বঙ্গবন্ধু শুধু একজন ব্যক্তিই নন, এক মহান আদর্শের নাম : রামেবি উপাচার্য

আপডেট: আগস্ট ১৫, ২০২২, ২:৩২ অপরাহ্ণ


সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:


রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (রামেবি) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এ.জেড.এম মোস্তাক হোসেন বলেছেন, স্বাধীনতার স্থপতি, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে সংঘটিত হয়েছিলো ইতিহাসের এক কলঙ্কিত অধ্যায়।

৪৭ বছর আগে এই দিনে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করেছিল ক্ষমতালোভী নরপিশাচ কুচক্রী মহল। স্বাধীনতা বিরোধী ষড়যন্ত্রকারীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে ঘাতক চক্রের নির্মম বুলেটের আঘাতে ধানমন্ডির নিজ বাসভবনে শাহাদতবরণ করেন বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

একই সাথে শহীদ হন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব, পুত্র শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশুপুত্র শেখ রাসেলসহ অনেক নিকটাত্মীয়। বঙ্গবন্ধুকে দৈহিকভাবে হত্যা করা হলেও তার মৃত্যু নেই, তিনি চিরঞ্জীব। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, বাঙালি জাতি থাকবে ততদিন তিনি অমর হয়ে থাকবেন। তিনি শুধু একজন ব্যক্তিই নন, এক মহান আদর্শের নাম। যে আদর্শের কোনো মৃত্যু নেই।

সোমবার (১৫ আগষ্ট) সকালে রামেবির কনফারেন্স রুমে জাতীয় শোক দিবস ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এ.জেড.এম মোস্তাক হোসেন আরও বলেন, ঘাতকচক্র জাতির পিতাকে হত্যা করলেও তাঁর নীতি ও আদর্শকে মুছে ফেলতে পারেনি। বঙ্গবন্ধু এ দেশের লাখো-কোটি বাঙালিরই শুধু নয়, বিশ্বব্যাপী স্বাধীনতাকামী মানুষের জন্যও প্রেরণার চিরন্তন উৎস হয়ে থাকবেন। আমরা

এই শোকাবহ দিনে জাতির জনকের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। একইসঙ্গে সেদিন কালরাতে শহীদ সকলের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষ্যে রামেবি’র কর্ম

সূচিতে ছিল সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত ও কালো পতাকা উত্তোলন, সকাল সাড়ে ৮টায় জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে সামাজিক দুরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং মোনাজাত করা হয়। এরপর সকাল ১০ টায় জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় মূখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা

.মো: আব্দুল মান্নান। আরো বক্তব্য দেন রামেবির কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. রুস্তম আলী আহমেদ, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মোহা. আনোয়ারুল কাদের, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ডা. মো: আনোয়ার হাবিব, কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন, সহকারী-রেজিস্ট্রার(চ.দা) মো: রাসেদুল ইসলাম ।

এ সময় রামেবি’র উপাচার্য মহোদয়ের একান্ত সচিব (ভারপ্রাপ্ত) মো. ইসমাঈল হোসেন, উপ-রেজিস্ট্রার ডা.মো: আমিন আহমেদ খান, উপ-পরিচালক (অ.হি) মো. আখতার হোসেন, পরিচালক (প.উ.) প্রকৌশলী সিরাজুম মুনীর, উপ-পরিচালক (প.উ.)

এস.এম.ওবায়দুল ইসলাম, সহকারী কলেজ পরিদর্শক(চ.দা) মো. নাজমুল হোসাইন, সহকারী পরিচালক (অ.হি.) মো. মফিজ উদ্দিন, সহকারী পরিচালক(প.উ.) মো. আবুল আশরাফ, সহকারী-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ডা. মো. আমীর হোসেন, কবির আহমেদ, মো. মেহেদী মাসুদ সানি,মো: আসাদুর রহমান, মো. গোলাম রহমান, মোসা: সিমা আক্তার,

মোসা: সানজিদা হান্নœান, মো: আশরাফুল ইসলাম, মো: শামীম হোসেন, মো: আব্দুস সোবহান, মো: মেহেদী হাসানসহ রামেবি’র সকল কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ