেয়াও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে অল্পসংখ্যক অভিবাসী থাকা দেশের নাগরিকদের জন্য লটারির ভিত্তিতে এই ভিসা দেয়া হয়। তবে এই নীতিও পছন্দ নয় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের। তিনি অনেকবারই এই নিয়মের কঠোর সমালোচনা করেছেন।
মন্ত্রী শাদ উলফ বলেন, এই ছয়টি দেশ যুক্তরাষ্ট্রের চাহিদা মোতাবেক নিরাপত্তা ও তথ্য সরবরাহে ব্যর্থ হয়েছে। এজন্যই এমন নিষেধাজ্ঞার প্রয়োজন পড়েছে।
ছয় দেশের ওপর এই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে বলে জানান তিনি।
এর আগে, ক্ষমতায় আসার মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই ২০১৭ সালে সাতটি দেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এতে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা ও বিক্ষোভ শুরু হয়। নিষেধাজ্ঞায় থাকা ওই দেশগুলোর মধ্যে ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সিরিয়া ও ইয়েমেন মুসলিমপ্রধান। সঙ্গে আছে উত্তর কোরিয়া ও ভেনেজুয়েলা।
মুসলিমদের টার্গেট করা হয়েছে
২০১৫ সালে নির্বাচনী প্রচারণার সময় ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমদের প্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করা হবে। ২০২০ সালের নির্বাচন সামনে রেখেও তিনি একই ইস্যু তুলছেন বলে অভিযোগ সমালোচকদের।
নতুন নিষেধাজ্ঞায় থাকা ছয়টি দেশের মধ্যে কিরগিজস্তান, নাইজেরিয়া ও সুদান মুসলিমপ্রধান। ইরিত্রিয়া, তানজানিয়া ও মিয়ানমারেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মুসলিমদের বসবাস।
এসব দেশের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি অভিবাসী যায় নাইজেরিয়া থেকে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রায় আট হাজার নাইজেরিয়ান নাগরিককে অভিবাসী ভিসা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।
সূত্র: আলজাজিরা, জাগোনিউজ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ