বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ : প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য

আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০১৯, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ণ

গোলাম সারোয়ার


জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ আমাদের জাতীয় জীবনের এক অসামন্য প্রামাণ্য দলিল। এ ভাষইটি আমাদের মহান স্বাধীনতার একটি পূর্ণাঙ্গ দিক নির্দেশনা। এই ভাষণটি আমাদের জাতীয় দর্শন। সাহিত্যিকদের ভাষায় এ ভাষণটি মহান স্বাধীনতার মহাকাব্য, ঐতিহাসিকদের ভাষায় এ ভাষণটি একটি প্রামাণ্য দলিল। এ ভাষণটিতে দীর্ঘ ২৪ বছরের শোষণ, নির্যাতন, বঞ্চনা-লাঞ্ছনা, অধিকারহীনতার চিত্র ফুটে উঠেছিল। ভাষণটিতে তীব্রভাবে ফুটে উঠেছিল মুক্তির আকাক্সক্ষা। ভাষণটিতে একটি শোষণমুক্ত অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিবরণ ছিল। এ ভাষণের মূল বিষয়ই স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে ঠাঁই পেয়েছিল। ৭ মার্চের ভাষণটি সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল একটি মহান মন্ত্রে যার নাম স্বাধীনতাÑ একটি জাতিকে কিভাবে স্বাধীনতা আদায়ে উজ্জীবিত করতে হয় বঙ্গবন্ধু ও তার ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ একটি জলন্ত প্রমাণ।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
ভাষণটির প্রেক্ষাপট একদিনে তৈরি হয় নি। এ ভাষণের পিছনে রয়েছে দীর্ঘ ২৩ বছরে করুণ ইতিহাস। রয়েছে অধিকার না পাওয়ার ইতিহাস। রয়েছে লাঞ্ছনা, নির্যাতন, শোষণের ইতিহাস। রয়েছে মাতৃভাষার জন্য জীবন দেওয়ার ইতিহাস। রয়েছে রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার ইতিহাস। দীর্ঘদিনের ইতিহাসই এ ভাষণটির প্রেক্ষাপট তৈরি করেছে।
১৯৪৭ সালে এ দেশের মানুষ আশায় বুক বেঁধেছিল স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক পরিবেশে বেঁচে থাকার। দীর্ঘ ২৩ বছরেও এ আশা পূরণ হয় নি। বরং সামান্য অধিকারটুকুও ক্ষুণ্ন হয়েছে। প্রথমেই আঘাত আসে মাতৃভাষার ওপর। পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠী সারাজীবন শোষণ করার লক্ষ্যে এ দেশের মানুষের মাতৃভাষা কেড়ে নিতে চেয়েছিল। বাঙালিরা তাদের বুকের তাজা রক্ত দিয়ে প্রতিহত করেছিল। ১৯৫৪ সালে প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে জয়লাভ করেও ক্ষমতার মসনদে বাঙালিদের বসতে দেওয়া হয়নি। কিছুদিনের মাথায় সম্পূর্ণ অনৈতিক ও অবৈধভাবে ভেঙ্গে দেওয়া হয় প্রাদেশিক সরকার। ১৯৫৭ সালে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে সামরিক জান্তা আইয়ুব খান। সংবিধান বাতিল করে রাজনীতি নিষিদ্ধ করে চালাতে থাকেন নিজের কর্তৃত্ব। তৈরি করেন কৃত্রিম ও হাস্যকর “মৌলিক গণতন্ত্র”। বাঙালিদের সব সময় ধাবিয়ে রেখেছেন এবং রেখেছেন অনিরাপদে, অরক্ষিত অবস্থায়। প্রতিবেশি দেশ ভারতের সাথে যুদ্ধ বাধলে বাঙালি সৈনিকরা পাকিস্তানকে জয়ী করে কিন্তু পূর্ব বাংলা ছিল সম্পূর্ণ অরক্ষিত। ইচ্ছে করলে ভারত এ বাংলা মুহূর্তেই জয় করতে পারত। এ অবস্থা দেখে বাঙালি জাতির মহান স্বপ্নদ্রষ্টা শেখ মুজিব তৈরি করেছিলেন ঐতিহাসিক ৬ দফা। যাতে প্রাদেশিক স্বায়ত্ত্বশাসন ছিল ১ নম্বর দাবি। কিন্তু সে দাবিকে পাকিস্তান শাসনগোষ্ঠী বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়েছে। ১৯৬৮ সালে মহান নেতা বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা করা হয়। শাসক গোষ্ঠীর টার্গেট ছিল শেখ মুজিবকে চিরতরে শেষ করে দেওয়া। কিন্তু জনগণের তীব্র প্রতিবাদের মুখে তা করতে পারেনি জুলুমবাজ শাসকগোষ্ঠী। ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় সরকার। পরের দিন শেখ মুজিব হলেন জনগণের মহান নেতা, পেলেন বঙ্গবন্ধু উপাধি। ১৯৫৯ সালে গণঅভ্যূত্থানের মুখে আইয়ুবের পতন হলেও ক্ষমতার পালাবদল হয় আরেক সামরিক জান্তা জেনারেল ইয়াহিয়ার কাছে। ছদ্মবেশি ইয়াহিয়া পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিলেন। ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হল। বাঙালিরা ভোটের মাধ্যমে প্রতিশোধ নিল হানাদারদের বিরুদ্ধে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করল। শেখ মুজিব পাকিস্তানের ভাবী প্রধানমন্ত্রী। শুরু হল আরেক টালবাহানা। পাকিস্তানিরা কৌশলে বাঙালিদের ক্ষমতার বাইরে রাখতে চায়। সাধারণ পরিষদের অধিবেশন ডাকতে বিলম্ব করতে লাগল।
১৯৭১ সালের ১ মার্চ জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খানের। কিন্তু ইয়াহিয়া খানের পরিবর্তে অন্যজন এসে ঘোষণা করল- রাষ্ট্রপতি ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত অধিবেশন স্থগিত করা হলো। এ সংবাদ শুনে বাংলার জনগণ ক্ষোভে ফেটে পড়ল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব এ ঘোষণার প্রতিবাদে ২ মার্চ ঢাকায় ও ৩ মার্চ সারা দেশব্যাপী হরতালের ডাক দিলেন। ৩ মার্চ ছাত্রলীগ ও শ্রমিক লীগের একটি সভায় বঙ্গবন্ধু পল্টন ময়দানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবেগতাড়িত হয়ে বলেন “আমি থাকি আর না থাকি বাংলার স্বাধিকার আন্দোলন যেন থেমে না থাকে। পরবর্তীতে তিনি ৭ মার্চ এক মহাসমাবেশের ঘোষণা দেন। এ দিকে দেশে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে চলতে তাকে অসহযোগ আন্দোলন। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশেই চলছিল সব কিছু। ৬ মার্চ ইয়াহিয়া খান বঙ্গবন্ধুকে টেলিফোন করে বলেন, ৭ মার্চ সমাবেশ স্থগিত করতে। ১৫ মার্চ তিনি (ইয়াহিয়া) অধিবেশন ডাকার কথা বলেছিলেন। বঙ্গবন্ধু ইয়াহিয়ার প্রলোভনে কান দেন নি। ৭ মার্চ অনুষ্ঠিত হল সেই ঐতিহাসিক সমাবেশ। বঙ্গবন্ধুর কন্ঠ থেকে বের হল জাতির পূর্ণাঙ্গ দিক নির্দেশনা। বঙ্গবন্ধু ছিলেন একজন দূরদৃষ্টিসম্পূন্ন নেতা। জাতি তার কাছে ঠিক যা প্রত্যাশা করছিল তিনি তাই জাতির কাছে উপস্থাপন করলেন। ৭ মার্চে রেসকোর্স ময়দানে ১০ লক্ষাধিক জনতার সামনের প্রায় ১৮ মিনিট (২৪৫-৩.০৩) পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু রচনা করলেন এক মহাকাব্য। ভাষণটির তাৎপর্য
ভাষণটির তাৎপর্য বলে শেষ করা যাবে না। প্রকৃতপক্ষে এটি বাংলাদেশের মুক্তির অন্যতম সনদ। এ ভাষণের মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়েছিল পুরো জাতি। স্বাধীনতার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়েছিল এ ভাষণের মাধ্যমে। এ ভাষণটি একটি পূর্ণাঙ্গ দিক নির্দেশনাও বটে। এ ভাষণের মধ্যে প্রাথমিকভাবে কয়েকটি বিষয় উঠে আসে। যেমনÑ
i) সামগ্রিক পরিস্থিতি
ii) পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনীতিকদের ভূমিকা
iii) সামরিক আইন প্রত্যাহারের দাবি
iv) অত্যাচার ও সামরিক আগ্রাসন মোকাবেলার জন্য ঐক্যবন্ধ হওয়ার আহ্বান
v) দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত লাগাতার অসহযোগ আন্দোলন
vi) বাঙালিকে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করা।
ভাষণটির ঐতিহাসিক গুরুত্বের জন্য UNESCO ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
UNESCO তার ওয়েভপেজে এ ভাষণ সম্পর্কে যা মন্তব্য করেছে তার নিম্নরপÑ
“The speech effectively declared the independence of Bangladesh. The speech constitutes a faithful documentation of how the failure of Post-Colonia nation-status to develop inclusive, democratic society alienates their population belonging to different ethnic, cultural, linguistic and religious groups. The speech was extempore and there was no written script.”
অর্থাৎ টঘঊঝঈঙ এর ভাষ্যমতে ৭ মার্চের ভাষণটি কার্যকরভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাকেই বুঝায়। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণে আমাদের সংবিধানের চারটি মূলনীতি খুঁজে পাওয়া যায়। সংবিধানের মূলনীতি হলোÑ
i) জাতীয়তাবাদ
ii) সমাজতন্ত্র
iii) গণতন্ত্র
iv) ধর্মনিরপেক্ষতা
বঙ্গবন্ধুর ভাষণে খুব স্পষ্টভাবে বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিষয়টি ফুটে উঠেছে। যেমন তিনি ভাষণে বলেছেন-
“দুঃখের বিষয় আর দুঃখের সাথে বলতে হয় তেইশ বৎসরের করুণ ইতিহাস, বাংলার মানুষের রক্তের ইতিহাস, তেইশ বৎসরের ইতিহাস মুমূর্ষু নরনারীর আর্তনাদের ইতিহাস, বাংলার ইতিহাস এদেশের মানুষের রক্ত দিয়ে রাজপথ রঞ্জিত করার ইতিহাস।”
বঙ্গবন্ধু তার ভাষণে সমাজতন্ত্রের স্বাক্ষর রেখেছেন। সমাজতন্ত্রকে তত্ত্বের বেড়াজাল থেকে বের করে অনেকটা প্রায়োগিক আকারে উপস্থাপন করেছেন। এটা বঙ্গবন্ধুর এক স্বতন্ত্র অর্থনৈতিক দর্শন। তিনি একটি শোষণমুক্ত সমাজ গঠনের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। যেমন তিনি ভাষণে বলেন-
“গরিবের যাতে কষ্ট না হয়, যাতে আমার মানুষ কষ্ট না করে, সে জন্য সমস্ত অন্যান্য জিনিস যা আছে সেগুলির হরতাল কাল থেকে চলবে না। রিকশা, গরুর গাড়ি চলবে, রেল চলবে, লঞ্চ চলবে।”
তিনি আরও বলেছেন-
“এই সাতদিন হরতালে যে সমস্ত শ্রমিক ভাইরা যোগদান করেছেন, প্রত্যেকটা শিল্পের মালিক তাদের বেতন পৌছাইয়া দেবেন।”
এটি বঙ্গবন্ধুর সাম্যবাদী চেতনারই দর্শন।
৭ মার্চের ভাষণের অন্যতম মূল ভাষ্য ছিল গণতন্ত্র। বঙ্গবন্ধু সারাজীবন গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছেন। এ ভাষণের মধ্যে “গণতন্ত্রের” চেতনা পাওয়া যায়। তিনি ভাষণে উল্লেখ করেন-
“আমরা বলেছিলাম, ঠিক আছে আমরা অ্যাসেম্বলিতে বসবো। আমি বললাম অ্যাসেম্বলির মধ্যে আলোচনা করব, এমনকি আমি এ পর্যন্ত বললাম যদি কেউ ন্যায্য কথা বলে, আমরা সংখ্যায় বেশি হলেও, একজন যদি সে হয়, তার ন্যায্য কথা আমরা মেনে নেব।”
এতে বঙ্গবন্ধুর প্রকৃত গণতান্ত্রিক দর্শনের পরিচয় মেলে।
বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণে ধর্ম নিরপেক্ষতাও অসাম্প্রদায়িকতার পরিচয় দিয়েছেন। তিনি ভাষণে বলেন,
“এই বাংলায় হিন্দু, মুসলমান বাঙ্গালি অবাঙ্গালি যারা আছে তারা আমাদের ভাই। তাদের রক্ষার দায়িত্ব আপনাদের ওপরে। আমাদের যেন বদনাম না হয়।”
দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতা বঙ্গবন্ধু বুঝতে পেরেছিলেন কোনো এক গোষ্ঠী সাম্প্রদায়িকতাকে উসকে দিতে পারে, আত্মকলহ তৈরিসহ ধর্মীয় অনুভূতি নিয়ে খেলা করতে পারে। বঙ্গবন্ধুর ধারণা বৃথা যায় নি। জামায়াত ইসলাম, মুসলিম লীগসহ বেশ কয়েকটি ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক দল মহান মুক্তিযুদ্ধে মাতৃভূমির বিরোধিতা করে। তবে তাদের পরিমাণ ছিল কম। সমগ্র বাঙালি জাতি তাদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করেছে।
আগেই বলা হয়েছে ৬ মার্চ ইয়াহিয়া খান বঙ্গবন্ধুকে ৭ মার্চের ভাষণ স্থগিত রাখতে বলেছিলেন। ইয়াহিয়া ২৫ মার্চ অধিবেশনের কথা বলেছিলেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধু বুঝেছিলেন এটা সমাবেশ পণ্ড করার পায়তারা। তাই বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণে ইয়াহিয়াকে ৪টি শর্ত আরোপ করেন। যা বাঙালির ন্যায্য দাবিও ছিল বটে। এগুলো হলো-
i) সামরিক আইন (মার্শাল ল) তুলে নিতে হবে।
ii) সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফেরত যেতে হবে।
iii) যেভাবে হত্যা করা হয়েছে তার তদন্ত করতে হবে।
iv) জনগণের প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।
এগুলো মূলত জনগণের প্রাণের দাবিই ছিল।
সর্বোপরি এ ভাষণের মাধ্যমে একদিকে যেমন জনগণের প্রাণের আকাক্সক্ষা ফুটে উঠেছে তেমনি ফুটে উঠেছে মহান মুক্তিযুদ্ধের একটি পূর্ণাঙ্গ দিক নির্দেশনা। ৭ মার্চের ভাষণের প্রতিক্রিয়া-
এ ভাষণটির তাৎপর্য অনেক তা আগেই বলা হয়েছে। এ ভাষণের মাধ্যমে সারা জাতি ঐক্যবদ্ধ হতে পেরেছিল। UNESCO এ ভাষণকে স্বীকৃতি দিতে কোন ভুল করেনি। ২০১৭ সালে বিশ্ব ঐতিহ্যের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দান করে। বিশিষ্টজনেরা ৭ মার্চের তাৎপর্য সম্পর্কে তাদের মতামত ব্যক্ত করেছেন। যেমন বিশিষ্ট গবেষক অধ্যাপক জাফর ইকবাল বলেন,
“৭ মার্চের ভাষণ একটি মহাকাব্য” (NTV ১৮ মার্চ ২০১৮)
বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ বলেন,
“৭ মার্চের ভাষণই সংবিধানের মূলমন্ত্র” (ETV ৭ মার্চ ২০১৮)
বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ড. হারুন অর রশীদ বলেন,
“বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ একটি জাতি-জনগোষ্ঠীর মুক্তির কালজয়ী সৃষ্টি, এক মহাকাব্য। [বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ কেন আজ বিশ্বস্বীকৃত, যুগান্তর, ১৮ নভেম্বর ২০১৮]
অবশেষে আমরা বলতে পারি বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণটি আমাদের মুক্তির এক মহামন্ত্র ও মহাকাব্য।
লেখক: সমাজকর্ম বিভাগ (চতুর্থ বর্ষ), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়