ফ্রাঙ্কলিনের কাছ থেকে নিউজিল্যান্ড জয়ের মন্ত্র নিলেন মিরাজ

আপডেট: ডিসেম্বর ১২, ২০১৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


কদিন আগেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের মূল নায়ক ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এবার প্রথমবারের মত বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে দেশের বাইরে খেলতে গেলেন তিনি। আর প্রথমবারেই খেলবেন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে, যেখানে স্পিনারদের করতে হয় কঠিন সংগ্রাম। তাই সেখানকার পরিবেশ পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে সাহায্য নিয়েছেন জেমস ফ্রাঙ্কলিনের কাছ থেকে। এ কিউই অলরাউন্ডারের কাছ থেকেই নিউজিল্যান্ড জয়ের মন্ত্র নিয়েছেন মিরাজ।
বিপিএলে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যান জেমস ফ্রাঙ্কলিনের সঙ্গে একই দল রাজশাহী কিংসে খেলেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। দলকে ফাইনালে তোলার ক্ষেত্রে মিরাজ-ফ্রাঙ্কলিন দু’জনেরই অসাধারণ ভূমিকা ছিল। একই দলে খেলার সুবাধেই নিউজিল্যান্ড সম্পর্কে ফ্রাঙ্কলিনের কাছ থেকে তাদের দেশ সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পেরেছেন মিরাজ। সেটাই তিনি জানিয়ে গেলেন অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার আগে।
শনিবার রাতে কন্ডিশনিং ক্যাম্প করতে মাশরাফি-তামিমদের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশ্যে উড়ে গেছেন মিরাজ। যাওয়ার আগে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমি ওর (ফ্র্যাঙ্কলিন) কাছ থেকে অনেক তথ্য  নিয়েছি। নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশন ওখানে কিভাবে করলে নিজে ভালো কিছু করতে পারবো। ফ্র্যাঙ্কলিন আমাকে সব রকম সহযোগিতা করেছে। টিপস দিয়েছে। ওই কন্ডিশনে কিভাবে মানিয়ে নিতে পারলে ভালো কিছু করতে পারবো।’
বরাবরই নিউজিল্যান্ডের উইকেট পেসারদের সহয়তা করে করে থাকে। তবে পেসারদের স্বর্গে স্পিনাররাও যে ভালো করতে পারেন তা দেখিয়েছেন কিউইদের সাবেক স্পিনার ডেনিয়েল ভেট্টোরি। বিচক্ষণতা দিয়ে বল করতে পারলে সেখানে সাফল্য পেতে পারেন স্পিনাররাও। তাই এবারের বিপিএলে রাজশাহীর হয়ে খেলা সতীর্থ ফ্রাঙ্কলিনের কাছ থেকে টিপস নিয়েছেন মিরাজ।
‘আমি সবসময়ই আলোচনা করেছি ফ্র্যাঙ্কলিনের সাথে। তারপরও আমাদের দলের কোচ আছেন। সিনিয়র ক্রিকেটাররা আছেন। তাদের সঙ্গেও সবসময় আলোচনা করবো অস্ট্রেলিয়া গিয়ে। আশা করি নিজেকে তৈরি করতে পারবো।’
ইংল্যান্ড সিরিজে বল হাতে দারুণ পারফরম্যান্স করেছিলেন মিরাজ। দুই ম্যাচে নিয়েছিলেন ১৯ উইকেট। তবে ব্যাট হাতে কিছুই করতে পারেননি তিনি। অথচ দলের তার পরিচয় ব্যাটিং অলরাউন্ডার। এবার বিপিএলেও ব্যাট হাতে তেমন কিছু করতে পারেননি মিরাজ। তবে আশা করছেন খুব শিগগিরই ব্যাট হাতেও জ্বলে উঠবেন।
‘আসলে আমি ব্যাটিং-বোলিং দুটোই খুব উপভোগ করি। ব্যাটিং-বোলিংয়ে গুরুত্ব সমানভাবে দেই। চেষ্টা করবো। সর্বোচ্চটা দিয়ে ভালো কিছু করার জন্য। আমার নিজের কাছেই খারাপ লাগে যখন ব্যাটিংয়ে রান না করি। যখন রান করি তখন খুব আত্মবিশ্বাসী মনে হয়। সবাই আমার বোলিং দেখেছে। আশা করি ব্যাটিংয়েও চেষ্টা করবো সর্বোচ্চ দেওয়ার জন্য।’

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ