বঙ্গবন্ধুর হত্যাকা-ে মওলানা ভাসানীর সমর্থন: ইতিহাসের নির্মমতা

আপডেট: December 2, 2016, 11:34 pm

ফিকসন ইসলাম



বাংলাদেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীন রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ। ১৯৯৯ সালে এই দলটি তাদের প্রতিষ্ঠার সুবর্ণ জয়ন্তী বা ৫০ বছর উযাপন করেছিল। প্রতিষ্ঠার হিসেবে এখন ৬৮ বছর অতিক্রম করছে এই রাজনৈতিক দলটি। এদেশের যত অর্জন, আন্দোলন সংগ্রাম আর ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে জড়িয়ে আছে দলটির নাম। অসাম্প্রদায়িক আর সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে যুগে যুগে বহু নেতা তৈরি হয়েছেন এই দলে। তৃণমূল পর্যায় থেকে উঠে আসা এসব নেতাদের ধীরে ধীরৈ দল পরিচালনায় অন্তর্ভুক্ত করে যেমন সফল হয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তেমনি প্রতিষ্ঠার পর থেকে যারা এই দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন প্রতিষ্ঠার সাথে সরাসরি জড়িত ছিলেন কিংবা সুযোগে থেকেছিলেন, কোন পদ প্রত্যাশার তারা সময়মত বেঈমানী করেছেনÑ এমন নজিরও কম নেই। বিশেষতঃ যারা এই দেশের সাথে এই দলের সাথে সরাসরি বেঈমানী করেছে। অকৃতজ্ঞ বা কৃতঘœতার পোষাক পড়েছে তাদের মধ্যে সর্বাগ্রে যে নামটি চলে আসে সেটি হচ্ছে খন্দকার মোশতাক। আর অনেকের সম্পর্কে অনেকেরই অজানা। তথ্য রয়ে গেছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে যারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করেছে তাদের মধ্যে যেমন খন্দকার মোশতাক- খুনি মোশতাক আছে, তেমনি আজো অজানা রয়েছে ওই দলের প্রতিষ্ঠাতার নাম।
মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠানা সভাপতি। শুধু তাই নয় তিনি পর পর তিনবার আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৪৯ সালের ২৩-২৪ জুন পুরানো ঢাকার রোজ গার্ডেনে গণতান্ত্রিক কর্মী সম্মেলনের মাধ্যমে জন্ম নিয়েছিলো পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ। পরে ১৯৫৫ সালের তৃতীয় জাতীয় সম্মেলন বা কাউন্সিলের মাধ্যমে সব ধর্ম, বর্ণের প্রতিনিধি হিসেবে দলের নাম থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দিয়ে গঠন করা হয় পূর্বপাকিস্তান আওয়ামী লীগ, ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন মওলানা ভাসানী, সাধারণ সম্পাদক হন শামসুল হক এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন বঙ্গবন্ধুর মুজিবুর রহমান। এর চার বছর পর ১৯৫৩ সালের ৩-৫ জুলাই তারিখে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী পুনরায় সভাপতি এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৫৫ সালের ২১-২৩ অক্টোবরে তৃতীয় জাতীয় সম্মেলনে দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে দলের নাম থেকে একটি বর্ণের নাম বাদ দিয়ে অসাম্প্রদায়িক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটে আওয়ামী লীগের। তৃতীয় জাতীয় সম্মেলনে পুনরায় মওলানা ভাসানী সভাপতি এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান যথাক্রমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৫৭ সালে চতুর্থ সম্মেলনের আগে দলের মধ্যে বিভক্তির পর আওয়ামী লীগ থেকে মওলানা ভাসানী পদত্যাগ করেন এবং ভরপ্রাপ্ত সভাপতি হয়েছিলেন মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীস।
উপরোক্ত ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যাচ্ছে, প্রায় ৯ বছর মাওলানা ভাসানী ঐতিহ্যবাহী ও গৌরবময় রাজনৈতিক দল তথা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকাল থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। অক্টোবর মাসের ২২-২৩ তারিখে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় কাউন্সিল অত্যন্ত আড়ম্বরপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বলা যায়, এমন উৎসবমুখর ও সাজজ্জাকরণ নিয়ে অতীতের কখনোই কাউন্সিল হতে দেখা যায়নি। আওয়ামী লীগের কাউন্সিলকে ঘিরে রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে গ্রাম পর্যন্ত একটা উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা গেছে। আওয়ামী লীগের মূল কাউন্সিল বা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিলো ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী  রেসকোর্স ময়দান) উদ্যানে। যেখন থেকে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এবারের সম্মেলনের মঞ্চটি তৈরি করা হয়েছিলো বিশালাকৃতির। মঞ্চের পেছনের পর্দায় সকল জাতীয় নেতাদের ছবি শোভা পাচ্ছিলোÑ বিশেষত মওলানা ভাসানী থেকে শুরু করে শেরে বাংলা, সোহরাওয়ার্দী, শামসুল হক সহ জাতীয় চার নেতার কাউকেই বাদ দেয়া হয়নি। এই কাউন্সিলে দলের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা ভাসানীর নাম উচ্চারিত হয়েছে। সারা দেশে মাওলানা ভাসানীর অনেক ভক্ত রয়েছেন। নতুন প্রজন্মের অনেকও তাকে জানার ও বোঝার চেষ্টা করছে। এরা সবাই ওই কাউন্সিলে আওয়ামী লীগের ভূমিকার প্রশংসা করেছে।
গত ১৭ নভেম্বর ছিলো মওলানা ভাসানীর ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকী। মওলানা ভাসানী জন্মেছিলেন ১৮৮০ সালে। জীবদ্দশায় প্রায় ষাট বছর ধরে তিনি এই উপমহাদেশের রাজনীতিতে একটা উজ্জ্বল অসাম্প্রদায়িক সামাদ্রাজ্যবাদ বিরোধী এবং বিতর্কিত ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর জীবনের শেষ প্রান্তে এসে তিনি দেশ ও জাতির সাথে চরম বেঈমানী করেছিলেন বঙ্গবন্ধুর হত্যাকা-ের পর। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একদল বিপথগামী সেনাসদ্যদের হাতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাংলাদেশের প্রধান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হয়েছিলেন। পুরো দেশ তখন সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে, কার্ফুজারি করা হয়েছিলো। ওই সময়ে মওলানা ভাসানী যাকে বঙ্গবন্ধু নিজের পিতার মত শ্রদ্ধাই করতেন না- তাঁকে পিতার আসনে বসিয়েছিলেন, হৃদয় দিয়ে ভালবাসতেন, তিনি টাঙ্গাইলের সন্তোষে অবস্থান করছিলেন। টাঙ্গাইল থেকেই তিনি অবৈধ ক্ষমতা আরোহণ ও দখলকারী খুনি মোশতাক আহমদকে জরুরি তারবার্তা (ঞবষবমৎধস) পাঠিয়েছিলেন। দেশবাসী ও পাঠকদের অবহিত ও অবগত করণের জন্য দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত সংবাদটি হুবহু তুলে ধরা হলো।
“সংবাদের শিরোনামে মওলানা ভাসানীর সমর্থন”
“মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী গতকাল (১৫ আগস্ট ১৯৭৫) রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমদের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রতি অভিনন্দন জানান এবং নতুন সরকারের প্রতি তাহার পূর্ণ সমর্থন ঘোষণা করেন।
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) জানান, গতকাল রাষ্ট্রপতির নিকট প্রেরিত এক তারবার্তার মওলানা ভাসানী এই পরিবর্তন কে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ বলিয়া উল্লেখ করেন এবং দেশ হইতে দুর্নীতি-স্বজনপ্রীতি ও অবিচার দূর করার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, নতুন সরকার ও আপনার ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হউক।”
বলা বাহুল্য খুনি খন্দকার মোশতাক এর উপর স্বয়ং সৃষ্টিকর্তার রহমত মাত্র ৮৩ দিন ছিলো। কেবল বঙ্গবন্ধুর হত্যাকা-ের তিনি সমর্থন প্রদান করে ক্ষান্ত হননি, ওই সময়ে প্রতিষ্ঠিত সামরিক সরকারের ছত্রছায়ায় দেশে সামরিক শাসন বহাল থাকা অবস্থায় ফারাক্কা মিছিল করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের অপচেষ্টা চালিয়েছিলেন তিনি।
শুরুতে যা বলছিলাম, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সুদীর্ঘ পথ চলায় যেমন বহু ত্যাগী নেতাকর্মী তৈরি করেছে তেমনি বেঈমানী ও অকৃতজ্ঞ নেতা কর্মীর সংখ্যাও একেবারে কম নয়। যে রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাতা তাঁরই অনুগত দলের সাধারণ সম্পাদকের হত্যাকা-ে সমর্থন দিতে পারেন তিনি বা তার চরিত্র বিশ্লেষণ করার প্রয়োজন পড়ে না। বাঙালির রাজনীতির ধারাবাহিক ইতিহাসে মওলানা আব্দুল হামিদ ভাসানী ছিলেন সবিশেষ উল্লেখযোগ্য এবং আলোচিত ও সমালোচিত ব্যক্তিত্ব। এ দেশের রাজনৈতিক ধারার বাঁকে বাঁকে বিভিন্নভাবে তার উপস্থিতি ছিলো কিন্তু সবই বিতর্কিত। কখনো বা তিনি উৎসমুখে, কখনো লড়েছেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে, আবার কখনো হঠাৎ করে থেমে গেছেন। চলমান আন্দোলন কে বাধাগ্রস্ত করতে কখনো কখনো তিনি এবাউটটার্ন করে আন্দোলনকে ক্ষতিগ্রস্ত করার অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। বিংশ শতাব্দীর যে ক’জন বিরল ব্যক্তিত্ব দেশে ও বিদেশে বিতর্কিত হয়েছেন, একইসাথে নন্দিত ও নিন্দিত হয়েছেন মওলানা ভাসানী তাদের মধ্যে অন্যতম। কী রাজনীতিতে, কী সামাজিক অঙ্গনে, কী ধর্ম বিশ্বাসে সর্বত্রই তাঁকে ঘিরে একটা না একটা বিতর্কের উদ্ভব হয়েছে।
কথায় বলে প্রকৃতি কখনোই কাউকে ক্ষমা করে না, কোন না কোন ভাবে তার প্রতিশোধ নিয়ে নেই। আওয়ামী লীগের সাথে মতাদর্শের অমিল ঘটার কারণে ভাসানী সাহেব আওয়ামী লীগ ত্যাগ করে ১৯৫৯ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি বা ন্যাপ (ঘঅচ) কিন্তু তাঁর জীবদ্দশায়ও তিনি সে দলকে অখ- রাখতে পারেননি। বারংবার মতাদর্শগত ও ব্যক্তিগত লোভলালসার কারণে ন্যাপ দ্বিধা ত্রিধাবিভক্ত হয়েছে। এক সময়ে ন্যাপকে জ্যাকেট বন্দী হতে হয়েছে। মওলানা ভাসানীর ন্যাপ প্রথমে ভেঙ্গে হয় ন্যাপ (ভাসানী) ও ন্যাপ মোজাফফর। এর পরে ভেঙ্গে ভেঙ্গে হয়েছে পঙ্কিজ, মতিয়া…। প্রকৃতিগত কারণে মওলানা ভাসানী প্রতিষ্ঠিত ন্যাপ কখনোই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসতে পারেনি। ইতিহাসের সবচেয়ে বড় নির্মমতা হচ্ছে যে সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে তিনি সংগ্রাম লড়াই করেছেন, সেই সামরিক জান্তার নেতৃত্বে গঠিত রাজনৈতিক দলে তাঁর নীতি আদর্শ সংগ্রাম আন্দোলন বিলীন হয়ে গেছে। ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর সামরিক ছাউনীতে জন্ম নেয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি নামক দলটির। মওলানা ভাসানীর প্রতিষ্ঠিত দল ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি বা ন্যাপ যার নির্বাচনী প্রতীক ছিলো ধানের শীষ। সেই প্রতীকও তুলে দেয়া হয় বিএনপিকে। অবশ্য এই প্রতীক ছিনতাই হয়েছিলো ১৯৭৬ সালে ভাসানীর মৃত্যুর পর। সামরিক স্বৈরশাসক তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালে গঠন করেন জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট যা “জাগদল” নামে। তিনি ১৯৭৮ সালের ৩ জুন অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ন্যাপ এর রাজনৈতিক প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করেছিলেন। ওই সময়ে আওয়ামী লীগ অনেক টানাপোড়নের মাঝেও গণতান্ত্রিক ঐক্যজোট বা ‘গজ’ নামে রাজনৈতিক জোট গঠন করে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করলেও সামরিক শাসনের কারণে ব্যাপক কারচুপির মাধ্যমে পরাজিত হয়েছিলেন গজ এর প্রার্থী জেনারেল এমএজি ওসমানী। সেই বিতর্কিত নির্বাচনে রাষ্ট্রপতি পদে থেকে নির্বাচন করেন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান।
ইতিহাস বড়ই নির্মম এবং বাস্তব, কাউকেই ইতিহাস ক্ষমা করে না। ক্ষমা করেনি মওলানা ভাসানীকে। জাতির জনকের হত্যাকা-ে তিন যেন খুশি হয়েছিলেন এবং আবেগ ধরে রাখতে পারেন নি বলেই অবৈধ রাষ্ট্রপতি খুনি মোশতাককে সমর্থন শুধু নয় অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। সেই মওলানা ভাসানী ক্রমাগতভাবে ইতিহাস থেকে হারিয়ে যাচেছন। যারা মওলানা ভাসানীর দলীয় নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে দেশের একটি বৃহত্তম রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে। ৪ বার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলো- সেই বিএনপির পক্ষ থেকেও মওলানা ভাসানীকে সেভাবে স্মরণ করে না। তাঁর জন্ম বা মৃত্যু বার্ষিকীতে কোন স্মরণ সভা বা অনুষ্ঠান করে না। অথচ  আওয়ামী লীগ কেন মওলানা ভাসানীকে শ্রদ্ধা বা সম্মান জানায় না সে সমালোচনায় মুখর থাকে।
পাদটিকা : ১৯৪৯ সালে যার হাত ধরে আওয়ামী লীগের জন্ম হলো আদর্শগত ও বিতর্কিত ভূমিকার কারণে সেই মওলানা ভাসানী ছিটকে পড়লো। তাঁর তৈরি করা ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির আজ কোথাও অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায় না। অথচ আওয়ামী লীগের অগ্রযাত্রা অব্যাহত আছে। কৌশলগত কারণে কখনো বা হোঁচট খেয়েছে, আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধাবোধ কিন্তু এতটুকু কমেনি মওলানা ভাসানীর ওপর তার প্রমাণ রেখেছে ২০তম জাতীয় সম্মেলনে। এখন ইতিহাসই সাক্ষি দিবে মওলানা ভাসানীর আসল চরিত্র কী?
লেখক: প্রকৌশলী