ফের বিপাকে পাকিস্তান, এক বিলিয়ন ডলার দাবি সংযুক্ত আরব আমীরশাহীর

আপডেট: মার্চ ১২, ২০২১, ৫:০৩ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


বিপদ যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না পাকিস্তানের। নয়া বিপাকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। এবার পাকিস্তানকে ঋণ দেওয়া অর্থের এক বিলিয়ন ডলার ফেরত চাইল সংযুক্ত আরব আমীরশাহী। ১২ই মার্চের মধ্যে এই অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল পাকিস্তান। তবে সেই প্রতিশ্রুতি রাখতে পারেনি ইসলামাবাদ। উল্লেখ্য এই অর্থ সংযুক্ত আরব আমীরশাহী সরাসরি স্টেট ব্যাংক অফ পাকিস্তানে স্থানান্তরিত করেছিল।
এই অর্থ ঋণ দেওয়ার সময়ের মেয়াদ ইতিমধ্যেই পূর্ণ। ফলে এবার চাপ বাড়ছে পাকিস্তানের ওপর। একাধিকবার সময়ের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে পাকিস্তানের তরফে। ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টাও করেছে পাক আধিকারিকরা। তবে ফল হয়নি। মেয়াদ বাড়েনি ঋণের। ফলে বেশ বিপাকে ইসলামাবাদ। পাক অর্থমন্ত্রক সূত্রে খবর, ২০২০-২১ অর্থবর্ষে সবথেকে বেশি ঋণ নিয়েছে পাকিস্তান। প্রায় ৬.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশী অর্থ ধার করেছে পাকিস্তান। সবমিলিয়ে ঋণের গলাজলে ডুবে ভারতের প্রতিবেশী দেশ।
শুধু জানুয়ারি মাসে পাক সরকার ৯৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ নেয়, যার মধ্যে বিশেষ সূত্রে পাওয়া ৬৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ছিল, যা এযাবৎকালের মধ্যে সর্বাধিক। সংবাদমাধ্যমের সূত্র জানাচ্ছে, প্রায় ৮৭ শতাংশ ঋণ বা ৫.৮ বিলিয়ন ডলার ঋণ নেওয়া হয়েছে অর্থভান্ডার বাড়ানোর জন্য। ২০২০ সালের শেষের দিকে, পাকিস্তানের আর্থিক সংকট মেটাতে প্রায় ১ হাজার ১৬ কোটি ৭৬ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার অনুমোদন দেয় আইএমএফ। আর্থিক টানাপোড়েনে পাকিস্তানের অনুরোধ রেখে এই সিদ্ধান্ত নেয় ইন্টারন্যাশনাল মানিটারি ফান্ড।
২০১৯ সালের জুলাই মাসে পাক সরকার বিরাট আর্থিক ধাক্কার মুখোমুখি হয়ে আইএমএফের সঙ্গে ৬ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল। তার পরবর্তী ধাপে ফের এই টাকা পাকিস্তানকে দেয় আইএমএফ। আইএমএফের তরফে জানানো হয়েছে, পাকিস্তানের অর্থনীতিতে করোনা ভাইরাস তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে। পাক অর্থনীতিতে মন্দার কারণে এই টাকার জরুরি প্রয়োজন হয়েছে। পাকিস্তানে সংক্রমণ থেকে রক্ষার সতর্কতামূলক ব্যবস্থাস্বরুপ খরচ যোগাবে এই অর্থ।
তথ্যসূত্র: kolkata24x7

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ