বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে রাজশাহীর বিরুদ্ধে ঢাকার জয়

আপডেট: December 4, 2020, 9:51 pm

সোনার দেশ ডেস্ক:


ব্যাটিংয়ে ঢাকার ইয়াসির আলী ও আকবর আলী

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে শুরুটা একদমই ভালো হয়নি বেক্সিমকো ঢাকার। তবে শেষ দুটি ম্যাচ জিতে শক্তভাবেই ফিরে এসেছে মুশফিকের দল। আগের ম্যাচে বরিশালকে ৭ উইকেট হারানো ঢাকা শুক্রবার (০৪ ডিসেম্বর) জিতেছে মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীর বিপক্ষেও। ঢাকার ১৭৫ রান তাড়া করতে নেমে ১৯.১ ওভারে ১৫০ রানে থামে রাজশাহী। ২৫ রানের জয়ে ৫ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার চারে উঠে এসেছে ঢাকা।
এমন জয়ের পেছনে তিন ‘আলী’ রেখেছেন বড় ভূমিকা। ব্যাটিংয়ে আকবর আলী (৩৭), ইয়াসির আলী (৬৭) এবং বোলিংয়ে মুক্তার আলীর ৪ উইকেট ঢাকাকে ম্যাচ জিতিয়েছে। শুক্রবার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়াম আগে ব্যাটিং করে ঢাকা ১৭৫ রানের বড় স্কোর পায়। কঠিন লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে রাজশাহী। তবে ১৫ রানে শুরুর তিন ব্যাটসম্যানকে হারানো রাজশাহীর চোখে জয়ের স্বপ্ন একটু হলেও ফিরিয়ে এনেছিলেন রনি তালুকদার ও ফজলে মাহমুদ। তবে তারা আউট হতেই সেই স্বপ্ন ফিকে হতে সময় লাগেনি বেশি। চতুর্থ উইকেটে ফজলে মাহমুদ ও রনি তালুকদার মিলে স্কোরবোর্ডে জমা করেন ৬৭ রান। রনি ২৪ বল খেলে ১ চার ও ৩ ছক্কায় নিজের নামের পাশে যোগ করেন ৪০ রান। তার বিদায়ের পর ফজলে মাহমুদ আক্রমণ চালিয়ে যেতে থাকেন। তবে অন্যপ্রান্তের ব্যাটসম্যানের ওপর চাপ বাড়তে থাকে। সেই চাপেই শেষ পর্যন্ত ৫৮ রান করে আউট হন মাহমুদ। ৪০ বল থেকে মাহমুদ তার ইনিংসটি সাজিয়েছেন ৫ চার ও ৩ ছক্কায়। তার আউটের পর রাজশাহীর পরাজয়টা সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। অবশ্য ফরহাদ রেজা এক ওভারে দুটি ছক্কা মেরে একবার আলোর ঝলকানি দেখিয়েছিলেন। তবে ৪ বলে ১৪ রান করে বিদায় নিলে সেই আলোটাও নিভে যায় দপ করে। শেষ পর্যন্ত ৫ বল বাকি থাকতে ১৫০ রানে অলআউট হয় নাজমুলের দল।
ঢাকার বোলারদের মধ্যে ৩৭ রান খরচায় ৪ উইকেট নেন মুক্তার আলী। শফিকুল ইসলাম ৩১ রানের বিনিময়ে নেন ৩ উইকেট। রুবেল হোসেন ১৫ রানে ২টি এবং রবিউল ইসলাম ১৭ রানে নেন ১ উইকেট। এর আগে টসে হেরে আগে ব্যাটিং করা ঢাকা ২০ ওভারে ১৭৫ রান করে ৫ উইকেটে। শুরুটা অবশ্য একদমই ভালো ছিল না মুশফিকের দলের। গতকালও দলের টপ অর্ডারে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছে ঢাকার ম্যানেজমেন্ট। ওপেনিংয়ে নাঈম শেখের সঙ্গে নামানো হয় নাঈম হাসানকে। দুজনই ব্যর্থ হয়েছেন। প্রথম ওভারে ব্যক্তিগত ১ রানে মেহেদী হাসানের শিকার হন নাঈম হাসান । নাঈম শেখে ১৯ বল খেলে করেছেন মাত্র ৯ রান। এরপর অধিনায়ক মুশফিক দলের ইনিংস গড়তে ছোট ছোট জুটি গড়েন। দলীয় ৬৪ রানে মুশফিকের আউটের পর বড় স্কোর হওয়া নিয়ে শঙ্কা জন্মেছিল ঢাকার। কিন্তু ইয়াসির আলী ও আকবর আলীর চওড়া ব্যাটে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ করে ঢাকা। ৩৯ বলে ৯ চার ও ১ ছক্কায় ইয়াসির আলী ৬৭ রানের ইনিংস খেলেছেন। অন্যদিকে আকবর আলী ২৩ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৪৫ রানে অপরাজিত থাকেন।
রাজশাহীর বোলারদের মধ্যে ৩৮ রানে দুই উইকেট নিয়ে সবচেয়ে সফল মুকিদুল। এছাড়া আরাফাত সানি, মেহেদী হাসান ও ফরহাদ রেজা একটি করে উইকেট নিয়েছেন।-বাংলা ট্রিবিউন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ