বন্দি ইসরায়েলি বীরাঙ্গনার রূপে মুগ্ধ হামাস জঙ্গি!

আপডেট: মে ২৩, ২০২৪, ৩:০০ অপরাহ্ণ


সোনার দেশ ডেস্ক :


গাজায় খাঁচাবন্দি ইসরায়েলি বীরাঙ্গনাদের রূপে মুগ্ধ হয়েছে হামাস জঙ্গি! আট মাস পেরিয়ে গিয়েছে। এখনও হামাসের ডেরায় বন্দি শতাধিক ইসরাইলি। বন্দিদের মধ্যে রয়েছেন বহু তরুণী। তালিকায় আছে ইসরায়েলের নারী সৈনিকরাও।

সম্প্রতি এক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যেখানে নারী সৈনিকদের উদ্দেশে এক হামাস জঙ্গি বলেছে, ‘তোমরা তো খুব সুন্দর।’ এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই ফের একবার প্রতিবাদ দেখাতে শুরু করেছে পণবন্দিদের পরিবার।

টাইমস অফ ইজরায়েলের প্রতিবেদন অনুসারে, গত ৭ অক্টোবর ইজরায়েলের বুকে হামলা চালানোর পর কয়েকজন ইসরায়েলি নারী সৈনিকদের বন্দি করে নিয়ে যায় হামাস জঙ্গিরা। যাঁদের মধ্যে রয়েছেন লিরি আলবাগ, ক্যারিনা আরিয়েভ, আগাম বার্গার, ড্যানিয়েলা গিলবোয়া এবং নামা লেভি নামে পাঁচ তরুণী। অভিযোগ, তাঁদেরকে ইসরায়েলের কিবুটজের নাহাল ওজ সেনা ঘাঁটি থেকে অপহরণ করা হয়েছিল।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে দেখা গিয়েছে, ওই পাঁচজনকে হাত বেঁধে বসিয়ে রেখেছে হামাস জঙ্গিরা। তাঁদের গায়ে ও মুখে রক্ত লেগে রয়েছে। একটি ভিডিও ক্লিপে এক জঙ্গিকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘বাহ, তোমরা তো খুব সুন্দর।

’ অন্য আরেকটি ক্লিপে এক জেহাদি বলছে, ‘এই যে ইহুদি মেয়েগুলো। এরা অন্তঃসত্তাও হতে পারে।’ আরেক জঙ্গির হুমকি, ‘তোমাদের জন্য আমাদের ভাইরা মারা গিয়েছে। আমরা তোমাদের সকলকে গুলি করে দেব।’ তার পর তিন মিনিটের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ওই পাঁচজনকে একটি গাড়িতে করে কোথাও নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

জানা গিয়েছে, ওই ভিডিওটি পণবন্দিদের পরিবারের একটি ফোরাম এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করেছিল। যা প্রকাশ্যে আসতেই ফের একবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েছে পণবন্দিদের পরিবার। দ্রুত তাঁদের ফেরানোর দাবি জানাচ্ছে সকলে

। এখন গাজায় হামাসের ঘাঁটিতে বন্দির সংখ্যা ১২৩। যাঁরা গত ২২৯ দিন ধরে বন্দি রয়েছেন। এই ভিডিও সামনে এনে তরুণীদের মধ্যে একজনের বাবার কাতর আর্জি, ‘গোটা ভিডিওটি ১৩ মিনিটের। যা সেন্সর করা। ওঁদের উপর কী অত্যাচার হচ্ছে তা আমরা কল্পনাও করতে পারছি না।

আমরা আমাদের মেয়েদের এইভাবে দেখতে আর পারছি না। আমরা চাই প্রশাসন দ্রুত কোনো ব্যবস্থা নিক।’ গাজা থেকে বন্দিদের দ্রুত ঘরে ফেরাতে আলাদাভাবে আলোচনা শুরু হয়েছে জাতিসংঘে।
তথ্যসূত্র: সংবাদ প্রতিদিন অনলাইন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Exit mobile version