বঙ্গবন্ধু টানেলের টোল আদায় করবে চিনা প্রতিষ্ঠান

আপডেট: মে ১৮, ২০২২, ৭:২২ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক:


চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতে নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল রক্ষণাবেক্ষণ ও টোল আদায় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে চায়না কমিউনিকেশনস কন্সট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডকে নিয়োগের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা কমিটি।

বুধবার (১৮ মে) দুপুরে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে (ভার্চুয়ালি) অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জিল্লুর রহমান চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদনের জন্য তিনটি ও ক্রয়সংক্রান্ত কমিটির অনুমোদনের জন্য (টেবিলে দুটিসহ) মোট নয়টি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।

‘ক্রয় সংক্রান্ত প্রস্তাবনাগুলোর মধ্যে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের তিনটি, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের দুটি, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের একটি, কৃষি মন্ত্রণালয়ের একটি, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের একটি এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের একটি প্রস্তাবনা ছিল।’

‘ক্রয় সংক্রান্ত কমিটির অনুমোদিত আটটি প্রস্তাবে মোট অর্থের পরিমাণ ২ হাজার ৪১০ কোটি ৬১ লাখ ২৫ হাজার ২৩৫ টাকা। মোট অর্থায়নের সবই জিওবি (বাংলাদেশ সরকার) থেকে ব্যয় করা হবে।’

জিল্লুর রহমান আরও জানান, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীন সেতু বিভাগ কর্তৃক চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতে নির্মাণাধীন ৩ দশমিক ৩২ কি.মি. দীর্ঘ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল রক্ষণাবেক্ষণ ও টোল আদায় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে চায়না কমিউনিকেশনস কন্সট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডকে (সিসিসিসি) নিয়োগের প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

‘এছাড়া পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বিডব্লিউডিবি) কর্তৃক ঢাকা জেলার দোহার উপজেলাধীন মাঝিরচর থেকে নারিশাবাজার হয়ে মোকসেদপুর পর্যন্ত পদ্মা নদী ড্রেজিং ও বাম তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় পদ্মা নদীর ডান তীরে ৬ কি.মি. স্থায়ী প্রতিরক্ষা ও ২৪ কি.মি. নদী ড্রেজিংয়ের পূর্ত কাজ অর্পিত ক্রয়কার্য (উবষবমধঃবফ চৎড়পঁৎবসবহঃ) অনুসরণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বাস্তবায়নের প্রস্তাব বাতিল করা হয়েছে।’

এছাড়া পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন বিডব্লিউডিবি কর্তৃক কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলায় নির্মিতব্য মিঠামইন সেনা স্থাপনার ভূমি সমতল উঁচুকরণ, ওয়েভ প্রটেকশন ও তীর প্রতিরক্ষা প্রকল্পের আওতায় ভূমি সমতল উঁচুকরণ (১২৩ হেক্টর), নদীর তীর প্রতিরক্ষা (এক দশমিক ৮৫ কি.মি.), ওয়েভ প্রটেকশনের কাজ (৪ দশমিক ১০ কি.মি.), পেরিফেরাল ডাইক নির্মাণ (৪ দশমিক ১০ কি.মি.), মিঠামইন উপ-বিভাগীয় দপ্তর একটি, ব্যারাক একটি এবং নদীতীরে দুটি আরসিসি ঘাট নির্মাণের পূর্ত কাজ অর্পিত ক্রয় কার্য অনুসরণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বাস্তবায়নের প্রস্তাব বাতিল করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র: জাগোনিউজ