বরেন্দ্র অঞ্চলের জলবায়ু পরিবশে ও পানির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে যুবদের সাত দফা দাবি ও সুপারিশ

আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২২, ৫:৪৯ অপরাহ্ণ


সংবাদ বিজ্ঞপ্তি :


শুক্রবার সকাল ১০ ঘটিকায় রাজশাহী সাহেব বাজার জিরোপয়েন্টে আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষ্যে বরেন্দ্র অঞ্চল যুব সংগঠন ফোরামের যুবকরা বরেন্দ্র বরেন্দ্র অঞ্চলের জলবায়ু পরিবশে ও পানির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সাত দফা দাবি ও সুপারিশ তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে বরেন্দ্র অঞ্চলের স্বেচ্ছাসেবী ২৫ টি যুব সংগঠনের প্রতিনিধিগণ অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বরেন্দ্র অঞ্চলের নাগরিক সমাজ, গবেষণা উন্নয়ন সংগঠন বারসিকসহ সমমনা সংগঠনগুলো সংহতি প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানটি উপলক্ষ্যে সকাল দশটায় রাজশাহী সাহেববাজার জিরোপয়েন্ট থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে তা প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে আবার জিরোপয়েন্টে এসে আন্তঃপ্রজন্ম মানববন্ধনের মাধ্যমে দাবিগুলো তুলে ধরেন।

এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বরেন্দ্র অঞ্চল যুব সংগঠন ফোরামের সদস্য সচিব তরুণ শাইখ তাসনীম জামাল, বরেন্দ্র অঞ্চলের সমন্বিত উন্নয়নের দাবি নিয়ে বক্তব্য তুলে ধরেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ডা. আব্দুল মান্নান, বরেন্দ্র অঞ্চলের পরিবেশ ও জলাভ‚মিগুলো সংরক্ষণের দাবি তুলে ধরে বক্তব্য দেন নদী ও পরিবেশ গবেষক মাহবুব সিদ্দীকী, আরো বক্তব্য দেন সেভ দ্য ন্যাচার এর চেয়ারম্যান মিজানুর রহমানসহ বরেন্দ্র অঞ্চলের তরুণ স্বেচাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিগণ।

অনুষ্ঠানটিতে বরেন্দ্র অঞ্চলের জলবায়ু পরিবেশ ও পানির সুরক্ষা নিশ্চিত দাবি নিয়ে ধারণাপত্র ও দাবি তুলে ধরেন বারসিক’র গবেষক ও বরেন্দ্র অঞ্চল সমন্বয়কারি মো. শহিদুল ইসলাম।

বিশ্ব যুব দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আজকের এই আন্তঃপ্রজন্ম মানববন্ধনে বরেন্দ্র অঞ্চলের জনমানুষ এবং যুব সমাজের পক্ষে সাত দফা দাবী ও সুপারিশসমূহ তুলে ধরেন।

* বরেন্দ অঞ্চলের গ্রাম ভিত্তিক খাস/ সরকারি প্রতিটি পুকুড়/দিঘি সেই গ্রামের মানুষের ব্যবহারের জন্য শর্তবিহীন এবং জামানতবিহীন আজীবনের জন্য লিজ দিতে হবে। পুকুর/দিঘিগুলো পুণঃসস্কার করে দিতে হবে।
* বরেন্দ্র ডিপ ব্যবস্থাপনায় পানি বন্ঠন বৈষিম্য নীতি পরিহার করে সরাসরি কৃষকদের পরিচালনা করতে দিতে হবে। প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণ বন্ধ করতে হবে।

*বরেন্দ্র অঞ্চলের প্রতিটি গ্রামে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করতে হবে।
* বরেন্দ্র অঞ্চলের প্রাকৃতিক জলাশয়/ জলাধারগুলো পূণঃসংস্কার এবং তা লিজ বাতিল করে জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দিতে হবে।

*ভুগর্ভস্থ্য পানির উত্তোলন কমিয়ে ভু-উপরোস্থ্য পানি ব্যবহার এবং সেই সুবিধাগুলো সৃষ্টি করে দিতে হবে।
* বরেন্দ্র অঞ্চলের বৈচিত্র্য ও পরিবেশ সুরক্ষায় উচুঁ-নীচু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন ভ‚মি কর্তন/সমান করা বন্ধ করাসহ বড় বড় বৃক্ষগুলো সুরক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। বৃক্ষনিধন বন্ধ করতে হবে।

খরা এবং দুর্যোগের কারনে শস্য ফসলসহ গবাদি পশুপাখির ক্ষতি পূরণ দিতে হবে। খরাকালিন কাজের অভাবে প্রান্তিক আদিবাসী ও অন্যান্য শ্রমজীবী মানুষের জন্য মৌসুমী খরা ভাতা চালু করতে হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ