বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব : মহীয়সী প্রেরণাদাত্রী

আপডেট: আগস্ট ৮, ২০২০, ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ

ড. মো. হাসিবুল আলম প্রধান


স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি ও বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক নেপথ্যচারিণী ও প্রেরণাদায়িনী মহীয়সী নারী। ১৯৩০ সালের ৮ আগস্ট বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছার জন্ম গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া গ্রামে। তাঁর ডাক নাম রেণু। পিতা শেখ জহুরুল হক চাকরি সূত্রে যশোর থাকায় দাদা শেখ কাশেমের ছোট সংসারে মা ও বড়ো বোনের স্নেহ-ছায়ায় তিনি বেড়ে উঠতে থাকেন। মাত্র তিন বছর বয়সেই ফজিলাতুন্নেছা পিতৃহারা হন। তখন পিতামহ শেখ কাশেমের একান্ত আগ্রহে নিজ আত্মীয়ের মধ্যে শেখ লুৎফর রহমানের পুত্র শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। ফজিলাতুন্নেছার বয়স যখন মাত্র পাঁচ বছর তখন তিনি মাতৃহারা হন। এরপর শাশুড়ি সায়েরা খাতুন তাঁকে কোলে তুলে নিলে স্বামী শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারেই তিনি বড় হয়ে উঠেন। ছোটবেলা থেকেই রেণুর পড়াশোনার প্রতি অত্যন্ত আগ্রহ ছিল। শৈশবেই গোপালগঞ্জ মিশনারি স্কুলে ভর্তি করে দেওয়া হলো তাঁকে। কিন্তু স্কুলে নিয়মিত পড়ালেখা করা সুযোগ বেশি দিন তিনি পেলেন না। তখনকার দিনে বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে গোপালগঞ্জের মতো জায়গায় মুসলিম পরিবারে পড়াশোনার তেমন চল ছিল না। তবে পরবর্তীতে টুঙ্গিপাড়ায় গৃহশিক্ষক রেখে ঘরে বসেই পড়াশোনার ব্যবস্থা করা হয়। ছোটবেলা থেকেই তিনি কৌতুহলী ও পড়ুয়া স্বভাবের ছিলেন, আর স্মৃতিশক্তি অত্যন্ত প্রখর ছিল।
অত্যন্ত শান্ত স্বভাবের শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব স্বশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার কারণে এবং খুব অল্প বয়স থেকে রাজনীতির সাথে স্বামীর গভীর সাহচর্য দেখতে পাওয়ায় একজন রাজনৈতিক সচেতন আদর্শ বাঙালি নারীর চিরায়ত রূপ ধরা পড়ে কিশোর বয়স থেকেই। তাই পরবর্তী সময়ে অসীম ধৈর্য ও সাহস নিয়ে জীবনে যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করতেন। নিজের সুখ আর চাহিদাকে স্বামীর রাজনৈতিক আদর্শের জন্য জলাঞ্জলি দিয়ে নীরবে তিনি স্বামীর রাজনৈতিক সহযোদ্ধা হয়ে স্বামীর রাজনৈতিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সর্বান্তকরণে সহযোগিতা করেছেন। এমন কী ছাত্ররাজনীতি করতে গিয়ে যখনই বঙ্গবন্ধুর অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হতো তখনই পিতৃসম্পত্তি থেকে অর্জিত অর্থ বিনা দ্বিধায় প্রেরণ করতেন। বঙ্গবন্ধুর নিজের লেখা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’তেও সংসার জীবনের বর্ণনায় বিশেষ করে বার বার তাঁর পিতা শেখ লুৎফর রহমান ও স্ত্রী শেখ ফজিলাতুন্নেছা ওরফে রেণুর নাম উঠে এসেছে। এ দুজন তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে শুধু সমর্থনই করতেন না, বরং কষ্ট করে টাকা জমিয়ে রাজনীতি করার জন্য অর্থ সাহায্য করতেন। বঙ্গবন্ধু তাঁর স্ত্রী সম্পর্কে প্রায়ই এভাবে বলতেন ‘রেণু খুবই কষ্ট করতো, কিন্তু কখনও কিছু বলতো না। নিজে কষ্ট করে আমার জন্য টাকা পয়সা জোগাড় করে রাখত যাতে আমার কষ্ট না হয়।’
বঙ্গমাতার স্মরণশক্তি অত্যন্ত প্রখর ছিল। আন্দোলন চলাকালীন প্রতিটি ঘটনা জেলখানায় সাক্ষাৎকারের সময় বঙ্গবন্ধুকে জানাতেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও নির্দেশ নিয়ে আসতেন। আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দকেও সেই নির্দেশ জানাতেন। আত্মীয়স্বজন ও দলীয় কর্মীদের সুখ-দুঃখের সাথী ছিলেন তিনি। রাজনৈতিক জীবনে অনেক জটিল পরিস্থিতিতে স্বামীর পাশে থেকে সৎ পরামর্শ দিতেন এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহযোগিতা করতেন। বঙ্গবন্ধু তাঁর সঙ্গে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা করতেন। বঙ্গবন্ধু তাঁর রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে প্রায় ১২ বছর জেলে কাটান। এই সময়ে তিনি একদিকে ন্যায়ের সংগ্রামে অটল থাকতে স্বামীকে অনুপ্রাণিত করেছেন, অন্যদিকে স্বামীর রাজনৈতিক সহকর্মীদের নানাভাবে সহায়তা করে আওয়ামী লীগকে গতিশীল করতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর বাড়ি থেকে কোনো কর্মী না খেয়ে আসতে পারেনি। তাঁর তেমন বিত্ত বৈভব ছিল না, কিন্তু অন্তরের মহান মহিমায় তিনি ছিলেন হৃদয়বতী ও চিত্তের ঔদার্যে অসীম। তিনি বঙ্গবন্ধুর সঙ্গিনি হিসেবে তাঁর জীবন থেকে রাজনীতির জ্ঞান আহরণ করেছিলেন।
বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা ৫২’র ভাষা আন্দোলন, ৬৬’র ছয় দফা, ৬৯’র গণআন্দোলন, ৭০’র নির্বাচন ও ৭১’র মহান মুক্তিযুদ্ধসহ স্বদেশের জন্য সংগঠিত প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পাশে থেকে শক্তি ও সাহস জুগিয়েছেন। বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রতিটি পদক্ষেপে সক্রিয় সহযোগিতা করেছেন তিনি এবং ছায়ার মতো অনুসরণ করেছেন স্বামীর আদর্শকে বাস্তবায়নকরার জন্য। এজন্য জীবনে অনেক ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করেছেন এবং অনেক কষ্ট-দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে তাঁকে। বঙ্গবন্ধু জীবনের তারুণ্য ও যৌবনের শ্রেষ্ঠ সময়গুলো কারান্তরালে কাটিয়েছেন বছরের পর বছর। তাঁর অবর্তমানে একদিকে যেমন সংসারের হাল ধরতে হয়েছিল তাঁকে, অন্যদিকে মামলা পরিচালনার ব্যবস্থা করা, দলকে সংগঠিত করা, আন্দোলন করাসহ প্রতিটি কাজে তিনি অত্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। ফজিলাতুন্নেসা নেপথ্য থেকে কিভাবে রাজনীতির অনুঘটক-এর দায়িত্ব পালন করেছেন সে বিষয়ে প্রয়াত প্রবীণ সাংবাদিক এবিএম মুসার ‘প্রেরণাদায়িনী ফজিলাতুন্নেছা মুজিব’ শীর্ষক লেখা থেকে কিছু তথ্য উপস্থাপন করা যেতে পারে। ‘ঢাকা সেনানিবাসে ষড়যন্ত্র মামলার বিচার চলছে। সাল ঊনসত্তর। সারা দেশে আগুন জ্বলছে, ‘জেলের তালা ভাঙব, শেখ মুজিবকে আনব’। এই শ্লোগানে রাওয়ালপিন্ডির ক্ষমতার মঞ্চ কেঁপে উঠেছে। গণঅভ্যুত্থানে বিধ্বস্ত ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান গোলটেবিল বৈঠক ডাকলেন এবং প্যারোলে মুক্তি দিয়ে তাঁকে রাওয়ালপিন্ডি নিয়ে যাওয়া হবে বলেন। ফেব্রুয়ারির ১৭ বা ১৮ তারিখ থেকে বিভিন্ন মহল থেকে শেখ সাহেবের কাছে প্যারোলে যাওয়া প্রস্তাব আসতে থাকে। ঢাকায় তখন তাঁর মুক্তির দাবিতে কারফিউ ভেঙে রোজ রাতে মানুষের ঢল নামছে রাস্তায়। এরই মাঝে প্যারোলের বার্তা রটে গেল জনগণের মধ্যে। চলছে জল্পনা-কল্পনা, শেখ সাহেব কি প্যারোলে মুক্তি নিয়ে আইয়ুবের বৈঠকে যাবেন? ক্যান্টনমেন্টে বসে শেখ সাহেব কী ভাবছেন কেউ তা জানে না। সারা দেশের মানুষও কিছুটা বিভ্রান্ত। তারা প্রাণ দিচ্ছে, রক্ত দিচ্ছে প্রিয় নেতাকে মুক্ত করে আনার জন্য, মুচলেকা দিয়ে আইয়ুবের দরবারে যাওয়ার জন্য নয়। কিন্তু এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন যিনি তিনিও ছিলেন দ্বিধাগ্রস্ত। সেদিন মুচলেকা দিয়ে নাকি নিঃশর্ত মুক্তি সেই যুগান্তকারী সিদ্ধান্তটি নিয়েছিলেন এবং জানিয়েছিলেন একজন নারী। মুজিবের সহধর্মিনী যিনি রাজনীতি বুঝতেন না কিন্তু নিজের স্বামীকে জানতেন। বুঝতে পেরেছিলেন তাঁর স্বামীর মানসিক দ্বন্দ্ব। বন্দি স্বামীকে খবর পাঠালেন, ‘হাতে বঁটি নিয়ে বসে আছি, প্যারোলে মুচলেকা দিয়ে জীবনে বত্রিশ নম্বরে আসবেন না।’ ভাবা যায় একজন অর্ধশিক্ষিত সাধারণ গৃহবধু রণচণ্ডিনী মূর্তি ধারণ করে দূর থেকে সেদিন স্বামীকে শক্তি যুগিয়ে কি এক অসাধারণ রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছিলেন। আবারও প্রমাণিত হলো, নজরুলের কবিতার সেই পংক্তিমালা ‘কোন কালে একা হয়নিকো জয়ী পুরুষের তরবারি/ শক্তি দিয়াছে, প্রেরণা দিয়াছে, বিজয়-লক্ষ্মী নারী।’
ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের পূর্বের ঘটনা স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা তাঁর লেখা ‘আমার মা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব’-এর মাধ্যমে তুলে ধরেন কিভাবে এ ভাষণের পেছনে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন । তাঁর ভাষায় ‘৭ মার্চ ঐতিহাসিক জনসভা। ওই দিন কতো মানুষ। কতো মত, কতো কাগজ, কতো পরামর্শ। আব্বা সবই ধৈর্য সহকারে শুনেছেন। সব কাগজই গ্রহণ করেছেন। সারাটা দিন এভাবেই কেটেছে। যখন জনসভায় যাওয়ার সময় হলো তার কিছুক্ষণ পূর্বে আব্বা কাপড় পরে তৈরি হবেন। মা আব্বাকে ঘরে নিয়ে এলেন। দরজাটা বন্ধ করে দিয়ে আব্বাকে বললেন, ১৫ মিনিট চুপচাপ শুয়ে থাকার জন্য। আমি আব্বার মাথার কাছে বসে মাথাটা টিপে দিচ্ছিলাম। মা বেতের মোড়াটা টেনে আব্বার কাছে বসলেন। হাতে পানদান, ধীরে ধীরে পান বানাচ্ছেন আর কথা বলছেন। যে কোনো বড় সভায় বা গুরুত্বপূর্ণ কাজে যাওয়ার আগে আমার মা আব্বাকে কিছুক্ষণ একদম নিরিবিলি রাখতেন। সেদিন আব্বার একটু সর্দি ছিল। আমি গলায়, কপালে ভিক্স মালিশ করে দিলাম। কাঁথাটা গায়ে দিয়ে শুয়ে থাকলেন। আমার মা আব্বাকে বললেন, ‘সমগ্র দেশের মানুষ তোমার মুখের দিকে তাকিয়ে আছে। সবার ভাগ্য আজ তোমার ওপর নির্ভর করছে। তুমি আজ একটা কথা মনে রাখবে সামনে তোমার লাঠি পেছনে বন্দুক। তোমার মনে যে কথা আছে তুমি তাই বলবে। অনেকে অনেক কথা বলতে বলেছে। তোমার কথার ওপর সামনের অগণিত মানুষের ভাগ্য জড়িত। তাই তুমি নিজে যেভাবে যা বলতে চাও নিজের থেকে বলবে। তুমি যা বলবে সেটাই ঠিক হবে। দেশের মানুষ তোমাকে ভালোবাসে, ভরসা করে।’
১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ প্রত্যুষে বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী গ্রেফতার করে নিয়ে গেলে মহান মুক্তিযুদ্ধের পুরো নয় মাস ভেঙে না পড়ে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব অসীম সাহস, দৃঢ় মনোবল ও ধৈর্য্য নিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেন। মায়ের প্রেরণায় মুক্তিযুদ্ধ আরম্ভ হওয়ার পর পরই বঙ্গবন্ধুর বড় ছেলে শেখ কামাল মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন, আর মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বঙ্গবন্ধুর মেজো ছেলে শেখ জামাল ১৯৭১ সালের ৫ই আগস্ট বন্দিদশা থেকে পালিয়ে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন ।
১৯৭৫ সালের কলঙ্কিত ১৫ই আগস্ট রাতে পরিবারের প্রায় সব সদস্যের সঙ্গে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবও শাহাদাত বরণ করেন। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ভাষায় ‘ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম হত্যাকাণ্ডের সময়েও বঙ্গবন্ধুর আজীবনের সুখ-দুঃখের সঙ্গী মরণকালেও সঙ্গী হয়ে রইলেন’। শেখ ফজিলাতুন্নেছার ধৈর্য্য, সহনশীলতা ও দেশপ্রেম যুগ যুগ ধরে বাংলার মানুষকে অনুপ্রেরণা জোগাবে এবং দেশ গড়ার লক্ষ্যে উদ্বুদ্ধ করবে। কিন্তু এই মহীয়সী নারীর যথাযোগ্য স্থান বাংলার ইতিহাসে যথাযথভাবে চিত্রিত হয়নি। সাংবাদিক এবিএম মুসার ভাষায় যথার্থই বলতে হয় ‘গান্ধী-পত্নী কস্তুরবাই, নেহেরুর কারাসঙ্গিনী কমলা, দেশবন্ধুর সহধর্মিণী বাসন্তী দেবী বা ম্যান্ডেলা-পত্নী উইনি ইতিহাসে স্থান পেয়েছেন। কিন্তু বাঙালি জাতির মুক্তিদাতার স্ত্রী শক্তিদায়িনী, প্রেরণাদায়িনী মহিলার স্থান কেন বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায় থাকবে না?’ এ লেখা লেখতে গিয়ে বার বার মনে হয়েছে তাঁর সম্পর্কে লেখালেখি ও গবেষণার বিস্তৃতি খুবই সামান্য। তাই এখনই উৎকৃষ্ট সময় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জীবনের নানা আলোকিত দিক আলোর পাদপীঠে নিয়ে আসা। রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে বঙ্গমাতা সম্পর্কে নানা তথ্য সংগ্রহ করে তাঁকে ইতিহাসের পাতায় স্বমহিমায় উদ্ভাসিত করার দায়িত্বটিও রাষ্ট্রের। বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব স্বামীর রাজনীতি এবং দেশ ও দেশবাসীর জন্য ত্যাগের যে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তা বাঙালির এক আলোকিত বাতিঘর হয়ে থাকবে।
লেখক পরিচিতি: প্রফেসর, আইন বিভাগ ও পরিচালক, শহীদ সুখরঞ্জন সমাদ্দার ছাত্র-শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ।
যঢ়ৎড়ফযধহ@ুধযড়ড়.পড়স